সোমবার রাতভর বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলকাতা-সহ শহরতলির একাধিক এলাকা। জলবন্দি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। হাওড়া শহরের গোটা রাত ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শহরের একাধিক জায়গা জলের তলায়। জলবন্দি বহু এলাকার বাসিন্দা। একাধিক দুর্গাপুজোর মণ্ডপও জলের তলায়। বেলিসিয়াস লেনে জাতীয় সেবা দলের পুজো মণ্ডপ কার্যত জলের তলায়। নিজস্ব চিত্র
২৯
সোমবার রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা থেকে সকাল ছ'টা পর্যন্ত টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত হাওড়া। ৩০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে শহরে। ৫০টি ওয়ার্ডের মধ্যে অর্ধেকের বেশি বিপর্যস্ত। নিজস্ব চিত্র
জলে ভাসছে বেনারস রোড, বেলিলিয়াস রোড, পঞ্চানন তলা রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস, শৈলেন মান্না সরণি। সব থেকে খারাপ অবস্থা মধ্য হাওড়ার। নিজস্ব চিত্র
৪৯
বড় বড় বেশ কয়েকটি পুজো মণ্ডপ জলের তলায়। জরুরী ভিত্তিতে সমস্ত পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে হাওড়া পুরসভা। নিজস্ব চিত্র
৫৯
বেলা বারোটা থেকেই শুরু হয়েছে জোয়ার। ফলে লকগেট সব বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাম্প চললেও কখন জল নামবে? সেই বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসন সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে। নিজস্ব চিত্র
হাওড়ার টিকিয়াপাড়া কারশেডেও জল জমে রয়েছে। ফলে হাওড়া থেকেও এদিন ট্রেন চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের পরিষেবা ব্যাহত। বাতিল একাধিক ট্রেন। নিজস্ব চিত্র
৭৯
মধ্য হাওড়ার পঞ্চানন তলা রোডে পাগলা ফৌজ ক্লাবের মণ্ডপও জল ঢুকেছে। এলাকার অনেক বাড়ির একতলাতেও জল ঢুকেছে। নিজস্ব চিত্র
৮৯
ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের কাছে শৈলেন মান্না সরণীতে প্রায় কোমর সমান জল দেখা যায়। সেই জল ভেঙেই সাধারণ অফিসযাত্রীরা কাজে বেরিয়েছিলেন। নিজস্ব চিত্র
৯৯
বেরিলিয়াস লেনে বহু বাড়ির একতলাতেও ঢুকে গিয়েছে জল। টিউবওয়েলও প্রায় জলের তলায়। জলবন্দি এলাকার বাসিন্দারা। নিজস্ব চিত্র
সেখানেও সেখানেও অসমের বাদশাকে চোখের জলে বিদায় জানাতে যেন জনঅরণ্য! সেই ভিড়ে শয়ে শয়ে মানুষ স্লোগান তুললেন ‘জয় জুবিনদা।’ আবার একদলের মুখে জুবিনের জনপ্রিয় গান ‘মায়াবিনি রাতির বুকুত’।
৪৯
শেষকৃত্যের সময়ও বাজানো হল ‘মায়াবিনি’ গানটি, ঠিক যেমনটা বছর দুয়েক আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন জুবিন যে- আমি মরলে গোটা অসমজুড়ে এই গানই বাজবে। সেটাই যেন কামারকুচির শেষকৃত্যে অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল।
৫৯
শেষকৃত্যে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জুবিনপত্নী। গরিমা সাইকিয়াকে সান্ত্বনা দিতে গেয়ে চোখের জল বাঁধ মানল না উপস্থিত অনেকেরই।
ট্রেন লাইনে জল, রাস্তা যেন নদী! ক্যামেরাবন্দি কলকাতার জল-যন্ত্রণা
বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলকাতা।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৬:৫৭
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ১৬:৫৭
১৮
সোমবার রাতে প্রবল বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা এবং শহরতলি। পাঁচঘণ্টার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত তিলোত্তমা। আর এই সময়ে শহরের বিভিন্ন অংশে আড়াইশো মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। যা ১৯৭৮ সালের পর রেকর্ড বলছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে কোথাও বুক সমান জল তো কোথাও আবার হাঁটু পর্যন্ত জমে জল। চরম ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ।
২৮
রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে বিভিন্ন রেল লাইনেও জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ফলে বিঘ্নিত হয় ট্রেন চলাচলও। বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচল। বহু ট্রেন ধীর গতিতে চলছে। এমনকী বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। প্রভাব পড়েছে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলেও।
অন্যদিকে খোলা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭ জন। এই পরিসংখ্যানও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এক সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি জানান, “এর দায় সিইএসসি-কেই নিতে হবে। এখনই তাঁরা জরুরিভিত্তিতে কর্মীদের নামিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করুক।”
৭৮
অন্যদিকে প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকেও বাড়ির বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ প্রশাসনিক প্রধানের। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, “খুব দরকার ছাড়া কেউ বাড়ি থেকে বেরবেন না।” শুধু তাই নয়, বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও ২ দিন ওয়ার্ক ফ্রম হোম করানোর আর্জিও জানিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান।
৮৮
পাশাপাশি সরকারি স্কুলগুলিতে আজ মঙ্গলবার থেকেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ''আমি শিক্ষাদপ্তরকে বলেছি, আজ থেকেই সমস্ত স্কুলগুলোকে ছুটি ঘোষণা করে দিক। আর অন্যান্য স্কুল, যারা কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন, তারা তো আমাদের কথা শোনে না। তবু আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছি যে, দু’দিন স্কুল ছুটি দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হোক। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যদি ক্লাস করাতে হয়, তাহলে যেন অনলাইনে ক্লাস হয়। কোভিডের সময় যেমন...