‘ঠোঁটে ঠোঁট রেখে…’ চুমুর ২ কোটি বছর! আদিম মানুষের ‘বন্য’ প্রেমের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা
নতুন গবেষণায় উঠে এল কোন বিস্ময়কর ইতিহাস?
আরও পড়ুন:
গবেষকরা বলছেন নিয়ান্ডারথালরা পরস্পরকে চুম্বন তো করতই। এমনকী হোমো স্যাপিয়েন্সকেও তারা চুমু খেত ঠোঁটে। ফসিল পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, আধুনিক মানুষ এবং নিয়ান্ডারথালদের মুখগহ্বরের ভিতরে একই ধরনের জীবাণু রয়েছে। আবার একের মুখের ভিতরে অন্যের লালারসেরও চিহ্ন দেখা গিয়েছে। যা তাদের মধ্যে চুম্বনের প্রচলনেরই প্রমাণ।
আরও পড়ুন:
গবেষণার শুরুতেই গবেষকরা বুঝে নিতে চেয়েছিলেন চুম্বন এবং অন্যান্য মুখ-থেকে-মুখ আচরণের মধ্যে পার্থক্য কোথায়। তাঁরা গবেষণাপত্রে জানিয়েছেন, খাদ্য স্থানান্তর ছাড়া অ-আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে মুখে মুখ স্পর্শ করাকেই তাঁরা চুম্বন বলে চিহ্নিত করতে চেয়েছেন। তাঁরা শিম্পাঞ্জি, ওরাং ওটাং-সহ বানর প্রজাতিকেও পর্য়বেক্ষণ করেছেন।