Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ganesh Chaturthi 2026

পুরুষ নন, নারী রূপেও পূজিত হন গণপতি! গণেশের এই বিরল রূপের কথা জানেন?

গজমুণ্ড, অথচ সুগঠিত নারীদেহ! দেখেছেন এমন কোনও দেবী বিগ্রহ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ১৭:৪৫

options
link
পুরুষ নন, নারী রূপেও পূজিত হন গণপতি! গণেশের এই বিরল রূপের কথা জানেন? zoom
গণেশের এই রূপের কথা ক'জনই বা জানেন?
Advertisement

আমরা সবাই সিদ্ধিদাতা গণেশকে গজমুণ্ড এবং লম্বোদর পুরুষ রূপেই পুজো করে অভ্যস্ত। কিন্তু শাস্ত্র ও প্রাচীন শিল্পকলায় ধরা আছে তাঁর এক অদ্ভুত ও অলৌকিক অবতার। সেই রূপের কথা ক’জনই বা জানেন? গজমুণ্ড, অথচ সুগঠিত নারীদেহ! দেখেছেন এমন কোনও দেবী বিগ্রহ? পুরাণ থেকে তন্ত্রে, গণপতির এই অনন্য নারী রূপ পরিচিত ‘বিনায়কী’, ‘গণেশিনী’ ও ‘বিঘ্নেশ্বরী’ নামে।

শিবের অর্ধাঙ্গিনী দেবী পার্বতী যেমন শক্তির প্রতীক, তেমনই গণেশিনী হলেন ভগবান গণেশেরই এক দৈব নারীশক্তি। তাঁর মাথাটি হাতির এবং ধড়টি একজন নারীর। প্রাচীন মৎস্য পুরাণ, লিঙ্গ পুরাণ এবং অগ্নি পুরাণে এই বিশেষ দেবীর উল্লেখ পাওয়া যায়। পুরাণ অনুযায়ী, তিনি বিঘ্নহন্ত্রী শক্তি অর্থাৎ সমস্ত বাধা দূর করার মূল দেবী। সাধকদের মতে, তিনি হলেন মাতৃকাগণের নবম রূপ। বাণাসুর এবং অন্ধকাসুর বধের সময় দেবদেবীদের সাহায্য করতেই মহাদেবের বরদানে ও শক্তির প্রকাশে এই বিশেষ শক্তির আবির্ভাব ঘটেছিল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Ganesh Chaturthi 2026: The Female Form Of Lord Ganesha
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিভিন্ন প্রাচীন মন্দির ও স্থাপত্যে আজও এই দেবীর অস্তিত্ব দেখতে পাওয়া যায়। রাজস্থানের সীগড় শহরের দশম শতাব্দীর একটি শিব মন্দিরে এই দেবীর মূর্তি খোদাই করা আছে। তামিলনাড়ুর সুচিন্দ্রম মন্দিরেও চার হাতযুক্ত বিঘ্নেশ্বরীর দেখা মেলে। এছাড়া মধ্যপ্রদেশের ভেরাঘাটের বিখ্যাত চৌষট্টি যোগিনী মন্দিরেও তিনি আসীন। দেবীর চার হাতে শোভা পায় শূল, কুঠার এবং মোদক। ভারতের কোনও কোনও স্থানে তিনি ‘শ্রীবিদ্যা গণপতি’ নামেও আরাধ্যা।

কেবলমাত্র সনাতন হিন্দুধর্মেই নয়, বৌদ্ধ ধর্মের ধ্যানেও এই শক্তির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বৌদ্ধ সাধনায় তাঁকে ‘গণপতিহৃদয়’ বলা হয়েছে। তন্ত্রশাস্ত্র মতে, বিঘ্নেশ্বরী অত্যন্ত তীব্র এবং দ্রুত সিদ্ধিদায়িনী এক মহাশক্তি। যেকোনও ঘোর বিপদে এই দেবীর উপাসনা করলে সব ধরনের অমঙ্গল নাশ হয়। পারিবারিক কলহ এবং কঠিন ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে সাধকেরা এই শক্তির আরাধনা করেন। তবে এই মন্ত্রসাধনা অত্যন্ত কঠোর ও নিয়মনিষ্ঠ।

বর্তমানে ভারতে এই দেবীর পুজো খুব একটা প্রচলিত নয়। মূলত দক্ষিণ ভারতের কিছু জায়গায় তামিল রীতিতে তাঁর আরাধনা করা হয়। তবে প্রাচীন ভাস্কর্য ও শাস্ত্রে তিনি আজও সমান মহিমান্বিত। পরম পুরুষ এবং পরম প্রকৃতির এই অপূর্ব মিলন রূপ মানব সভ্যতাকে এক নতুন আধ্যাত্মিক বার্তা দেয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.