Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Ambubachi 2026

অম্বুবাচীর ব্রত না মানলেও খান এই খাবারগুলি, দেবীর আশীর্বাদে হবে রোগমুক্তি

সাধারণত বিধবা নারী, তন্ত্রসাধক, ব্রহ্মচারী এবং সাধু-সন্ন্যাসীরাই এই তিথি পালন করে থাকেন। তবে ব্রতপালন না করলেও কিছু নিয়ম মানা উচিত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৬, ১৬:২৪

options
link
অম্বুবাচীর ব্রত না মানলেও খান এই খাবারগুলি, দেবীর আশীর্বাদে হবে রোগমুক্তি zoom
অম্বুবাচীতে এই খাবারগুলি খান। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিতে পৃথিবীতে শুরু হয় এক আদিম উৎসব। সনাতন বিশ্বাস মতে, এই সময়ে ঋতুমতী হন মা ধরিত্রী। দেবীর এই রজস্বলা হওয়ার দশাকে অম্বুবাচী বলে। লৌকিক আচারে কড়া বিধিনিষেধ মেনে অম্বুবাচী পালন করতে হয়। সাধারণত বিধবা নারী, তন্ত্রসাধক, ব্রহ্মচারী এবং সাধু-সন্ন্যাসীরাই এই তিথি পালন করে থাকেন। তবে ব্রতপালন না করলেও কিছু নিয়ম মানা উচিত। বিশেষত কিছু খাবারদাবার খাওয়া উচিত, যাতে পাবেন দেবীর আশীর্বাদ। হবে রোগমুক্তি।

এই সময়ে অবশ্যই আম-দুধ খান। শাস্ত্রমতে, শরীর ঠান্ডা রাখতে দুধের সঙ্গে আম মিশিয়ে খেতে হয়। গরমের বাজার ছেয়ে যায় আম। আর বর্ষায় শুরু হয় সাপের উপদ্রব। তাই এই সময়ে দুধ-আম খেলে দেবী তুষ্ট হন। ফলে আর সাপ দংশনের ভয় থাকে না। তবে শুধু খেলেই হবে না। অম্বুবাচী শেষের পর প্রথমেই দেবীকে আম-দুধ নিবেদনও করা উচিত। তাতেই মিলবে দেবীর আশীর্বাদ। পুষ্টিবিদদের মতে, আমে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এছাড়া থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম। তাই আম যেকোনও ধরনের সংক্রমণ রোধ করে। এছাড়া ত্বকের প্রদাহ কমাতেও আমের জুড়ি মেলা ভার। ক্যানসাররোধী হিসাবে আমের গুরুত্ব রয়েছে। তাছাড়া হজমশক্তি এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে সুস্বাদু রসালো ফল আম। লিভারের সমস্যা দূর করে। আম খাওয়ার ফলে কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই অবশ্যই এই সময়ে আম-দুধ খাওয়া উচিত।

Advertisement

একনজরে দেখে নিন অম্বুবাচীতে আর কী কী করতে পারেন:

  • অম্বুবাচীতে গুরুপুজো করতে পারবেন।
  • গুরু প্রদত্ত মন্ত্রও অনায়াসে জপ করতে পারবেন।
  • অম্বুবাচীতে তুলসি গাছের গোড়ার দিকে নজর দিন। ভালো করে মাটি দিয়ে উঁচু করে দিন গোড়া।
  • শাক্তমন্ত্রে দীক্ষিতরা মন্ত্র পাঠও করতে পারেন।
  • অম্বুবাচীর পর দেবীদের আচ্ছাদন খুলে নিতে ভুলবেন না।
  • তারপর দেবীমূর্তি ভাল করে স্নান করিয়ে পুজো করবেন।
  • দেবীকে আম এবং দুধ নিবেদন করলেই ভাল হয়।
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.