মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ উপমুখ্যমন্ত্রী, কী কাজ মুখ্যমন্ত্রীর ডেপুটির?
এর আগে তিনবার উপমুখ্যমন্ত্রী পেয়েছে বাংলা, কবে কারা ছিলেন ডেপুটি পদে?
আরও পড়ুন:
সব মিলিয়ে এর আগে বাংলা উপমুখ্যমন্ত্রী পেয়েছে ৩ বার। প্রথমবার ১৯৬৭ সালে প্রথম যুক্তফ্রন্টের সরকারে। তখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বাংলা কংগ্রেসের অজয় মুখোপাধ্যায়। নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক আদর্শ তিনিই। সেই অজয় মুখোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় দু'বার উপমুখ্যমন্ত্রী হন জ্যোতি বসু। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭০, বাংলার রাজনীতির অস্থির এবং টালমাটাল পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ডেপুটি হিসাবে কাজ করেছেন জ্যোতিবাবু।
মজার কথা হল ১৯৭১ সালে যুক্ত ফ্রন্ট সরকার ভেঙে গেলেও কংগ্রেসের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী থেকে যান অজয় মুখোপাধ্যায়। সেবারও তাঁর ক্যাবিনেটে একজন ডেপুটি ছিলেন। সেসময় উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজয় সিং নাহার। যদিও সেটা মাস তিনেকের জন্য। সেই সরকার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। এরপর সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সময় কোনও উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না।
জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন প্রথম দিকে কোনও উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না। তিনি দীর্ঘদিন জোট সরকার চালানো সত্ত্বেও কোনও শরিকদলের নেতাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করেননি। পরে ১৯৯৯ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে কিছুদিনের জন্য উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বুদ্ধবাবু রাজ্যের তৃতীয় উপমুখ্যমন্ত্রী। তারপর দীর্ঘদিন কোনও উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না।
আরও পড়ুন:
উপমুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার জন্য বাড়তি কোনও ক্ষমতা সচরাচর রাজনীতিকরা পান না। তবে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বা মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকা হলে তাতে সভাপতিত্ব করার ভার পান উপমুখ্যমন্ত্রী। সেটা মূলত সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। মুখ্যমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীদের সমন্বয়ক হিসাবে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ বেশ গুরুত্বপূর্ণ।