ইংল্যান্ডের মাটিতে সোনালি ফর্ম অব্যাহত ভারত অধিনায়কের। সিরিজের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। এবার এজবাস্টনে ডবল সেঞ্চুরি হাঁকালেন ভারতীয় ক্রিকেটের প্রিন্স।
২১০
ভারত অধিনায়ক হিসাবে টেস্টে সর্বোচ্চ রান। এর ভারত অধিনায়ক হিসাবে সর্বোচ্চ ২৫৪ রান করেছিলেন বিরাট কোহলি, ২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেই নজির ভেঙে দিল শুভমানের ২৬৯।
এশিয়ার বাইরে ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে টেস্টে সর্বোচ্চ রান। এতদিন এই রেকর্ড ছিল শচীন তেণ্ডুলকরের দখলে। ২০০৪ সালে সিডনিতে ২৪১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
৪১০
অ্যাওয়ে টেস্টে ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। বিদেশের মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে সর্বোচ্চ ৩০৯ রান করেছিলেন বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় স্থানে রাহুল দ্রাবিড়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৭০।
৫১০
তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে ইংল্যান্ডের মাটিতে ডবল সেঞ্চুরি। ১৯৭৯ সালে সুনীল গাভাসকর এবং ২০০২ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের পর বিলেতের মাটিতে দ্বিশতরান এল শুভমানের ব্যাট থেকে।
তৃতীয় বিদেশি হিসাবে এজবাস্টনে ডবল সেঞ্চুরি। এজবাস্টনে কখনও জিততে পারেনি ভারত। শুভমানের আগে কোনও ভারতীয় সেখানে ডবল সেঞ্চুরিও হাঁকাতে পারেননি। এর আগে ১৯৭১ সালে জাহির আব্বাস এবং ২০০৩ সালে গ্রেম স্মিথ ডবল সেঞ্চুরি করেছেন এই মাঠে।
৭১০
অধিনায়কত্ব পেয়েই পরপর দুই টেস্টে সেঞ্চুরির তালিকায় সপ্তম ব্যাটার। রোহিত শর্মার অবসরের পর নেতৃত্ব দিতে নেমেই পরপর দুই টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন শুভমান। এই তালিকায় রয়েছেন মাত্র সাত ব্যাটার-বিজয় হাজারে, সুনীল গাভাসকর, বিরাট কোহলি, জ্যাকি ম্যাকগ্লিউ, অ্যালিস্টার কুক এবং স্টিভ স্মিথ।
৮১০
টেস্ট-ওয়ানডে দুই ফরম্যাটে ডবল সেঞ্চুরি হাঁকানো পঞ্চম ব্যাটার। এর আগে ওয়ানডেতে ২০৮ রানের ইনিংস খেলেছেন শুভমান। শচীন তেণ্ডুলকর, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইলের পর পঞ্চম ব্যাটার হিসাবে এই নজির গড়লেন শুভমান।
৯১০
টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের তালিকায় টপকে গেলেন গাভাসকর-শচীন-কোহলিকে। টেস্টে এই তিন কিংবদন্তির সর্বোচ্চ স্কোর ছিল যথাক্রমে ২৩৬, ২৪৮ এবং ২৫৪। কিন্তু জীবনের সপ্তম সেঞ্চুরিতেই তিনজনকে টপকে গেলেন গিল।
১০১০
তরুণতম ভারত অধিনায়ক হিসাবে ডবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন শুভমান। মাত্র ২৫ বছর ২৯৮ দিন বয়সে দ্বিশতরান এল তাঁর ব্যাট থেকে। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মনসুর আলি খান পতৌদি।
একেক সময় একেকটি গান দখল নেয় সোশাল মিডিয়ার। এই মুহূর্তে নেট ভুবনে ছেয়ে গিয়েছে 'দামে উন গরর'। টিকটকে ৬০ লক্ষ ইউজার গানটি ব্যবহার করে তাঁদের ভিডিও বানিয়েছেন। অন্য মাধ্যমেও ভাইরাল এই গান। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠা এই গানটি গেয়েছন কেট লিন।
২৭
কেটের আসল নাম ক্যাটালিনা লোয়ানা ওটেলিনু। তিনি রোমানিয়ান পপ গায়িকা। বহু বছর ধরেই দক্ষিণপূর্ব ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে জনপ্রিয়।
'দামে উন গরর' গানটির ভিডিও দুরন্ত বিট ও সহজ হুক স্টেপের কারণে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ইউনিভার্সাল মিউজিক রোমানিয়া ও ক্রিয়েটর রেকর্ডস গানটি প্রকাশ করেছে।
৪৭
