প্রথম ম্যাচে আরসিবির কাছে হারার পর রাজস্থানের বিরুদ্ধে কামব্যাক করেছে নাইটরা। অন্যদিকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স পরপর দু'ম্যাচ হেরে সমস্যার মধ্যে। ওয়াংখেড়েতে মহা মোকাবিলায় তাই এগিয়ে রাখা হচ্ছে কেকেআরকেই।
২৬
সার্বিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সই। ৩৪টি ম্যাচের মধ্যে ২৩টি ম্যাচ জিতেছে মুম্বই। সেখানে নাইটদের জয় ১১টি। তবে গতবারের দু'টি সাক্ষাতে জিতেছিলেন সুনীল নারিনরা।
চোট সারিয়ে নারিনের এই ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে কি বাদ পড়বেন রাজস্থানের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফর্ম করা মইন আলি? তবে স্পেনসর জনসনের জায়গায় আসতে পারেন আনরিখ নখিয়া।
৪৬
এমনিতে ওয়াংখেড়ের পিচে প্রচুর রান ওঠে। রান তাড়া করাও সহজ হতে পারে। ফলে টসে জিতলে প্রথমে বল করতে চাইবে যে কোনও দল। তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
৫৬
চলতি আইপিএলে রান পাননি রোহিত শর্মা। যদিও প্রতিপক্ষকে হালকা ভাবে নিতে রাজি নন কেকেআর কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। বরং কেকেআরের হাতেও আছে 'মুম্বইকর' রাহানে।
ভারতীয় ক্রিকেটাররা অনেকেরই আইকন। কিন্তু জানেন কি আপনার প্রিয় আইকন ক্রিকেটারের অন্দরমহল কেমন দেখতে? জেনে নিন ২০২৫ সালের হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মালিকানাধীন ১০টি ব্যয়বহুল বাংলোর হদিশ।
২১১
মহেন্দ্র সিং ধোনি: তাঁর ফার্মহাউসের নাম কৈলাসপতি। যার ঠিকানা রাঁচি। মূল্য শুনেও চমকে উঠবেন। ১০০ কোটি। ফার্মহাউসটি ৭ একর জমির উপর নির্মিত। এখানে রয়েছে তাঁর বাইক ও গাড়ির জন্য মস্ত বড় গ্যারেজ। এখানেই শেষ নয়। রয়েছে একটি জিম, সুইমিং পুল। ইন্ডোর গেমের রয়েছে। বাড়িটি দেখতে কিন্তু অসাধারণ।
বিরাট কোহলি: কাচের দেওয়াল সমৃদ্ধ গুরুগ্রামের এই বিরাট প্যালেস। যার মূল্য ৮০ কোটি। তাছাড়াও রয়েছে একটি বড় হল, দারুণ এক সুইমিং পুল, একটি অভিনব বার। খুবই আড়ম্বরপূর্ণ এই আবাস। সমুদ্র সৈকতের কাছে আলিবাগেও জমি রয়েছে তাঁর।
৪১১
যুবরাজ সিং: মুম্বাইয়ের ওরলিতে রয়েছে তাঁর অ্যাপার্টমেন্ট। যার মূল্য ৬৪ কোটি টাকা। যুবরাজের অ্যাপার্টমেন্টটি একেবারে ২৯ তলায়। এখান থেকে আরব সাগর দেখতে লাগে অসধারণ। এর আয়তন ১৬ হাজার বর্গফুট। আধুনিক আসবাবপত্রে ঠাসা তাঁর আবাস। দেওয়ালে টাঙানো অপূর্ব সব চিত্রকর্ম।
৫১১
শচীন তেণ্ডুলকর: মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় রয়েছে লিটল মাস্টারের প্রাসাদ। মূল্য ৩৮ কোটি টাকা। শচীনের ৫ তলা বাড়িটিতে রয়েছে একটি মন্দির। রয়েছে একটি সুন্দর বাগান। আর থাকার জায়গা তো বিশাল। প্রাসাদটির নকশায় মিশে আছে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার ছোঁয়া।
রোহিত শর্মা: রোহিতের ফ্ল্যাটটি আহুজা টাওয়ার্সের ২৯তম তলায়। মূল্য ৩০ কোটি। এতে রয়েছে স্মার্ট প্রযুক্তি। একটি বিজনেস রুম। সমুদ্রের অপরূপ দৃশ্যও দেখা যায় এই ফ্ল্যাট থেকে।
৭১১
সুনীল গাভাসকর: তাঁর এই ভিলাটি নিরিবিলি পরিবেশে। রয়েছে সাজানো বাগান, সুইমিং পুল এবং পুরনো ধাঁচের আসবাবপত্র। ছুটি কাটানোর জন্য যেমন বাড়ি আমরা সচরাচর কল্পনা করি, এই ভিলা অনেকটা তেমনই। ভিলার মূল্য ২০ কোটি।
৮১১
সুরেশ রায়না: তাঁর বাংলোর মূল্য ১৮ কোটি। ফুলের নকশা দিয়ে সাজানো সেটি। বাইরে রয়েছে সবুজের সমারোহ। ভেতরে একটি জিম রয়েছে। পরিবারের জন্য আদর্শ এই আবাস।
৯১১
সৌরভ গাঙ্গুলি: ৬০ বছরের পুরনো মহারাজের আবাস। যার মূল্য ১০ কোটি। বাড়িতে রয়েছে ক্রিকেট পিচ, একটি ট্রফি রুম এবং বিশাল বাগান। সৌরভ এখানেই দীর্ঘদিন থাকেন।
১০১১
রবীন্দ্র জাদেজা: তাঁর জামনগরের বাংলোর মূল্য ১০ কোটি। যা দেখতে একেবারে রাজকীয়। সেখানে রয়েছে বড় বড় দরজা, ঝাড়বাতি এবং সবুজ লন। বাংলোটিকে প্রাসাদের মতো মনে হয়।
১১১১
হার্দিক পাণ্ডিয়া: তাঁর বরোদার পেন্টহাউসের মূল্য ৪ কোটি টাকা। তাঁর বাড়িটি ৪টি ফ্ল্যাটের একত্রিত সমন্বয়। এতে রয়েছে একটি জিম, একটি থিয়েটার। বিভিন্ন স্টাইলের কক্ষও রয়েছে। ঘরগুলি খুবই বিলাসবহুল।
পশ্চিমী হোক কিংবা ট্র্যাডিশনাল, কোন পোশাক কীভাবে ক্যারি করতে হয়, সেটা মনামীর ভালোই জানা। তিনি যেমন শাড়িতে আদ্যোপান্ত বঙ্গনারী হয়ে উঠতে পারেন, তেমনই বিকিনিতেও সমান স্বচ্ছন্দ্য।
২৬
চলতি বছরের ‘জয় ফিল্মফেয়ার অ্যান্ড স্টাইল অ্যাওয়ার্ডস’-এও তার অন্যথা হল না! নিজের স্টাইল স্টেটমেন্টে সকলের মন জয় করে নিলেন অভিনেত্রী। মনামী ঘোষের পরনে পুনর্নবীকরণযোগ্য প্লাস্টিকের জামা।
জামায় বিশেষ করে নজর কাড়ল ‘ফ্রিলস’। যা কিনা ঘেরওয়ালা ফ্রকের লুক তৈরি করেছে। কোনও গয়না নয়, বরং হালকা মেকআপ, লিপস্টিকেই মোহময়ী হয়ে উঠেছিলেন মনামী ঘোষ।
৪৬
পোশাকের সঙ্গে অ্যাকসেসরিজও ততোধিক অত্যাধুনিক। মনামীর হাতে যে ব্যাগ দেখা গেল, তা বাংলা বিনোদুনিয়ার কোনও তারকাকেই এযাবৎকাল ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। কাচের অ্যাকোরিয়াম ব্যাগ হাতে ফিল্মফেয়ার-এর লাল গালিচায় শুধু স্পটলাইটই কেড়ে নিলেন না, বরং প্রশংসাও কুড়োলেন ‘ফ্যাশনিস্তা’ নায়িকা।
৫৬
এমন পোশাক পরে কী বার্তা দিতে চেয়েছেন নায়িকা? ব্যাখ্যা দিয়েছেন নিজেই। 'আমি শুধু একটাই বার্তা দিতে চাই যে সমুদ্রে প্লাস্টিক ফেলা বন্ধ করে সেটাকে এভাবেও পুনরায় ব্যবহার করা যায়। এতে যেমন জলদূষণ বন্ধ হবে, তেমনই সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রও রক্ষা পাবে।'