মুস্তাফিজুরের আগেও ‘নিষিদ্ধ’ একাধিক তারকা! কেকেআরে বাংলাদেশি পেসারের বদলি কারা?
আইপিএলের আগে কাদের দলে নিতে পারে কেকেআর?
আরও পড়ুন:
ওপার বাংলায় মৌলবাদীদের আগ্রাসন আর ধর্মের নামে হানাহানিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সংখ্যালঘুরা। জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে দীপু দাসকে। বাংলাদেশে হিন্দুহত্যার প্রতিবাদে শামিল ভারত। ওপার বাংলার ঘটনাপ্রবাহের আঁচ পড়েছে এদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যেও। এ বছর রেকর্ড ৯.২ কোটি টাকায় বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেসারকে দলে নিয়েছিল নাইটরা।
এর আগে অনেক ক্রিকেটারকেই আইপিএলে খেলার ক্ষেত্রে 'নিষেধাজ্ঞা' চাপিয়েছিল বোর্ড। তবে তাঁদের পরস্থিতি মুস্তাফিজুরের মতো নয়। বাংলাদেশি পেসার সে অর্থে কোনও বিশেষ ঘটনার জন্য অপরাধী নয়। কিন্তু এর আগে যাঁদের ব্যান করা হয়েছিল, তাঁরা ক্রিকেট মাঠে বা মাঠের বাইরে কোনও অপরাধ করেছিল। আবার রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদেরও ভারতে আসার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন:
২০১২ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলার সময় লুক পোমারসবাখ আইপিএলে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। ২০১২ সালের ১৭ মে, দিল্লি পুলিশ তাঁকে আটক করে। এক মার্কিন নাগরিক লুকের বিরুদ্ধে টিম হোটেলে তাঁর বাগদত্তাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন। সেই অনুযায়ী লুককে ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারায় যৌন হেনস্তা, লাঞ্ছনা এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। আরসিবি তাঁকে বরখাস্ত করে।
২০১৩ সালে তামিলনাড়ুর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা দেশের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, তামিলদের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কায় অত্যাচারে জনতার মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার প্লেয়ারদের যেন খেলার অনুমতি দেওয়া হয়। এর ফলে বিসিসিআই চেন্নাই সুপার কিংসের ঘরের মাঠ চিপকে শ্রীলঙ্কার প্লেয়ারদের খেলা নিষিদ্ধ করে। যার মধ্যে ছিলেন মুরলীধরন।