সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: একরাতেই ২৭টি সেগুন গাছকেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা ঘটল কাশীপুর বনাঞ্চলে।বৃহস্পতিবার রাতে পুরুলিয়ার (Purulia) কাশীপুর বনাঞ্চলের কাশীপুরবিটের হাঁড়িভাঙা জঙ্গলের এই ঘটনায় হতবাক হয়ে গিয়েছে বনদপ্তরও। গত ২৯ জুনও রাতের অন্ধকারে এই জঙ্গল থেকেই ১৯টি সেগুনগাছ কেটে নেয় দুষ্কৃতীরা। এখনও ওই ঘটনার কোনও কিনারা হয়নি।
লাগাতার এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে শুক্রবার কাশীপুর বনাঞ্চলের আধিকারিক অসিতবরণ সিং সর্দারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কোনও সাড়া দেননি। এই বিষয়ে কোন কথা বলতে চাননি কংসাবতী উত্তর বিভাগের ডিএফও অমৃতা দত্ত। তবে কংসাবতী উত্তর বিভাগ সূত্রেই জানা গিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিন এক বনাধিকারিক এই ঘটনার তদন্তে গিয়েছেন। ডিএফও দ্রুত রিপোর্ট তলব করেছেন। তবে কাশীপুর বনাঞ্চলের একাধিক বিটে রাতের অন্ধকারে গাছ কেটে পাচার কোনও নতুন ঘটনা নয়। ধারাবাহিক ভাবে এই কাজ চলছে বলে অভিযোগ। কিন্তু বনদপ্তর কোনও ব্যবস্থা নেয় না, এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। সম্প্রতি বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এই জেলায় দু’দুবার এসে জঙ্গল রক্ষায় জেলার বনাধিকারিকদের কড়া বার্তা দেওয়ায় এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: খিদের জ্বালায় কাঁঠাল খেতে যাওয়াই কাল, নাগরাকাটার চা-বাগানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হাতির]
এলাকার মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, এই কাজে কারা জড়িত আছে তা বনদপ্তরকে তদন্ত করে জানতে হবে। এই পাচারে কোনও চক্র বা অন্য কেউ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। এর আগে জঙ্গলের গাছ কেটে পাচার নিয়ে সিপিএম একাধিকবার পথে নেমে আন্দোলন করেছে। এখন বিজেপিও সরব। তা সত্ত্বেও কাশীপুর বনাঞ্চলে গাছ পাচার চলছেই। এদিন সকালে ওই জঙ্গলে পাতা কুড়োতে যাওয়া মানুষজন প্রথম দেখতে পান একাধিক সেগুন গাছ গোড়া থেকে কাটা। তারপর হৈ চৈ হতেই বনরক্ষী ও পুলিশ আসে।
[আরও পড়ুন: লক্ষ্য আমেরিকাকে টেক্কা দেওয়া, নাসার পারসিভিয়ারেন্সের আগেই মঙ্গলে যান পাঠাল চিন]
সর্বশেষ খবর
-
লিঙ্কডিনে ফুটবলার খুঁজে বিশ্বকাপের নকআউটে! কেপ ভার্দের স্বপ্নের সওদাগর যে মানুষটা
-
জীবিকা হারানো হকারদের এককাট্টা করে আন্দোলনের প্রস্তুতি ‘কালীঘাট তৃণমূলের’, ফের পথে মমতা!
-
প্রতীক কার! ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ ‘কালীঘাট তৃণমূলের’
-
গেরুয়া উত্তরীয় বনাম বোরখা, পোশাক নিয়ে বারাসত কলেজে সম্মুখ সমরে এবিভিপি-বজরং দল!
-
‘ভারতবিদ্বেষে’র হাওয়ায় প্রথম চিন সফর! কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক?