ডার্ক নাকি জ্যুসি? চকোলেট প্রীতিই বলে দেয় আপনি কেমন মানুষ! চকোলেট ডে’র আগে জেনে নিন
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:৫০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:৫০
১১০
এক একজনের পছন্দ একেকরকম। খাবারের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। সকলের প্রিয় পদ আলাদা। একইভাবে সকলের পছন্দের চকোলেটও এক নয়। কেউ পছন্দ করেন মিল্ক চকোলেট, কেউ আবার ডার্ক চকোলেট বা অন্য কিছু। কিন্তু জানেন কি এই পছন্দের চকোলেটই বলে দেয় কেমন ধরনের মানুষ আপনি। চলুন চকোলেট ডে'র আগে পছন্দের চকোলেটের ভিত্তিতে জেনে নিন নিজের সম্পর্কেই।।
২১০
মিল্ক চকোলেট ছাড়া কিছু মনে ধরে না? তাহলে কিন্তু এক কথায় বলা যায়, আপনি সুখী মানুষ। অল্পতেই সন্তুষ্ট হতে জানেন আপনি। দামি জিনিসের প্রতি কোনও আকর্ষণ নেই। বরং ছোটোছোটো জিনিসেই সুখী হন আপনি।
যারা ডার্ক চকোলেট পছন্দ করেন তাঁরা অত্যন্ত ম্যাচুউর। চারপাশের মানুষদের নিয়ে চলতে পছন্দ করেন। কেউ সমস্যায় পড়েছে দেখতে পেলেই ছুটে যান এরা।
৪১০
হোয়াইট চকোলেট যারা পছন্দ করেন তাঁরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। নিজের মনের কথা শুনে চলাতেই বিশ্বাসী এরা। একবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে কোনও শর্তেই তা বদল করেন না এরা।
৫১০
এককথায় বলা যায়, হট চকোলেট প্রেমীরা জীবন উপভোগ করতে চান। এরা নিজেদের ভীষণ ভালোবাসে। নিজেদের প্যাম্পার করার কোনও সুযোগ হাতছাড়া করেন না এরা।
মিন্ট চকোলেট প্রেমীরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন যে কোনও পরিস্থিতিতে। নিজের মতামত প্রকাশে যদি তর্ক বিতর্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাতেও পিছু হটে না এরা।
৭১০
চকোলেট সিরাপ পছন্দের তালিকার শীর্ষে? তাহলে কিন্তু আপনি উচ্চাকাঙ্খী। এই ধরনের মানুষরা মনে করেন, জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই আরও কিছু বেশি পাওয়ার প্রত্যাশ্যা করেন এরা।
৮১০
সব চকোলেটের মধ্যে গানাচে প্রিয়? তাহলে আপনার আভিজাত্যের বড়াই করতেই হবে। সব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠটাই আপনার পছন্দ।
৯১০
হট ফাজ প্রেমীরা জীবনের সবকিছুই উদযাপন করতে পছন্দ করেন। প্রতিমুহূর্ত এদের কাছে উৎসবের মতো।
১০১০
রুবি চকোলেট প্রিয়? তাহলে আপনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপডেট করতে পছন্দ করেন। জীবনে চলার পথে নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা আপনার ভারী পছন্দ।
কূটনৈতিক মহল মনে করছে, পাকিস্তানের হাবভাব ক্রমেই দ্বিচারিতার সমার্থক হয়ে উঠছে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:৪৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৬:৪৭
১১২
পাকিস্তান যেন দ্বিচারিতার সমার্থক। একদিকে তারা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের ডাক দিচ্ছে, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে সই করা চুক্তির উপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে। সেটার জন্য ভারতবিদ্বেষ একেবারে ভুলে গিয়ে বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রধানকে কার্যত তৈলমর্দন করছে পাকিস্তান।
২১২
ম্যাচ বয়কটের পরেই সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। বৈঠক করেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং অর্থমন্ত্রী মহম্মদ ঔরঙ্গজেবের সঙ্গে। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বাঙ্গার এই সফরের সরকারি গুরুত্ব সেরকম ছিল না। কিন্তু তাঁকে ঘিরে পাক সরকার যেভাবে মাতামাতি করেছে, তাতেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাঙ্গার সফর।
