চলতি আইপিএলটা একেবারেই ভুলে যেতে চাইবেন ঋষভ পন্থ। ১২ ম্যাচে করেছেন মাত্র ১৩৫ রান। খেলেছেন ১৩৫ বল। ২৭ কোটির পন্থের নেতৃত্বে প্লে অফেও উঠতে পারেনি লখনউ সুপার জায়ান্টস। অনেকে মনে করছেন, ২৭ কোটি টাকার চাপ তিনি নিতে পারছেন না।
২৯
২০২১ সালে ১৬.২৫ কোটি টাকায় ক্রিস মরিসকে কিনেছিল রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ৭ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৪৬ রান। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩৬ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন। বল হাতে ১৪টি উইকেট নিয়েছিলেন।
বর্তমানে নাইটদের জার্সিতে ম্যাজিক দেখালেও বরুণ চক্রবর্তীর শুরুটা হয়েছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে। ২০১৯-এ তাঁকে ৮.৪ কোটি টাকায় তাঁকে কিনেছিল প্রীতি জিন্টার দল। কিন্তু এক ম্যাচে তুলেছিলেন মাত্র এক উইকেট।
৪৯
২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি দাম পেয়েছিলেন বেন স্টোকস। তাঁকে কিনেছিল রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু ১৩ ম্যাচে করেছিলেন ১৯৬ রান। উইকেট পেয়েছিলেন ৮টি।
৫৯
২০১৬ সালে শেন ওয়াটসনকে ৯.৫ কোটি টাকায় কিনেছিল আরসিবি। ১৬ ম্যাচে করেছিলেন ১৭৯ রান। তবে বল হাতে তুলেছিলেন ২০টি উইকেট। ফাইনালে করেছিলেন মাত্র ১১ রান। বল হাতে দিয়েছিলেন ৬১ রান।
এবার চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এর আগে ২০১৩ সালে তাঁকে ৬.৩ কোটি টাকায় কিনেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সেবার চ্যাম্পিয়নও হয় তাঁর। কিন্তু ৩ ম্যাচে ৩৬ করেছিলেন তিনি।
৭৯
২০১০ সালে ৪.৮ কোটি টাকায় নিউজিল্যান্ডের পেসার শেন বন্ডকে কিনেছিল কেকেআর। ৮ ম্যাচে পেয়েছিলেন মাত্র ৯টি উইকেট।
৮৯
আইপিএলে ২০০৯ সালে আরসিবি'তে খেলেছেন কেভিন পিটারসেন। সেবছর তাঁকে ৯.৮ কোটি টাকায় কেনে বেঙ্গালুরু। কিন্তু ৬ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৯৩ রান।
৯৯
চেন্নাই সুপার কিংস ২০০৯ সালে ৯.৮ কোটি টাকায় কিনেছিল অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফকে। কিন্তু ৩ ম্যাচে করেছিলেন ৬২ রান, পেয়েছিলেন ২টি উইকেট।
মাত্র ৫৪ বছর বয়সে চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন মুকুল দেব। নব্বইয়ের দশকে যে অভিনেতার স্ক্রিন প্রেজেন্স নারীদের মনে হিল্লোল তুলেছিল, কালের নিয়মে সেই অভিনেতাকেই ভুলে গিয়েছে বলিউড! আর স্পটলাইটের অন্তরালে থেকে নিঃশব্দেই বিদায় নিলেন মুকুল।
২৯
২৪ মে, শনিবার আচমকাই মুকুল দেবের অকাল প্রয়াণের খবর শুনে শোকাচ্ছন্ন বলিউডের একাংশ। মনোজ বাজপেয়ী, কঙ্গনা রানাউত, সোনু সুদ থেকে শুরু করে আরও অনেকেই শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন। সুদর্শন অভিনেতার মৃত্যুর পর আবারও চর্চায় তাঁর কেরিয়ার।
অনেকেই হয়তো জানেন না অভিনয়ে শিকে ছেড়ার আগে প্রথমজীবনে মুকুল ছিলেন পেশাদার পাইলট। প্রায় একদশক বিমানচালক হিসেবে কাজও করেছেন। কিন্তু তারপরই সুদর্শন চেহারার জন্য মডেলিংয়ের ডাক পান। সেই থেকেই লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের সঙ্গে মুকুলের পরিচয়। তার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জলন্ধরের পাঞ্জাবি পরিবারের ছেলেকে।
৪৯
দিল্লি থেকে সোজা মুম্বইতে চলে আসেন মুকুল দেব। বাবা হরিদেব কৌশল ছিলেন চাণক্যপুরীর দাপুটে পুলিশ অফিসার। যার নেতৃত্বে নিকেশ হয়েছিল ১৯৭১ সালে ঘটা বড়সড় ব্যাঙ্কিং স্ক্যাম। সেবছর রুস্তম নাগারওয়ালা নামে এক ব্যক্তি দিল্লি এসবিআই থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়েছিল। সেই অপারেশনেই নেতৃত্ব দিয়ে অভিযুক্তর পর্দা ফাঁস করেন মুকুলের বাবা হরিদেব কৌশল। সেই ঘটনার আধারে এক বলিউড ছবিও তৈরি হচ্ছে।
