কর্ণাটকে সিদ্দারামইয়ার শপথের মঞ্চ যেন চাঁদের হাট। উপস্থিত বিরোধী শিবিরের ৬ মুখ্যমন্ত্রী।
২৬
রাজস্থানের অশোক গেহলট, হিমাচলের সুখবিন্দর সিং সুখু, ছত্তিশগড়ের ভুপেশ বাঘেল, তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন, বিহারের নীতীশ কুমার এবং ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনও উপস্থিত ছিলেন।
এরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির শরদ পওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুখ আবদুল্লাহ, পিডিপির মেহেবুবা মুফতি, আরজেডির তেজস্বী যাদব।
৪৬
বামেদের তরফে সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি এবং সিপিআইয়ের ডি রাজা উপস্থিত ছিলেন।
৫৬
কংগ্রেসের তরফে সরাসরি বিজেপির বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী সব বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, শুধু আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির কেসিআর বাদে।
নীল ডেনিম, কালো ফুল স্লিভ শার্টে নিজাম প্যালেসে ঢোকেন তিনি। তাঁকে দেখতে সিবিআই দপ্তরের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের উদ্দেশে হাত নাড়েন অভিষেক।
৪৭
মুখে হাসি, মনে আত্মবিশ্বাস। ঠিক এমনই বডি ল্যাঙ্গুয়েজে ধরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। যেন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন, ইডি-সিবিআই দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না।
৫৭
এর আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলবে দিল্লি গিয়েও হাজিরা দিয়েছেন। আর দপ্তর থেকে বেরিয়ে এসে হুঙ্কার দিয়েছেন, যতবার ডাকা হবে, আসবেন। কারণ এধরনের তলবে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না।
এদিনও একই রকম মনোভাব নিয়ে নির্ধারিত সময়েই নিজাম প্যালেসে পৌঁছে যান অভিষেক। তবে সিবিআই দপ্তরে পৌঁছনোর আগে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
৭৭
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কুন্তলের যে চিঠিতে অভিষেকের নাম উঠে এসেছে, সেই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েই শীর্ষ আদালতে অভিষেক। জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
ফলহারিণী কালীপুজোর দিন শ্রীমা সারদাদেবীকে ষোড়শীরূপে পুজো করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ। এখনও ফলহারিনী অমাবস্যায় মা সারদার বিশেষ পুজো হয় বেলুড় মঠে।
২৬
১২৮০ বঙ্গাব্দের ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ফলহারিণী কালীপুজোর দিন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীমা সারদাদেবীকে সাক্ষাৎ ষোড়শী জ্ঞানে পুজো করেন। এটি পৃথিবীর অধ্যাত্মিক ইতিহাসে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।