'দামে উন গরর'-এর অর্থ আমাকে গরর দাও! এখানে 'গরর' একটি প্যাশনকে বোঝাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
৫৭
গানে কেটের সঙ্গে দেখা গিয়েছে ফ্যান্টামেলকেও। মুখোশধারী এই সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব পপ সঙ্গীতের এক বিশ্বজোড়া পরিচিত মুখ।
তবে এই গানটির আগেও একের পর এক হিট গান উপহার দিয়েছেন কেট। 'ইওর লাভ', 'থান্ডারলাইক' বা 'চিকি চিকি'র মতো গান গত কয়েক বছরে সারা পৃথিবীর পপ শ্রোতার মন জয় করেছে।
৭৭
কেটের গান মানেই তা ভাইরাল। মনে করা হয় নিজের শিকড়ের প্রতি বিশ্বস্ত থাকাটাই তাঁর সাফল্যের মূল কারণ। রোমানিয়ায় বেড়ে উঠলেও কেটের গানে আধুনিক পপের সঙ্গে মিশে যায় বালকান লোকসঙ্গীত। বলে রাখা ভালো, এই লোকসঙ্গীতে ইসলাম ও খ্রিস্ট ঐতিহ্যের মিশেল লক্ষ করা যায়।
আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনের ৪২ বছর বয়সি এমা হিকি তাঁর সঙ্গী স্টিফেন ব্রোঘাম এবং দুই সন্তানকে নিয়ে টেনেরিফের কোস্টা আদেজে ১২ দিনের ছুটির জন্য গিয়েছিলেন। ছুটির দশম দিনে মশার কামড় খেয়ে হঠাৎই তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী স্টিফেনের মতে, কামড়গুলো গোল গোল চাকার মতো সাঙ্ঘাতিক ভাবে ফুলে উঠেছিল।
২১০
মশার কামড় খাওয়ার পর এমা অস্বাভাবিক ভাবে ক্লান্ত বোধ করতে শুরু করেন। তাঁর শরীরের সমস্ত শক্তি যেন ফুরিয়ে আসে। এটি ছিল অসুস্থতার প্রথম লক্ষণ।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এমা স্থানীয় একটি হাসপাতালে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ইনজেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু এর পরেও শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।
৪১০
হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে, যখন তাঁরা একটি ফার্মেসিতে পৌঁছন, এমা হঠাৎ করেই হোটেলের সিঁড়িতে মাথা ঘুরে পড়ে যান।
৫১০
পড়ে যাওয়ার ফলে এমার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর খিঁচুনি শুরু হয়। তিনি মুহূর্তেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান করার পর দেখা যায় যে তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে।
৭১০
মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার পাশাপাশি, পড়ে যাওয়ার কারণে এমার ঘাড়ও ভেঙে গিয়েছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ অবণতির দিকে যেতে থাকে।
৮১০
পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর ছিল যে চিকিৎসকরা এমাকে কৃত্রিম কোমায় রাখার সিদ্ধান্ত নেন। মস্তিষ্কে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণের জন্য তাঁকে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।
৯১০
যদিও চিকিৎসকরা এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানাননি। তবে ঘটনার সময়কাল ও লক্ষণগুলো দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, মশার কামড়ের ফলে সৃষ্ট কোনও সংক্রমণ এমার স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। এই সংক্রমণ এমা হিকির শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অত্যন্ত দুর্বল করে দিয়েছিল। এর ফলে তিনি পড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন।
১০১০
এমা হিকি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা টেনেরিফে আটকা পড়েছেন। এই কঠিন সময়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। ঘটনা তা সে যতই তুচ্ছ হোক না কেন, তাকে হেলাফেলা করা একদমই উচিত নয়। কারণ এর থেকে অপ্রত্যাশিত মারাত্মক বিপদও আসতে পারে কখনও না কখনও। মশার কামড়ে কোমায় চলে যাওয়া এমা হিকি যেন এ শিক্ষাই দিয়ে গেলেন আমাদের।