৫৯
মডেলিং করার সময়েই ১৯৯৬ সালে হিন্দি ধারাবাহিক 'মুমকিন'-এ বিজয় পাণ্ডের চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছন তিনি। দূরদর্শনের এক শোয়ে মাইকেল জ্যাকসনের নাচও নকল করে দেখিয়েছিলেন।
সেই সময়েই মহেশ ভাটের 'দস্তক' ছবির জন্য বলিউড থেকে ডাক পান মুকুল দেব। বিপরীতে ব্রহ্মাণ্ডসুন্দরী সুস্মিতা সেন। সেই সিনেমা দর্শক-সমালোচকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছিল।
৭৯
এরপর ছোটপর্দা, বড়পর্দা মিলিয়ে বহু কাজ করেছেন মুকুল দেব। তাঁর অভিনীত জনপ্রিয় সিরিয়ালগুলির তালিকায় রয়েছে 'কাহি দিয়া জ্বলে কাহি জিয়া', 'কাহানি ঘর ঘর কি', 'প্যায়ার জিন্দেগি হ্যায়'।
৮৯
বড়পর্দায় তাঁর কাজের সংখ্যাও নেহাত মন্দ নয়! 'দস্তকে'র পর 'কিলা', 'ওয়াজুদ', 'কোহরাম', 'মুঝে মেরি বিবি সে বাঁচাও', 'ইয়ামলা পাগলা দিওয়ানা', 'সন অফ সর্দার', 'আর রাজকুমার', 'জয় হো'-এর মতো বহু সিনেমায় নজর কেড়েছেন মুকুল দেব।
৯৯
উল্লেখ্য, মুকুল নিজের কাজের পরিসর শুধু হিন্দিতেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। একাধিক বাংলা ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। জিতের সঙ্গে ‘আওয়ারা’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর ‘অভিসন্ধি’ ছবিতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। কাজ করেছেন পাঞ্জাবি, দক্ষিণী সিনেইন্ডাস্ট্রিতেও। তবুও লাইমলাইটের অন্তরালে থেকেই নিঃশব্দে বিদায় নিলেন মুকুল দেব। (ছবি: সংগৃহীত)
বিশ্বমঞ্চে তারকারা যখন মিষ্টি বলিউড অভিনেত্রীর সারল্যে ভরা সাজপোশাক দেখতে ব্যস্ত, তখন তাঁদের চোখ এড়িয়ে গেল কানের পাশে দেওয়া ছোট্ট কাজলের টিপ! তবে ভারতীয় ভক্তদের নজর এড়ায়নি। কাপুর বাড়ির বউমার ছবি-ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই খুঁটিয়ে পরখ করেছেন তাঁরা। তাঁদের চোখেই ধরা পড়ল সেই কাজলের টিপ।
৪৮
প্রথমটায় শোনা গিয়েছিল, দেশে ভারতপাক সংঘাতের অপারেশন সিঁদুর আবহে মন সায় দেয়নি, তাই কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যাচ্ছেন না আলিয়া, তবে বৃহস্পতিবার রাতেই বোমাটা ফাটালেন কাপুরদের বউমা।
৫৮
'বস লেডি' অবতারে মুম্বই বিমানবন্দরে দেখা যায় আলিয়াকে। পরনে বেইজ রঙের গুচ্চির স্যুট। চোখে রেট্রো লুকের চশমা। পাপারাজ্জিদের দিকে মিষ্টি হেসে চলে যান তিনি। তবে এই সফরে সঙ্গী নন রণবীর কিংবা রাহা। কান-এর উদ্দেশে একাই উড়ে গিয়েছেন আলিয়া ভাট।
আর শুক্রবার রাতে আলিয়ার কান অভিষেক ঘটতেই নেটপাড়া সরগরম তাঁর লুক নিয়ে। এক আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার দূত হিসেবেই চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিলেন অভিনেত্রী। তিনি যে বর্তমানে গ্লোবাল স্টার, তা বলাই বাহুল্য।
৭৮
চব্বিশ সালে মেট গালার মঞ্চে ডেবিউ করেছিলেন। সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের পোশাকে পশ্চিমী বিনোদুনিয়ার স্পটলাইট কেড়ে নিয়েছিলেন কাপুরদের বউমা। এবার কান-এর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না।
৮৮
পাশাপাশি কান-এর লাল গালিচা থেকে ভাইরাল, 'ব্রিজারটন' অভিনেত্রী সিমন অ্যাসলির সঙ্গে আলিয়ার মিষ্টি মুহূর্ত। বলিউড অভিনেত্রী যখন পোজ দিচ্ছিলেন পাশে দাঁড়ানো অ্যাসলি মুগ্ধনয়নে চেয়েছিলেন তাঁর দিকে। আর সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত নিয়ে হলিউডেও চর্চা জারি বর্তমানে। এককথায়, কান-এ প্রথমবার এলেন, দেখলেন আর মন জয় করলেন আলিয়া ভাট। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)