পুরী থেকে মাহেশ, জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার বিশেষ আয়োজন, দিকে দিকে ভক্তের ঢল
শুরু হয়ে গেল রথযাত্রার কাউন্টডাউন। জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা ঘিরে দিকে দিকে উৎসবের আমেজ।
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে সোমবার ভক্তি, আচার ও ঐতিহ্যের আবহে পালিত হচ্ছে ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও দেবী সুভদ্রার পবিত্র স্নানযাত্রা উৎসব। দিঘার মূল মন্দিরের পাশে তৈরি মণ্ডপে স্নানযাত্রা আচার পালন। মণ্ডপে বিশেষ বেদিতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার দারুমূর্তিকে ধর্মীয় রীতি মেনে দুধ ও নানা উপচার মিশ্রিত জলে স্নান করানো হবে। স্নানযাত্রার পর প্রভুকে সাজানো হয়েছে গজবেশে। নিবেদন করা হয়েছে ৫৬ ভোগ।
আরও পড়ুন:
মাহেশে ৬৩০ বছরের প্রাচীন প্রভু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা উৎসব। প্রভুকে ২৮ ঘরা গঙ্গাজল এবং কয়েক লিটার দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়। মাহেশ জগন্নাথদেব ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল কৃষ্ণ অধিকারী জানান, "এদিন প্রভুকে স্থানের পূর্বে ভারতবর্ষের বিভিন্ন নদীর জল দিয়ে সারা অঙ্গ লেপন করা হয়। স্নানের পর প্রভু জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রাকে গজবেশে সজ্জিত করা হয়। এদিন রাত সাড়ে ন'টায় প্রভুকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মূল...
জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হল মায়াপুরের ইসকনের রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে স্নানযাত্রা মহোৎসব। দিনভর মন্দিরে হরিনাম সংকীর্তন, গীতা পাঠ, বিশেষ ভোগ নিবেদন, মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন বৈষ্ণব ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মায়াপুরের এই স্নানযাত্রা উপলক্ষে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ভক্তিসাধনার এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
দুর্গাপুরের ইসকন মন্দিরে মহাসমারোহে পালিত হল মহাপ্রভু জগন্নাথদেবের ঐতিহ্যবাহী স্নানযাত্রা মহোৎসব। ভোর থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ঢল। সকাল থেকে হাজার হাজার ভক্ত দূর-দূরান্ত থেকে এসে উপস্থিত হন মহাপ্রভুর দর্শনে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে স্নানবেদিতে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে পবিত্র জল, চন্দন, সুগন্ধি দ্রব্য ও বিভিন্ন উপাচারে মহাস্নান করানো হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও দুর্গাপুর ইসকন মন্দিরে ভক্ত সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।