সত্যিকারের বন্ধু পাওয়া কম ভাগ্যের কথা নয়। যেকোনও বিপদে পাশে পাওয়া ও মন খুলে নিজের সমস্যার কথা জানানোর মতো প্রকৃত বন্ধুকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবে, জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, কোন রাশির সঙ্গে কোন রাশির বন্ধুত্ব অটুট থাকবে সারাজীবন তা জেনে নেওয়া যেতে পারে। এরা হাসি মুখে করতে পারেন অসাধ্য সাধন। ৩ আগস্ট ২০২৫ বন্ধুত্ব দিবসের দিন আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী সেই রাশিগুলি?
২৭
মেষ ও সিংহ রাশি: শক্তিশালী জুটি। যেকোনও কাজে একে অন্যকে উৎসাহিত করবে। যেকোনও সমস্যায় পাশে থাকবে একে অপরের। বন্ধুত্বের সম্পর্ককে যেকোনও কিছুর বিনিময়ে রক্ষা করতে তৎপর এই দুটি রাশি।
মেষ ও ধনু রাশি: হঠাৎ করে বন্ধুত্বে জড়িয়ে পড়বেন। দুজনের ওয়েভ ম্যাচিং দারুণ। হাসিখুশি ও এক অপরের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রবণতা থাকবে। ফলে, সহজে এক অপরকে ছেড়ে যাবে না কেউই।
৪৭
সিংহ ও মিথুন রাশি: দুজনেই স্বাধীনচেতা। স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। নিজেদের ইচ্ছেগুলোকে ভাগ করে নেওয়ায় আনন্দ বাড়বে নিজেদের মধ্যে। আগুন ও জলের মতো একে অপরের বিপরীত হলেও দুজনের বন্ধন থাকবে অটুট।
৫৭
বৃষ ও কর্কট রাশি: এই রাশির জাতকেরা একে অপরের খুব কাছের বন্ধু হতে পারেন। নিজের গোপনীয় বিষয় একে অন্যের সঙ্গে শেয়ার করে নেন। একে অন্যকে কখনওই এড়িয়ে চলে না।
তুলা ও কুম্ভ রাশি: একে অন্যকে অদ্ভুত ভাবে বুঝতে পারে। যেকোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একে অন্যের সঙ্গে পরামর্শ করে। দুজনেই উদ্যমী। একের প্রতি অন্যের যথেষ্ট সম্মান রয়েছে।
৭৭
বৃশ্চিক ও মীন রাশি: বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এই দুই রাশির বন্ধুত্ব। দুজনেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৎ। একে অপরের প্রতি অনুগত ও যত্নশীল।
২০১১ সালে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। কলকাতা জুড়ে আবেগের ঝড় উঠেছিল তাঁকে কেন্দ্র করে। ১৪ বছর পর আবার সেই একই উন্মাদনা, একই উচ্ছ্বাস শোনা যাবে শহরের অলিগলিতে।
২৬
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ৮ বারের ব্যালন ডি'অর জয়ী মেসি কলকাতা, আহমেদাবাদ, মুম্বই এবং নয়াদিল্লি-সহ একাধিক শহরে আসতে চলেছেন।
ডিসেম্বরের কলকাতায় চমকের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। ১২ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে কলকাতায় অবতরণ করার কথা মেসির। বেশ কয়েকদিন তিলোত্তমায় থাকার কথা রয়েছে তাঁর।
৪৬
১৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় একটি শুভেচ্ছানুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হবে মেসির কলকাতায় সফরসূচি। এরপর লেকটাউন শ্রীভূমিতে তাঁর ৭০ ফুট উঁচু একটি মূর্তি উন্মোচন করা হবে। আয়োজকদের দাবি, এটিই কোনও বিশ্বকাপজয়ীর সবথেকে উঁচু মূর্তি এটাই।
৫৬
এরপর ইডেন গার্ডেন্সে যাবেন তিনি। দুপুরে মেসির সম্মানে আয়োজিত হতে চলেছে ‘গোট কাপ’। ‘গোট’ অর্থে ‘গ্রেটেস্ট অফ অল টাইম’। ইডেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত থাকার কথা। ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ‘গোট কাপ-এ অংশ নিতে পারেন সৌরভ-সহ লিয়েন্ডার পেজ, জন আব্রাহাম, বাইচুং ভুটিয়া প্রমুখ। তাছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল ও বিনোদনের জগতের তারকারা মাঠে নামবেন। সাতজনের দু'টি দলের ম্যাচ হবে দুই অর্ধে...
এখানেই শেষ নয়। থাকছে সঙ্গীতানুষ্ঠানও। যার নাম ‘দ্য গোট কনসার্ট’। সেখানে দেশবিদেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন। হয়তো দেখা গেল, আপনি প্রিয় শিল্পীর গানে মুগ্ধ হয়ে আছেন। আর সেই সময়েই ইডেন আলো করে প্রবেশ করলেন মেসি। শীতের সন্ধ্যায় গোটা স্টেডিয়াম ঘুরে গ্রহণ করলেন ৭০ হাজার দর্শকের উষ্ণ অভিনন্দন। শোনা যাচ্ছে, খুদে ফুটবলারদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য একটি সেশন রাখা হবে। বিশ্বজয়ী মেসিকে যে উন্মাদনার পারদ এখন...