পাকিস্তানে গিয়ে নিজের পিতৃপুরুষের ভিটে ঘুরে দেখেন বাঙ্গা। স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানের খুশাব ছেড়ে ভারতে পালিয়ে এসেছিলেন তাঁর বাবা হরভজন সিং বাঙ্গা। তবে বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রধানের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ভারতে। পাকিস্তানে তাঁর পূর্বপুরুষের ভিটের বেশ কিছু নথি প্রতীকীভাবে বাঙ্গার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
৪১২
বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রধান যখন পিতৃপুরুষের ভিটে পরিদর্শনে যাচ্ছেন, রীতিমতো শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিল পাক প্রশাসন। ব্যান্ড পার্টিতে বাজানো হচ্ছিল 'মেরা পিয়া ঘর আয়া' গান। বাঙ্গার ছবি দেওয়া ব্যানারে ঢেকে দেওয়া হয় গোটা পথ। একেবারে রাজকীয় মেজাজে অভ্যর্থনা জানানো হয় বাঙ্গাকে।
৫১২
ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাঙ্গাকে কার্যত নিজের ঘরের ছেলে হিসাবে তুলে ধরতে চেয়েছে শাহবাজ সরকার, জাঁকজমকের বহর দেখে এমনটাই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। সেকারণেই রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে তাঁকে। কারণ বর্তমানে পাকিস্তানের যা দশা তাতে বিশ্ব ব্যাঙ্কের নেকনজরে থাকাটা ইসলামাবাদের পক্ষে খুবই জরুরি।
কিন্তু এত আয়োজন কেন? আসলে গত বেশ কয়েকবছর ধরে দেনায় ডুবে পাকিস্তান। বিশ্ব ব্যাঙ্ক এবং আইএমএফের থেকে পাওয়া ঋণের উপরই টিকে রয়েছে শাহবাজের দেশ। আরও বেশি পরিমাণে ঋণ পেতে সর্বদাই সচেষ্ট থাকে পাকিস্তান, সেকারণেই বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রধানকে তুষ্ট করতে চাইছেন শাহবাজ, মনে করছে পাক প্রশাসনের একাংশই। বাঙ্গার 'গুড বুকে' থাকলে ঋণের শর্ত কিছুটা সহজ হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে পাক প্রশাসন।
৭১২
বিশ্লেষকরা বলছেন, স্রেফ দেনা নয়। এবার বাঙ্গাকে ঘিরে রাজকীয় আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছে আরও গুরুতর একটি বিষয়-সিন্ধু জল চুক্তি। সিন্ধুর জলবন্টন নিয়ে ১৯৬০ সালে এই চুক্তি সেরেছিল নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ। কিন্তু অপারেশন সিঁদুরের পর এই চুক্তি স্থগিত করে দিয়েছে ভারত। তারপর থেকে বহু চেষ্টা করেও এই জট কাটাতে পারেনি পাকিস্তান।
৮১২
এই চুক্তির ফলে দীর্ঘদিন ধরে সিন্ধুর জলের যে অংশ পেত পাকিস্তান, সেই জলেই দেশের ৮০ শতাংশ কৃষিকাজ হতো। কৃষির উপর অনেকখানি নির্ভর করে পাক অর্থনীতি। কিন্তু প্রায় একবছর ধরে চুক্তি স্থগিত থাকায় কার্যত শুকিয়ে মরছে পাকিস্তান। এখন তারা চাইছে চুক্তির উপর চাপানো স্থগিতাদেশ সরে যাক। বাঙ্গাকে তুষ্ট করতে শাহবাজের প্রাণপাতের নেপথ্যে এই চুক্তিও অন্যতম প্রধান কারণ।
৯১২
আসলে সিন্ধু জলচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায়। তবে বাঙ্গা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, এই চুক্তি নিয়ে বিশ্ব ব্যাঙ্কের কোনও বক্তব্য নেই। তবুও পাক আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে বাঙ্গা সিদ্ধান্ত বদল করবেন, চুক্তি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করবেন, সেই আশায় থাকতেই পারে পাকিস্তান।
১০১২
শাহবাজ সরকারের এহেন পদলেহন ঘিরে ছিছিক্কার চলছে পাকিস্তানের অন্দরেই। নেটিজেনদের অনেকে বলছেন, একদিকে ভারতবিরোধিতার আদর্শ নিয়ে চলছে পাকিস্তান। অন্যদিকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে নিয়ে মাতামাতি করছে। কারণ এই ব্যক্তিকে খুশি রাখতে পারলে ঋণ পেতে সুবিধা হবে। অর্থাৎ আরও দেনায় ডুবে যাবে পাক অর্থনীতি।
১১১২
ক্রীড়াপ্রেমী নেটিজেনদের আবার প্রশ্ন, যদি ভারতের সঙ্গে চুক্তি কার্যকর করতে চায় পাকিস্তান তাহলে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে আপত্তি কেন? স্রেফ রাজনৈতিক শত্রুতার কারণে কেন খেলার মাঠে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে?
