আর এই সাজে অতিরিক্ত আভিজাত্য যোগ করেছে পরমার ডিজাইন করা লাল ব্লাউজ, থ্রি কোয়াটার হাতায় সবুজ পাড়। তাহির জুয়েলারির গয়নায় যেন আরও সুন্দরী সোহিনী। প্রিন্টেড সুতির পাঞ্জাবিতে নজর কেড়েছেন হ্যান্ডসাম অনির্বাণ।
৪৬
পুজো মানেই তো প্রিয় মানুষের সঙ্গে ঘোরাফেরা, দেদার আড্ডা কিংবা চেনা গণ্ডিতে গেট টুগেদার। আর দশমীতে মায়ের বিদায়বেলার জন্য এই একেবারে পারফেক্ট।
৫৬
লোকেশন দুশো বছরের ঐতিহ্যবাহী ব্যারিস্টার বাবুর বাড়ি। নোনা ধরা দেওয়াল, পুরনো আসবাব, ঠাকুরদালানের দেওয়াল যেন পুজোর গন্ধকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
উত্তর কলকাতার এই পুজোর পরতে পরতে জড়িয়ে ইতিহাস। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিঞ্জয় বোস।
৮১০
জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই পুজোর সূচনা। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিঞ্জয় বোস।
৯১০
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, নলিনীরঞ্জন সরকার-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিঞ্জয় বোস।
১০১০
বনেদিয়ানার টান বাঙালিকে প্রতি বছরই টেনে নিয়ে আসে এই পুজোপ্রাঙ্গণে। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরিঞ্জয় বোস।