গ্ল্যামারের অন্তরালে ‘ছলনাময়ী’ বাংলাদেশি! টলি অভিনেত্রী শান্তা পাল আসলে কে?
টলিউডের নামী পরিচালকের বিরুদ্ধে ‘মি টু’ অভিযোগও এনেছিলেন এই শান্তা।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
কয়েক মাস আগে শান্তা বৈধ পাসপোর্ট নিয়ে ঢাকা থেকে কলকাতায় আসে। পার্ক স্ট্রিট এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে সে। পুলিশের ধারণা, ওই বিমান সংস্থায় চাকরি ছিল না যুবতীর। বাংলাদেশ থেকে সে বিদেশেও যেতে পারছিল না। তাই নিজেকে ভারতীয় পরিচয় দিয়ে কলকাতা থেকে পাসপোর্ট তৈরির ছক কষে সে। পার্ক স্ট্রিটের ওই ঠিকানায় দালালচক্রের হাত ধরে রেশন কার্ড তৈরি করে।
দালালচক্রের মাধমে বিক্রমগড়ের ঠিকানায় ভুয়া আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র জোগাড় করে সে। তারই ভিত্তিতে সে কিছুদিন আগেই পাসপোর্টের আবেদন করে। পুলিশ নথি যাচাই করতে শুরু করে। শান্তাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছ থেকে জন্ম শংসাপত্র চাওয়া হয়। কিন্তু ওই নথি দেখাতে পারেনি সে। তার পরিবারের লোকেদের সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে চেয়ে পুলিশ সন্তোষজনক উত্তর পায়নি।
সন্দেহের বশে পুলিশ পার্ক স্টিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তারই ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। শান্তার যাদবপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ তার নামে একাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট, বাংলাদেশের একটি বিমান সংস্থার পরিচয়পত্র, ঢাকার সেকেন্ডারি এডুকেশনের অ্যাডমিট কার্ড, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, কলকাতার ঠিকানায় রেশন কার্ড উদ্ধার করে। এরপরই অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।