দীপাবলির পর থেকেই বায়ুদূষণে জর্জরিত দিল্লি। বৃহস্পতিবার বছরের প্রথম দিন ‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে পৌঁছল রাজধানীর বাতাস। দূষণের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার গাঢ় পর্দায় মুখ ঢেকে গিয়েছে দিল্লির। সবমিলিয়ে দমবন্ধ পরিস্থিতি সেখানকার বাসিন্দাদের।
২৮
দূষণ রুখতে মাস খানেক আগে ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। তার ট্রায়ালও হয়। কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে না-হওয়ার-মতো। অথচ তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং লাফিয়ে বেড়েছে দূষণ।
প্রতিবারের মতো এবছরও তুষারপাত হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। বরফের সাদা চাদরে ঢেকেছে ভূস্বর্গের রাস্তাঘাট, গাছপালা। যেন শ্বেতশুভ্র অলংকারে সেজেছে উপত্যকা। কনকনে ঠান্ডায় বরফঢাকা ভূস্বর্গের রূপ দেখতে ভিড় জমিয়েছেন পর্যটকরা। গুলমার্গের কঙ্গোদ্রিতে স্লেজের আনন্দ নিচ্ছেন বহু মানুষ।
৪৮
বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে সোনমার্গ। হিমশীতল আবহাওয়ায় কাশ্মীরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল যেন ‘শ্বেত মায়নগর’।
৫৮
শীতের দৌড়ে পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গও। ১৮ বছর পর বর্ষবরণে রেকর্ড ঠান্ডা বাংলায়। বুধবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৬ ডিগ্রি কম। ডিসেম্বরের শেষে ঠান্ডায় জবুথবু কলকাতাবাসী।
বৃহস্পতিবার মরশুমের প্রথম তুষারপাতে ঢাকা পড়ল হিমাচল প্রদেশের ডালহাউসি। বছরের প্রথম দিনেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মনে। বরফে ঢাকা পড়েছে গাছপালা, রাস্তাঘাট। বরফে ঢাকা পড়েছে কুলু, মানালি এবং রোটাং পাসও।
৭৮
বছরের প্রথম দিন অকালবৃষ্টিতে ভিজল বাণিজ্যনগরী মুম্বই। বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি নামে। কোথাও মুষলধারে আবার কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হয়। তবে বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব খুব অল্প ছিল।
৮৮
বৃহস্পতিবার হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে ঘুম ভেঙেছে উত্তর ভারতের। দিল্লির পাশাপাশি হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ডেও নেমেছে পারদ।
নতুন বছরের প্রথম সকাল। তার উপর আবার কল্পতরু উৎসব। পুজোপাঠ, প্রার্থনায় নতুনকে বরণ করে নেওয়ার পালা। তাই বেশিরভাগ মানুষই বৃহস্পতিবার কাকভোর থেকেই দক্ষিণেশ্বরমুখী। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
২৯
১৮৮৬ সালের পয়লা জানুয়ারি কল্পতরু রূপে ভক্তদের আশীর্বাদ করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ৷ কাশীপুর উদ্যান বাটীতেই ভক্তদের আশীর্বাদ করে রামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকেই প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনে পালিত হয়ে আসছে কল্পতরু উৎসব। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
কল্পতরু উৎসবের দিন পরমহংসদেবের কাছে মন থেকে চাইলে সে ইচ্ছা পূরণ হয়, সেই বিশ্বাস থেকেই সাতসকালে মন্দিরের বাইরে ভক্তের ঢল। দিনভর চলবে পুজোপাঠ। আলোচনা করা হবে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবন ও বাণী নিয়ে। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
৪৯
রীতি মেনে দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর পুজো হচ্ছে। নতুন সাজে সাজানো হয়েছে মা ভবতারিণীকে। নতুন বেনারসি, গয়নায় সাজানো হয়েছে মাকে। ছবি: রমেন দাস।
৫৯
দিনভর চলে হোম-যজ্ঞ ও পুজোপাঠ। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই মন্দিরের বাইরে ফুলের ডালা হাতে ভক্তদের লম্বা লাইন চোখে পড়েছে। ভোররাত থেকেই ক্রমশ মন্দির চত্বরে বাড়ে শুরু করে ভিড়। কাশীপুর উদ্যানবাটি, কামারপুকুরেও ভক্তদের লম্বা লাইন। ছবি: কৌশিক দত্ত।
প্রতিবারই বছরের প্রথমদিন তুলনামূলক বেশি ভক্ত সমাগম হয় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটি ও দক্ষিণেশ্বরে। কল্পতরু উৎসবে যোগ দেন বহু মানুষ। ছবি: কৌশিক দত্ত।
৭৯
শুধু এই রাজ্যই নয়। ভিনরাজ্যের মানুষও পুজো দিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ভিড় জমান। কেউ দু'ঘণ্টা, আবার কেউবা তিনঘণ্টা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে জবার মালা এবং মূলো দিয়ে পুজো দেন। ছবি: কৌশিক দত্ত।
৮৯
ভিড় সামাল দিতে বিশেষ নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে ব্যারিকেড করে ভক্তদের লাইন দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে কোনও অশান্তি হয় তাই পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। ছবি: শুভজিৎ মুখোপাধ্যায়।
৯৯
কাশীপুর উদ্যানবাটিতেও এদিন দিনভর বিশেষ পূজার্চনার আয়োজন করা হয়। ছবি: কৌশিক দত্ত।
আরও এক বর্ষবিদায়। নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। ২০২৫ সাল ভারতীয় ক্রিকেটের উজ্বল বছর। টেস্ট ক্রিকেটে কিছু ব্যর্থতা বাদ দিলে পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেট মিলিয়ে দুটি আইসিসি ট্রফি এসেছে ঘরে। ক্রিকেটাররাও ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। সেসব ভুলে নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছেন তারা।
২৮
অভিনব ছবি পোস্ট করে নতুন ইংরেজি বছরকে স্বাগত জানালেন বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মা। বিরাটদের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে দু’জনের মুখেই রং দিয়ে আঁকা ছবি। কোহলির মুখের বাঁ দিকের অংশে স্পাইডার ম্যানের মুখ আঁকা। অনুষ্কার মুখের বাঁ দিকে আঁকা প্রজাপতি।
ওই ছবি পোস্ট করে বিরাট লিখেছেন, "আমার জীবনের আলোকে সঙ্গে নিয়ে ২০২৬ সালে পা রাখছি।" অনুষ্কারও বক্তব্য হাসিমুখে নতুন বছরে পা রাখছেন তাঁরা।
৪৮
২০২৫ সালে ব্যক্তিগত জীবনে ঝড় বয়ে গিয়েছে স্মৃতি মন্ধানার জীবনে। আবার ক্রিকেট কেরিয়ারে তিনি কাটাচ্ছেন সোনালি সময়। নতুন বছরে স্মৃতি ব্যক্তিগত জীবনের সব যন্ত্রণাকে পিছনে ফেলে এগোতে চান। বছর শেষের পোস্টে তিনি স্মরণ করেছেন গীতার শ্লোক। যার সরলার্থ, "ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলছেন, ভালো কিছু হওয়ার আগে, সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। অতএব অপেক্ষাই শ্রেষ্ঠ পথ।"
৫৮
আইপিএলের ওই মাস তিনেক বাদ দিলে সারাবছর ক্রিকেট থেকে বহুদূরে মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি এখন পুরোদস্তুর ফ্যামিলি ম্যান। এবং ফ্যামিলি ম্যানের মতোই স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে নতুন বছরকে স্বাগত জানালেন তিনি।
বুধবার অর্থাৎ বছরের শেষদিন ছিল রোহিত শর্মার বড় মেয়ে সামাইরার জন্মদিন। সপরিবারে মেয়ের জন্মদিন কাটাতে ফিলিপিন্সে গিয়েছেন রোহিত। সেখানেই বর্ষবরণ করল শর্মা পরিবার।
৭৮
২০২৫ বছরটা অন্যরকম দেশের একনম্বর অ্যাথলিট নীরজ চোপড়ার জীবনে। পেশাদারি জীবনে তিনি সাফল্য, ব্যর্থতা দুই-ই দেখেছেন। তবে ব্যক্তিগত জীবনে শুরু হয়েছে নতুন ইনিংস। বছরশেষে স্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন নীরজ।
৮৮
যুবরাজ সিং এখন ব্যবসায়ী। মাঝে মাঝে খেলতে দেখা যায় অবসরপ্রাপ্তদের লিগে। বছরের শেষদিন স্ত্রী ও দুই সন্তানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনিও।