অর্ডার দিলেই গোপনে বাড়িতে সেক্স টয়! বিরাট ‘ব্যবসা’ ফেঁদে বিপাকে বাঙালি যুবক, আপনি সাবধান তো?
গোপনে সেক্স টয় ডেলিভারি…! অর্ডার দেন হাজার হাজার মানুষ।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
বেশ কিছুদিন দিব্যি চলছিল। বহু মানুষ টাকা দিয়ে প্রতারিত হচ্ছিলেন। সমস্যা হল প্রতারিত হচ্ছেন, এটা বুঝতেই অনেকটা সময় লেগে যায় প্রতারিতদের। আরও সমস্যার হল প্রতারিত হওয়ার পরও কেউ পুলিশের কাছে যেতে পারেছেন না বা কাউকে বলতে পারছেন না স্রেফ লোকলজ্জার ভয়ে। ফলে দীর্ঘদিন কেউ অভিযোগ দায়ের না করায় পুলিশেরও অগোচরে ছিল বিষয়টা।
কিন্তু বিষয়টা বেশিদিন চাপা থাকেনি। জনা কয়েক গোয়া পুলিশের কাছে গিয়ে ওই প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করে দেয়। তড়িঘড়ি তদন্তে নেমে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। দেখা যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শ'য়ে শ'য়ে মানুষ প্রতারিত হয়েছেন। সাইবার পুলিশ তদন্তে নেমে সন্ধান পান মাস্টারমাইন্ড শুভেন্দুকুমার দাসের। কলকাতায় বসেই পুরো প্রতারণা চালাচ্ছিল সে। তাঁর ল্যাপটপেই মেলে যাবতীয় কেলেঙ্কারির তথ্য। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে এই গোটা চক্রের পর্দাফাঁস হয়।
এই ধরনের কেলেঙ্কারি মাঝে মাঝেই ঘটছে। দিন কয়েক আগেই বিহারে অল ইন্ডিয়া প্রেগন্যান্ট জব নামের একটি কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে এসেছে। সোশাল মিডিয়ায় অবদমিত যৌন ইচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে প্রতারকরা অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করার ছক কষে। তাই আমজনতার মধ্যে সচেতনতা বাড়াটা দরকার। সোশাল মিডিয়ায় যে কোনও বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে পা দেওয়ায় দস্তুর।