তিনি বলিউডের বাদশা। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। ৩৩ বছরের অভিনয় জীবনে দর্শক ও ইন্ডাস্ট্রিকে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী ছবি। ১ আগস্ট, শুক্রবার তাঁর অভিনয় জীবনের এক পরমপ্রাপ্তি ঘটল তাঁর। ৭১তম জাতীয় পুরস্কার পেলেন কিং খান। অ্যাটলি পরিচালিত 'জওয়ান' ছবির জন্য সেরা অভিনেতার সম্মানপ্রাপ্তি হল তাঁর। এ এমন এক চরিত্র ছিল যা নাড়া দিয়েছিল আপামর সিনেপ্রেমী থেকে সবস্তরের মানুষকে।
২৯
জীবনে চলার পথে যেভাবে নানা বিষয় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় তা থেকে ব্যতিক্রম নন শাহরুখ নিজেও। মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক ছবি। তারপর একটা ছোট্ট বিরতি আর তার শেষে, পাঁচ- পাঁচটা বছর পর অ্যাটলির এই থ্রিলার ঘরানার ছবি 'জওয়ান'-এর হাত ধরে। যা রীতিমতো ম্যাজিক তৈরি করেছিল।
খারাপ সময় কাটিয়ে উঠে ঘুরে দাঁড়ানোর নামই বাদশা। তিনিই শাহরুখ খান। তাই কাজে ইতি না টেনে খানিক বিরতি নিয়ে আবার নিজেকে আগের জায়গায় নিয়ে গিয়ে এক দৃষ্টান্ত তৈরি করার জন্যই তিনি বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান। 'জওয়ান'-এর হাত ধরে নতুন উদ্যমে ফিরে এসে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন এভাবেও ফিরে আসা যায়।
৪৯
'জওয়ান' মুক্তির পর কানায় কানায় প্রেক্ষাগৃহে উপচে পড়েছিল ফের চেনা ছন্দে শাহরুখকে দেখার উন্মাদনা। সেই চেনা ছবি ধরা পড়েছিল সিঙ্গল স্ক্রিন থেকে মাল্টিপ্লেক্স সর্বত্র। বাদশার অভিনয় দেখে বরাবরের মতোই উন্মাদনায় ডুবেছিলেন অনুরাগীরা।
৫৯
অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন যে অতীতে শাহরুখ 'চক দে ইন্ডিয়া' বা 'স্বদেশ'-এর মতো ছবি উপহার দিলেও তাঁকে এমন এক কমার্শিয়াল ছবির জন্য কেন জাতীয় পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হল? সেক্ষেত্রে বলা যায় তাঁর এই 'জওয়ান' ছবিটি শুধুই বিনোদনে ভরপুর একটি ছবিই ছিল না। তুলে ধরেছিল সমাজের বিভিন্ন দিক।
সমাজ ও রাজনীতির বিভিন্ন দিক বিনোদনের মোড়কে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল এই ছবিতে। কাজেই বলা যায় এই ছবি শুধুই একটি বিনোদনে ভরপুর ছবি নয় বরং এই ছবির মাধ্যমে অনেক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সমাজের সবস্তরের মানুষের মধ্যে।
৭৯
একথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে শাহরুখকে বলিউডের বাদশা বলা হয় একটা কারণেই, কারন তাঁর পর এই ইন্ডাস্ট্রিতে রাজার মতো বিরাজ করতে পারে এমন দৃষ্টান্ত কেউ তৈরি করেননি। একটা চরিত্রে নিজেকে ফুটিয়ে তোলা ও দর্শকের মনে সেই চরিত্রের ছাপ ফেলা দু'দিকেই শাহরুখের জুড়ি মেলা ভার। আর সেজন্যই তাঁর তুলনা তিনি।
৮৯
ছবিতে যখন শাহরুখ অভিনীত বিক্রম রাঠোর চরিত্রটি বলে ওঠে, 'বেটে কো হাত লাগানে সে পেহলে বাপ সে বাত কর', তখন কানায় কানায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহ হাততালিতে ফেটে পড়েছে। এই সংলাপ তুমুল জনপ্রিয় হয় আরা দেশের শাহরুখ অনুরাগীদের কাছেও। যা ধন্য ধন্য করেছিল সকলে। শুধু তাইই নয়।
৯৯
তাই সবশেষে তাঁর ছবির সংলাপ অনুসরণ করেই বলতে হয় 'কিসি চিজ কো সিদ্ধত সে চাহো তো পুরী দুনিয়া উসে তুমসে মিলানে কি কোশিশ মে লগ জাতি হ্যায়', দীর্ঘ ৩৩ বছরের ফিল্মি কেরিয়ারে নানা উত্থানপতন, ওঠাপড়া কোনও কিছুই তাঁকে তাঁর লক্ষ্য থেকে টলাতে পারেনি। লক্ষ্য স্থির থাকলে সফলতা যে আসবেই তা যেন আর একবার প্রমাণ করে দিলেন 'জওয়ান' কিং খান শাহরুখ। (ছবি: সংগৃহীত)