BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

পবিত্র গণেশ চতুর্থীর আগে জেনে নিন পুজোর সময় ও নির্ঘণ্ট

Published by: Tanujit Das |    Posted: September 1, 2019 5:00 pm|    Updated: September 1, 2019 5:28 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেবীর মর্ত্যে আসতে এখনও বাকি একমাসের কিছু বেশি সময়৷ তার আগে মামার বাড়ি ঘুরতে আসছেন দেবীর সবচেয়ে প্রিয়তম সন্তান সিদ্ধি বিনায়ক গণেশ৷ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে গণপতির আরাধনা৷ মুম্বইয়ের প্রধান উৎসব হলেও, গোয়া, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়েও সাড়ম্বরে এই পুজো হয়৷ সিদ্ধিলাভের আশায় গণপতি বাপ্পা’র আরাধনায় মেতে ওঠেন কলকাতাবাসীও৷ ২ সেপ্টেম্বর থেকে দশদিনের যে উৎসব শুরু হবে, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর হবে বিসর্জন৷

[ আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যায় সিমেন্টের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা নৈহাটির বড়মার ]

জেনে নেওয়া যাক এ বছরের গণেশ চতুর্থীর সময়সূচি ও নির্ঘণ্ট:

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে গণেশ চতুর্থীর সময়সূচি ও নির্ঘণ্ট:

১৫ ভাদ্র ১৪২৬, রবিবার (ইংরেজি: ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) ভোর ৪টে ৫৭ মিনিট থেকে ১৬ ভাদ্র ১৪২৬, সোমবার (ইংরেজি: ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) রাত্রি ১টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত।

গণেশ চতুর্থী উৎসব: ১৬ ভাদ্র ১৪২৬, সোমবার (ইংরেজি: ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) রাত্রি ১টা ৫৪ মিনিটের মধ্যে সৌভাগ্য চতুর্থী ব্রত পালন।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে গণেশ চতুর্থীর সময়সূচি ও নির্ঘণ্ট:

১৫ ভাদ্র ১৪২৬, সোমবার (ইংরেজি: ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে ১৬ ভাদ্র ১৪২৬, মঙ্গলবার (ইংরেজি: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) সকাল ৭টা ৩ মিনিট পর্যন্ত।

গণেশ চতুর্থী উৎসব: ১৬ ভাদ্র ১৪২৬, মঙ্গলবার (ইংরেজি: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯) সকাল ৭টা ৩ মিনিটের মধ্যে সৌভাগ্য চতুর্থী ব্রত পালন।

[ আরও পড়ুন: সেজে উঠেছে তারাপীঠ, জেনে নিন ‘কৌশিকী’ অমাবস্যার মাহাত্ম্য ]

হিন্দুশাস্ত্র মতে, মানুষের জীবনের সমস্ত বাধা বিপত্তি দূর করে সিদ্ধিদাতা গণেশ। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের ভাদ্রপদ শুক্লা চতুর্থী তিথিতে তাঁর আরাধনা করেন মর্ত্যবাসী৷ পুজোর বিধিতে উল্লেখ রয়েছে, মধ্যাহ্নে শুরু হবে সিদ্ধিদাতার আরাধনা। কারণ, শাস্ত্রে বলে, মধ্যাহ্নেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন গৌরীপুত্র গণেশ। পুরাণিক মন্ত্র জপ করে ষোড়শোপচারে সিদ্ধি বিনায়কের পুজো করেন ভক্তরা। পুজো শুরুতেই ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে সংকল্প করা হয়। তারপরে মন্ত্র জপ, মূর্তি প্রতিষ্ঠা, মূর্তি স্নান এবং দেবতাকে ভোগ উৎসর্গ করা হয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement