গরম…! শার্টলেস সলমনের ফিটনেস সিক্রেট ফাঁস করলেন ট্রেনার, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তরুণ নায়কদেরও
বিটাউনের ‘বিকিনি বেব’ বা ‘বম্বসেল’-দের থেকেও যেন একধাপ এগিয়ে সমাজমাধ্যমে উষ্ণার পারদ চড়ালেন সলমন খান। ‘শার্টলেস’ ছবিতে ভক্তদের ঘুম ওড়ালেন ভাইজান! কোন মন্ত্রে ৬০-এও ‘ফিট অ্যান্ড ফাইন’?
কিন্তু, ইচ্ছে হলেই তো আর এইরকম সুঠাম গড়ন পাওয়া যায় না। তার জন্য প্রয়োজন কঠোর শ্রম। অতঃপর ষাট বছর বয়সেও শার্টলেস ছবিতে মাত দেওয়া সম্ভব। সলমনের ক্ষেত্রেও বিষয়টা ঠিক এইরকম। জিমে গিয়ে শরীরচর্চা থেকে কড়া রুটিনে নিজেকে বেঁধে রাখেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভাইজানের ফিটনেস সিক্রেট ফাঁস করলেন তাঁর প্রশিক্ষক।
আরও পড়ুন:
সলমনের ফিটনেস রুটিন ও নিয়মশৃঙ্খলার কথা তুলে ধরেছেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, "সলমনের ফিটনেসের নেপথ্যে রয়েছে ওঁর জীবনের কঠোর নিয়মানুবর্তিতা, শরীরচর্চার প্রতি একাগ্রতা আর দৃঢ় বিশ্বাস। ১৯৮৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া। প্রায় তিরিশ বছরের বেশি সময় রুটিন মাফিক চলা মুখের কথা নয়। ফিটনেস দেখে চক্ষুচড়কগাছ হলেই তো হবে না, বয়সও একটা বড় ফ্যাক্টর।"
নিজেকে ফিট রাখতে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেও মুখের হাসি ম্লান হয় না সলমনের। সেই মর্মে প্রশিক্ষকের সংযোজন, "সঠিক সময়ে খাবার না পেলে বা ভীষণ ক্লান্তি অনুভব করলেও সলমনের মুখে কখনও বিরক্তির ছাপ থাকে না। এটাই ওঁর মানসিক শক্তি এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠার পরিচয়।" ভাইজানের ওয়ার্কআউট প্রসঙ্গে জানান, একসঙ্গে প্রায় দশ ধরনের এক্সারসাইজ করেন এবং প্রতিটি সেটে অন্তত কুড়িটি রিপিটেশন থাকে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে সলমন তাঁর আসন্ন ছবি ‘মাতৃভূমি’র জন্য নিজেকে ভেঙেচুরে নতুনভাবে প্রস্তুত করছেন। শুধু লুকেই চমক নয়, এই ছবির জন্য সম্পূর্ণ শারীরিক রূপান্তর ঘটিয়েছেন ভাইজান। জানা যাচ্ছে, লাদাখের উচ্চতায় ‘ফিট অ্যান্ড ফাইন’ থাকতে ট্রেনিং নিচ্ছেন সলমন। সেক্ষেত্রে দৈনন্দিন রুটিনে কী পরিবর্তন এনেছেন বলিউডের 'দাবাং' খান?
সূত্রের খবর, ‘লাদাখের উচ্চতায় নিজেকে সুস্থ রাখতে ফিটনেস রুটিনে পরিবর্তন এনেছেন। যুক্ত হয়েছে নতুন ট্রেনিং। ৪৫ দিনের লাদাখ শিডিউলে তিনি ক্যালিসথেনিকস-ভিত্তিক ফিটনেস রুটিন অনুসরণ করেছেন। কারণ ওই উচ্চতায় জিমের পুরো সেটআপ নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’ সিনেমার পর্দায় সলমনের এই 'রাউডি' লুক দেখার অপেক্ষায় অনুরাগীরা।
সমাজমাধ্যমে সলমনের শার্টলেস ছবিতে মোহিত নেটভূবন। এক ভক্ত এই পোস্টের কমেন্ট বক্সে লিখেছেন, ‘এত বছর পরেও পোস্ট করার স্টাইল একটুও বদলায়নি! আজও আগের মতোই আছেন!’ অপর এক অনুরাগীর মতে, ‘৬০ বছর বয়সেও অবিশ্বাস্য ফিটনেস দিয়ে সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন। মেগাস্টার সালমান খান সত্যিই আলাদা।’সলমনের ফিটনেসে মুগ্ধ এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘ভারতের আসল বডিবিল্ডিং আইকন এখনও অতুলনীয়।’
উন্মুক্ত শরীর প্রদর্শন করে সলমন লেখেন,‘জীবন কাটানোর দুটি উপায়। একটি হল ‘অ্যালোন’ অর্থাৎ স্বইচ্ছায় একা থাকা। অপরটি হল ‘লোনলি’ যার বাংলা তর্জমা করলে হয় একাকীত্ব, যার অর্থ কেউ তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। এরপর নিজেকেই ঠিক করতে হবে তুমি কোন পথ অবলম্বন করে বাঁচবে।’ পরে অবশ্য বোঝা যায় মাতৃভূমির জন্য শারীরিক রূপান্তরকেই মেলে ধরেছেন।