জাপানি ঢাক থেকে চিনা লায়ন ডান্স! ক্রাইস্টচার্চের পুজোয় বাঙালির সঙ্গে মিশে যায় বিশ্বের সংস্কৃতি
প্রবাসেও ঢাকে কাঠি!
ইউনেস্কো-স্বীকৃত বাঙালির দুর্গাপুজো পুজো। উদ্যোক্তাদের কথায়, বাঙালি ঐতিহ্য, ঐক্য এবং বিশ্বব্যাপী সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিশ্রণ দেখা যায় ক্রাইস্টচার্চের এই পুজোতে। শুধু তাই নয়, বিদেশের মাটিতে বাংলা এবং বাঙালি সংস্কৃতি, খাওয়াদাওয়া, হেরিটেজকে তুলে ধরা হয় এই পুজোর মাধ্যমে। তাঁদের কথায়, ক্রাইস্টচার্চের গার্ডেন সিটির এই দুর্গাপুজোয় শুধু বাঙালিরা নয়, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন চিনা, জাপানি থেকে শুরু করে মেক্সিকান, ইউরোপিয়ান, শ্রীলঙ্কানদের মতো বহু মানুষ।
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক হ্যাগলি ওভাল ক্রিকেট মাঠের কাছেই এই দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। যেখানে এবার একাধিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন পুজো উদ্যোক্তারা। যার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় ছিল চিনা প্রতিনিধিদের লায়ন ডান্স। উদ্যোক্তাদের কথায়, দেবী দুর্গা এবং তাঁদের লায়ন ডান্সের মধ্যে একটা যোগসূত্র পেয়েছেন কিউই-চাইনিজরা। সে কথা মাথায় রেখে লায়ন ডান্সের আয়োজন করা হয়। যেখানে ৫০০ জন দর্শকের সামনে বিশেষ প্রদর্শনী হয়।
অন্যদিকে ছিল বিশেষ ধরণের 'জাপানি' ঢাক। তাইকো হল এক ঐতিহ্যবাহী জাপানি ঢোল, যা বাজান জাপানি শিল্পীরা। সেই তাইকোর বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা ছিল এই পুজোয়। এখানেই শেষ নয়, ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। পরিবেশন করা হয় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ নামে বিশেষ নৃত্যনাট্য। যেখানে ৯ বছর বয়স থেকে ৮০ বছর বয়সের সকল মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। নিছকই নৃত্যনাট্য নয়, এর মাধ্যমে অসাধারণ প্রতিভা এবং শিল্পস্বত্বার প্রতিফলন ঘটেছে বলে মত উদ্যোক্তাদের।