যোনিতে আঁশটে দুর্গন্ধ! রেহাই মিলবে ঘরোয়া প্রতিকারেই
কী কী কারণে এমন দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়?
আরও পড়ুন:
যোনির সবচেয়ে সাধারণ একটি সংক্রমণ হল ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস। যা থেকে আঁশটে দুর্গন্ধ হতে পারে। ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস তখন হয় যখন যোনিতে ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, যার ফলে গার্ডনেরেলা ভ্যাজিনালিসের মতো নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়ার অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটে। এই অতিরিক্ত বৃদ্ধি যোনির প্রাকৃতিক পিএইচ ভারসাম্যকে ব্যাহত করে। এর ফলে একটি মাছের দেহের মতো সুস্পষ্ট দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।
ক্যান্ডিডা প্রজাতির ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট ইস্ট সংক্রমণের ফলেও যোনির গন্ধে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে ইস্ট সংক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত গন্ধটি সাধারণত আঁশটে না হয়ে মিষ্টি গন্ধের হয়। সেক্ষেত্রে যোনিতে পাওয়া যায় মধু বা কুকিজের গন্ধ। তবে এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, যদি ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে কোনও গৌণ সংক্রমণ বা মিশ্র সংক্রমণ না থাকে, তবে ইস্ট সংক্রমণের কারণে সাধারণত মাছের মতো দুর্গন্ধ হয় না।
এছাড়াও যৌন সংক্রমণের ফলেও যোনিতে দুর্গন্ধ হতে পারে। অসুরক্ষিত যৌন মিলনের ফলে গনোরিয়া, ট্রাইকোমোনাইয়াসিসের মতো অসুখ হলে মেছো গন্ধ হয়। তবে যৌন রোগের ক্ষেত্রে কেবল গন্ধ নয়, অন্য উপসর্গও থাকে। যেমন, যোনি থেকে ডিসচার্জ, চুলকানি ও অস্বাচ্ছন্দ্য। এক্ষেত্রে সব সময় গন্ধ মেছো না হয়ে অন্য ধরনের দুর্গন্ধও হতে পারে।
আরও পড়ুন:
এই কারণগুলি ছাড়াও অন্য কারণে যোনিতে আঁশটে গন্ধ হতে পারে। নিয়মিত যোনি না ধুলে অথবা দীর্ঘ সময় ধরে ট্যাম্পুন ভিতরে প্রবেশ করিয়ে রাখলে ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হতে পারে। যা থেকে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধের। এছাড়াও মাসিকের সময় কিংবা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতে শরীরে হরমোনের যে পরিবর্তন হয় তার ফলেও এই ধরনের গন্ধ নির্গত হতে পারে।