Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Alipore Zoo

গড়চুমুক নয়, সন্তান-সন্ততি নিয়ে এবার আলিপুরই নতুন ঠিকানা বাঘরোলদের

রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর বাঘরোল সংরক্ষণ কেন্দ্র বদল হচ্ছে। শুরু হয়েছে ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৫:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৫:৫৪

options
link
গড়চুমুক নয়, সন্তান-সন্ততি নিয়ে এবার আলিপুরই নতুন ঠিকানা বাঘরোলদের zoom
বাঘরোলদের নয়া ঠিকানা হতে চলেছে আলিপুর চিড়িয়াখানা

রাজ্যে পালাবদলের পর বন্যপ্রাণ সংরক্ষণেও বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। বদল হচ্ছে বাঘরোল প্রজনন কেন্দ্রের ঠিকানা। আর গড়চুমুক নয়, আলিপুর চিড়িয়াখানায়ই (Alipore Zoo) হবে বাঘরোল প্রজনন। আলিপুরে গড়ে তোলা হচ্ছে বাঘরোল সংরক্ষণ কেন্দ্র। চিড়িয়াখানায় প্রজননের হবে হাওড়া গড়চুমুকে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় জু অথরিটির কাছে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে বনদপ্তর সূত্রের খবর। ইতিমধ্যে বাঘরোলের ঠিকুজি-কুষ্ঠি গড়তে ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজও সম্পন্ন করেছে আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, প্রজননের আগে জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াকে দিয়ে বাঘরোলের ডিএনএ ম্যাপিং করা হয়েছে। ডিএনএ ম্যাপিং থাকায় ভবিষ্যতে তাদের সংরক্ষণ, প্রজননের কাজ সহজ হবে।

পশ্চিমবঙ্গের বন্যপ্রাণী বাঘরোল। ‘মেছো বিড়াল’ বা ‘ফিশিং ক্যাট’ নামেও পরিচিত এই চারপেয়েরা বিড়ালের থেকে আকারে বড়। তাই বাঘের বাচ্চা বলে ভ্রম হয়। নদী-নালা থেকে মাছ ধরে খেতে বিশেষ দক্ষ। দক্ষিণবঙ্গে মূলত হাওড়া-হুগলিতে বেশি দেখা যায়। মাছের ভেড়ি, বাদাবন বা জলাজমিতে থাকে। স্বভাবে তেজি। ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার’ বাঘরোলকে ‘অতি বিপন্ন প্রাণী’ তালিকায় রেখেছে।

পশ্চিমবঙ্গের বন্যপ্রাণী বাঘরোল মূলত জলাশয়ের আশেপাশে থাকে। ছোট বাঘ বলে ভ্রম হয়

পশ্চিমবঙ্গের বন্যপ্রাণী বাঘরোল। ‘মেছো বিড়াল’ বা ‘ফিশিং ক্যাট’ নামেও পরিচিত এই চারপেয়েরা বিড়ালের থেকে আকারে বড়। তাই বাঘের বাচ্চা বলে ভ্রম হয়। নদী-নালা থেকে মাছ ধরে খেতে বিশেষ দক্ষ। দক্ষিণবঙ্গে মূলত হাওড়া-হুগলিতে বেশি দেখা যায়। মাছের ভেড়ি, বাদাবন বা জলাজমিতে থাকে। স্বভাবে তেজি। ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার’ বাঘরোলকে ‘অতি বিপন্ন প্রাণী’ তালিকায় রেখেছে। অতি বিপন্ন এই প্রাণীকে সংরক্ষণ করতে উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বনদপ্তর। অবশ্য এর আগে তৃণমূল সরকারে আমলে বনদপ্তর বাঘরোল সংরক্ষণের উদ্যেগ নিয়েছিল। তার জন্য গড়চুমুক ডিয়ার পার্ককে (যেটি পরে চিড়িয়াখানায় রূপান্তরিত হয়) বাঘরোল সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। এই প্রকল্পের জন্য তৎকালীন সরকার ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্য জু অথরিটি সূত্রে খবর, নতুন করে গড়চুমুকে বাঘরোল আর প্রজনন হবে না। এখন থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় বাঘরোল প্রজনন করা হবে। এখানে প্রজননের পর তাদের গড়চুমুকে সফট রিলিজ করা হবে। সেখান থেকে তারা নিজেদের পরিবেশে মিশে যাবে।

তবে সম্প্রতি নতুন সরকার গঠনের পর গড়চুমুকে প্রজননের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য জু অথরিটি সূত্রে খবর, নতুন করে গড়চুমুকে বাঘরোল আর প্রজনন হবে না। এখন থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় বাঘরোল প্রজনন করা হবে। এখানে প্রজননের পর তাদের গড়চুমুকে সফট রিলিজ করা হবে। সেখান থেকে তারা নিজেদের পরিবেশে মিশে যাবে। তবে আলিপুরে বাঘরোল প্রজনন কতটা সফল হবে, তা নিয়ে চিড়িয়াখানার অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, ২০২১ সালে আলিপুর চিড়িয়াখানার তৎকালীন অধিকর্তা আশিস সামন্তের আমলে বাঘরোল প্রজননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেজন্য কৃত্রিম জলাশয়, জঙ্গল তৈরি করা হয়েছিল। যদিও সেই প্রকল্প খুব একটা সফল হয়নি।

তারপরই গড়চুমুকে প্রজননের কাজ শুরু করে বনদপ্তর। বাঘরোলরা মূলত জলাশয়ের কাছে থাকে। মুরগি, ব্যাঙ, মাছ, সাপ খেয়ে তারা বেঁচে থাকে। খাবারের জোগান দিতে গড়চুমুক চত্বরে পাঁচ কাঠা জমিতে ধানজমি ও জঙ্গল গড়ে তোলা হয়। সেখানে বাঘরোলের বাচ্চাদের সফট রিলিজ করার কথা ছিল। গড়চুমুক প্রজনন কেন্দ্রে বর্তমানে ৩০টির মতো বাঘরোল রয়েছে। কেন্দ্রীয় জু অথরিটির সবুজ সংকেত পেলে আলিপুরে তাদের সংরক্ষণের কাজ দ্রুত শুরু করবে কর্তৃপক্ষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.