Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ডাইনোসরাস

খোঁজ মিলল দানবীয় ডাইনোসরের, টিরানোসরাসদের চিবিয়ে খেত এরা!

সামুদ্রিক কচ্ছপ বা তিমির শরীরে দাঁত বসাতেও দ্বিধা করত না প্লিওসরাসরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৬:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৬:৩৭

options
link
খোঁজ মিলল দানবীয় ডাইনোসরের, টিরানোসরাসদের চিবিয়ে খেত এরা! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জুরাসিক যুগে পৃথিবী কাঁপাত টিরানোসরাস রেক্স। মাংশাসী এই ডাইনোসরের চোখে পড়লেই সেদিনটা শেষদিন হত বাকি ডাইনোসরদের। এমনকী অতিকায় ব্রোঙ্কিওসরাসও রেহাই পেত না। তার লম্বা ঘাড়েও থাবা বসাত টিরানোসরাস। আর্কিওপ্টেরিক্সরাও রেহাই পেত না। আকাশপথেও সুরক্ষিত ছিল না তারা। এতদিনের এই ধারণা এবার ভেঙে যেতে বসেছে। টিরানোসরাসের থেকেও হিংস্র ডাইনোসরের সন্ধান মিলল জীবাশ্মে।

সম্প্রতি একটি জীবাশ্মের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে ১৫ কোটি বছর আগের কোনও এক প্রাণীর প্রতিকৃতি মিলেছে। সেটি প্লিওসরাসের। জুরাসিক যুগে সবচেয়ে বড় ও হিংস্র ডাইনোসরদের অন্যতম ছিল প্লিওসরাস। ‘প্রসেডিংস অব দ্য জিওলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন’ জার্নালে এই অনুসন্ধানের খবর ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। সেখান থেকে জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের সুইতোকার্জিকির কাছে একটি ভুট্টা খেতের মধ্যে প্লিওসরাসের জীবাশ্ম মিলেছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩ ফুট। যদিও এটিই সর্বাধিক নয়। সে যুগে এর চেয়েও অনেক বড় আকারের প্লিওসরাস ছিল বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

Advertisement

pliosaurus-1

[ আরও পড়ুন: বেআইনিভাবে মাটির তলার জল উত্তোলন, নামছে ভূগর্ভস্থ জলস্তর ]

প্লিওসরাসরা ছিল জলচর জীব। সমুদ্রই ছিল এদের বাসস্থান। ফলে জলের প্রাণীরাই ছিল এদের প্রধান খাদ্য। আর সেই কারণেই এদের দাঁতের বিন্যাস ছিল অনেকটা কুমিরের মতো সাজানো। এদের দাঁতের ধার ও শক্তি ছিল প্রচুর। টিরানোসরাসের থেকেও পাঁচ গুণ বেশি শক্ত ছিল এদের চোয়াল। এদের দাঁত এতটাই শক্ত ছিল যে টিরানোসরাসদের চিবিয়ে খেতেও এদের কষ্ট হত না। হাঙর বা তিমির মতো এদেরও পিছনে মাছের মতো লেজ ছিল। এছাড়া মাছের মতোই পাখনা ছিল বলে জীবাশ্ম থেকে জানা গিয়েছে। সামুদ্রিক প্রাণী ছিল এদের প্রধান খাদ্য। প্রয়োজনে কচ্ছপ বা তিমির শরীরে দাঁত বসাতেও দ্বিধা করত না প্লিওসরাসরা। প্লিওসরাসের জীবাশ্মের সঙ্গে অতিকায় সামুদ্রিক কচ্ছপের জীবাশ্ম মিলেছে। তার পিঠের খোলস প্লিওসরাসের দাঁতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। এখান থেকেই এই ধারণা বিজ্ঞানীদের মনে বদ্ধমূল হয়েছে যে কচ্ছপদের খোলসেও দাঁত বসানোর ক্ষমতা রাখত এরা। শুধু জলচর নয়, প্লিওসরাসরা পাখিদেরও সুযোগ পেলেই মুখে পুরত। এদের পেশির ক্ষমতা ছিল প্রবল। তাই সমুদ্রের জলস্তরের উপর কোনও পাখি এলে জল থেকে ঝাঁপিয়ে সহজেই ধরে ফেলত এরা। প্লিওসরাসদের এই জীবাশ্ম আবিষ্কারের পর জীবের অভিব্যক্তি নিয়ে যে বিজ্ঞানীরা আরও একধাপ এগিয়ে য়াবে, তাতে সন্দেহ নেই।

[ আরও পড়ুন: বিপদের মুখে ত্রাতা ‘ঠাকুমা’, নিজের জামা খুলে বাঁচালেন দগ্ধ কোয়ালার প্রাণ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.