লিডসে প্রথম টেস্টে হারের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কামব্যাকের জন্য মরিয়া টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু পারফরম্যান্সের পাশাপাশি শুভমান গিলদের চিন্তায় রাখতে পারে এজবাস্টনের রেকর্ড। এখানে আটটি টেস্টের মধ্যে একটিও জিততে পারেনি ভারত।
২৯
২০২২-এ পঞ্চম টেস্টে শেষ হাসি হেসেছিল ইংল্যান্ড। দুই ইনিংসেই জনি বেয়ারস্টো সেঞ্চুরি করেছিলেন। ভারত হেরেছিল ৭ উইকেটে। সেই টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জশপ্রীত বুমরাহ। সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়।
২০১৮-এ ভারত হেরেছিল ৩১ রানে। অধিনায়ক বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করেও হার আটকাতে পারেননি। ইংল্যান্ড সিরিজ জিতেছিল ৪-১ ব্যবধানে।
৪৯
এর আগে ২০১১ সালে লজ্জার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছিল ভারতকে। সেখানে এক ইনিংস ও ২৪২ রানে হেরেছিল ধোনির টিম ইন্ডিয়া। অ্যালিস্টার কুক অল্পের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন। চার টেস্টের চারটেই হেরেছিল ভারত।
৫৯
ফিরে যাওয়া যাক ১৯৯৬ সালে। দুই ইনিংসেই কোনও রকমে ২০০-র গণ্ডি পার করেছিল মহম্মদ আজহারউদ্দিনের দল। সেবার ভারত হেরেছিল ৮ উইকেটে। সিরিজও জিতেছিল ইংল্যান্ড।
একমাত্র সাফল্য বলতে ১৯৮৬ সালে। সেবার বার্মিংহামে ড্র করেছিল কপিল দেবের ভারত। তবে সেবার ভারত টেস্ট সিরিজ জিতেছিল।
৭৯
১৯৭৯ সালেও ছবিটা ভারতের পক্ষে যায়নি। এক ইনিংস ও ৮৩ রানে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল ভারত। ইংল্যান্ডের ৬৩৩ রানের জবাবে ফলো অনের লজ্জাও ছিল ভারতের জন্য। সিরিজও হেরেছিল ভারত।
৮৯
তার আগে ১৯৭৪ সালে এজবাস্টনে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সেবার এক ইনিংস ও ৭৮ রানে হেরেছিল ভারত। অশোক মানকড়ের টুপি উইকেটে পড়ে হিট উইকেট হয়েছিলেন। হোয়াইট ওয়াশ হতে হয়েছিল ভারতকে।
৯৯
বার্মিংহামে প্রথম দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ১৯৬৭ সালে। সেবার ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল ১৩২ রানে। তার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯২ রানে অলআউট হয়েছিল মনসুর আলি খান পতৌদির ভারত। সেবারও হোয়াইট ওয়াশ হতে হয়েছিল ভারতকে।
৬১ বছরের বেজোস। ৫৫ বছরের স্যানচেজ। তাঁদের গাঁটছড়া বাঁধার খবরের দিকে শুক্রবার নজর ছিল গোটা বিশ্বের। আমাজন কর্তা অতিথিদের দিলেন অভিনব উপহার। হাওয়াই চটি। কিন্তু কেন হাওয়াই চটি।
৪১০
আসলে বেজোস দম্পতি চেয়েছিলেন যেন অতিথিরা আরামে থাকতে পারেন বিবাহ বাসরে। লনে ঘুরে বেড়াতে পারেন স্বচ্ছন্দে। সেই কারণেই তাঁদের দেওয়া হল হাওয়াই চটি।
৫১০
সব মিলিয়ে অতিথি তালিকায় ছিল প্রায় ২০০ জনের নাম। হলিউড তারকা থেকে বিশ্বখ্যাত রাজনীতিবিদ কে নেই!
আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার প্রয়াত হন 'কাঁটা লাগা' খ্যাত শেফালি জরিওয়ালা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪২ বছর।
২৯
শুক্রবার রাতে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে রওনা হন মুম্বইয়ের বেলভিউ হাসপাতালে। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর এই মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না অনুরাগীরা।
স্রোতের বিপরীতে গিয়ে বিনোদন দুনিয়ার আরও একটা দিকের সঙ্গে দর্শক-শ্রোতাদের পরিচয় ঘটিয়েছিলেন শেফালিই।
৪৯
সালটা ২০০২, 'কাঁটা লাগা' মিউজিক ভিডিওতে ঝড় তোলেন শেফালি। সেই সময়ের সাহসী এই মিউজিক ভিডিও তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেই ধারা আজও যে অব্যাহত তা অস্বীকার করার জো নেই।
৫৯
মাত্র উনিশ বছর বয়সে এই মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিলেন শেফালি। এই মিউজিক ভিডিওর হাত ধরে আরও এক বিনোদনের মাধ্যমের সঙ্গে পরিচিত হন দর্শক।
তবে শুধু 'কাঁটা লাগা' গানেই নয়, এরপর বহু ছবি, সিরিজেও দেখা গিয়েছে শেফালিকে। অংশ নিয়েছিলেন 'নাচ বলিয়ে' ও 'বিগ বস'-এর মতো রিয়ালিটি শোয়ে। অন্যদিকে বড়পর্দায় কাজ করেছেন 'মুঝসে শাদি করোগি' ছবিতে একটি ছোট চরিত্রে।
৭৯
পনেরো বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন ফিল্মি দুনিয়ায়। ছবি, রিয়ালিটি শো, মিউজিক ভিডিও, লাইভ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিভিন্ন বিপণির বিজ্ঞাপনে কাজ- এসব কিছু থেকেই একটি বিপুল অঙ্কের রোজগার করেছেন।
৮৯
কত টাকার সম্পত্তি রেখে গেলেন শেফালি? সূত্রের খবর, মোট সাড়ে সাত কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মালকিন ছিলেন শেফালি।
৯৯
শোনা যাচ্ছে, যার মধ্যে ইনস্টাগ্রাম-সহ বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া প্রোমোশনের জন্যই ব্র্যান্ডগুলি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক হিসাবে নিতেন শেফালি। (ছবি: শেফালি জরিওয়ালার সোশাল মিডিয়া)