১২১২
সবমিলিয়ে কূটনৈতিক মহল মনে করছে, পাকিস্তানের হাবভাব ক্রমেই দ্বিচারিতার সমার্থক হয়ে উঠছে। শাহবাজদের আচরণ দেখে পাকিস্তানের আমজনতাও বলছে, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল পাক ফৌজ। এবার ঋণের জন্য কার্যত বাটি হাতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের সামনে দাঁড়িয়েছে তাঁদের দেশ।
মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ ফাইনালে গুচ্ছ রেকর্ড গড়ে জেতালেন ক্রিকেটের প্রতি প্রেমকেই।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৪:০৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৪:০৫
১১২
জীবন কীভাবে বদলে যায় তাই না? সব ঠিক থাকলে গত বছরই বিয়ে হয়ে যেত স্মৃতি মন্ধানার। না, সেটা হয়নি। অত্যন্ত হৃদয় বিদারক ভাবে শেষ হয়েছে সেই অধ্যায়। স্মৃতির ভাঙা মনের যন্ত্রণা মুছছে ক্রিকেটেই। আরসিবি'কে ফের মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগ জিতিয়ে আসল 'ক্যুইন' স্মৃতিই।
২১২
ক্রিকেটই অস্ত্র, ক্রিকেটই সম্বল। ক্রিকেট যেন মনখারাপের ওষুধ। পলাশ মুছলের সঙ্গে একেবারে শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেঙেছে। যার জন্য দায়ী করা হচ্ছে পলাশের লাম্পট্যকে। স্মৃতি মন্ধানার উপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে গিয়েছে, তা হয়তো শুধু তিনিই জানেন। কিন্তু ‘শো মাস্ট গো অন’।
WPL ফাইনালে সেটা ফের প্রমাণ করলেন। আরসিবিকে চ্যাম্পিয়ন করে গুচ্ছ রেকর্ডও গড়লেন তিনি। এবারের মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে তিনি ৩৭৭ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপ বিজয়ী। এছাড়া সব মিলিয়ে WPL-এ ১০০০ রানও হয়ে গেল তাঁর। ২৩ বলে হাফসেঞ্চুরি এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।
৪১২
ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল বন্ধু জেমাইমা রডরিগেজের দল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথমে ব্যাট করে বড় লক্ষ্যও দেয় তারা। কিন্তু স্মৃতি যে মেজাজে ব্যাট করছিলেন এই খেলার অন্য ফল সত্যিই কল্পনা করা যাচ্ছিল না।
৫১২
ব্যাট হাতে নেমেই স্মৃতির মসৃণ স্ট্রেট ড্রাইভ বাউন্ডারিতে আছড়ে পড়ল। কে বল করছে, কোথায় বল করছে সেসব যেন তাঁর মাথাতেই ছিল না। হেলাফেলার ভঙ্গিতে লেংথ বলকে দেখে দেখে যেভাবে সীমানা পার করাচ্ছিলেন, মনে হচ্ছিল কোনও কিছুই আজ তাঁকে থামাতে পারবে, এটা বিশ্বাসই করেন না।
তখন কি স্মৃতির মনে পড়ছিল আড়াই মাস আগের স্মৃতি? এরকমই এক বাইশ গজে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পলাশ মুছল। সেটা অবশ্য নবি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে। WPL ফাইনালের বরোদায় নয়। মনে করা হচ্ছিল, ৬ বছরের প্রেম কাহিনি অবশেষে মধুর পরিণতি পাবে।
৭১২
তার সব আয়োজনও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে হৃদয়ভঙ্গ। আসলে বিভীষিকা বললেও ভুল বলা হয় না। বিয়ের আগের নানা অনুষ্ঠানও হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের দিন সকালেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্ধানা। হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে।
৮১২
পরে প্রকাশ্যে আসে বিয়ের আগের রাতে পলাশকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্মৃতির এক বন্ধুও বলেছিলেন, "সে এক ভয়ানক দৃশ্য! তারপর ভারতের মহিলা দলের ক্রিকেটাররা পলাশকে বেধড়ক মারে।"
৯১২
এখানেই শেষ নয়। ফাঁস হয়েছে অন্য এক মহিলার সঙ্গে পলাশের ঘনিষ্ঠ চ্যাটও। নেটিজেনদের বক্তব্য, সম্ভবত সেই কারণেই পলাশের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙেছেন স্মৃতি। আর স্মৃতির বাবা যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সেটা কি পলাশকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার 'শক' থেকেই?
১০১২
ওই পরিস্থিতি থেকে ফিরে আসা যে কতটা চ্যালেঞ্জের তা একমাত্র স্মৃতিই জানেন। তবে তাঁর কাছে আরও বড় এক 'প্রেম' রয়েছে। সেটা হল ক্রিকেট। ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন, সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফের WPL-ও জেতা হয়ে গেল।
১১১২
যে ক্রিকেট তাঁর ধ্যানজ্ঞান, সেটাকে হাতিয়ার করেই যেন হৃদয়ভঙ্গের যন্ত্রণা ভুলতে চান। হেলমেট, গ্লাভস, প্যাডে ‘সুসজ্জিত’ তিনি। নজর তীক্ষ্ম, মনঃসংযোগে ঘাটতি নেই। সেই যুদ্ধেও জিতলেন স্মৃতি।
১২১২
পাশে ছিলেন সতীর্থরাও। আরসিবি দলের সদস্য শ্রেয়াঙ্কা পাটিল বলেন, "এই জয়টা স্মৃতির জন্য। গত কয়েকমাসে ওর উপর দিয়ে অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে।" এরকম বন্ধু পাওয়াও কম সৌভাগ্যের নয়।