Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
CAB

প্রতিনিধিদের উপরেও প্রযোজ্য লোধা আইন, সাত বছর আগে জানত সিএবি

তা হলে হঠাৎ এখন প্রতিনিধি-নাটক হচ্ছে কেন? শাসকের কোন স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে?

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৬:২২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৬:২২

options
link
প্রতিনিধিদের উপরেও প্রযোজ্য লোধা আইন, সাত বছর আগে জানত সিএবি zoom
ইডেন গার্ডেন্স। ফাইল ছবি

এক নয়, দুই নয়, এ আদতে সাত-সাতটা বছর আগের কথা!

সম্প্রতি সিএবি বৈঠকে প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে লোধা আইন প্রয়োগ বিতর্কে সিএবির বিশেষ সাধারণ সভা ভেস্তে যেতে দেখেছে বঙ্গ ক্রিকেট। যা হওয়ার কথা ছিল আগামী ২০ জুলাই, যা ডাকা হয়েছিল সিএবির বিদায়ী যুগ্ম সচিব মদন ঘোষের জায়গায় নির্বাচনের উদ্দেশে। কিন্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে মনোনয়ন জমা করার যা শেষ দিন ছিল, অর্থাৎ ১২ জুলাইয়ের পূর্ব রাতে প্রায় পনেরো জন জেলাশাসক এবং গোটা দশেক ক্লাব মিলে একযোগে চিঠি পাঠান সিএবিকে। চিঠিতে পরিষ্কার বলা হয়, বিভিন্ন সংস্থা সিএবি বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠানোর ক্ষেত্রে লোধা আইন মানছে না। লোধা আইনে অযোগ্য অনেকেই প্রতিনিধিত্ব করছেন। অর্থাৎ, একজন পদাধিকারী যেমন সত্তর বছর হয়ে যেমন ক্রিকেট প্রশাসনে থাকতে পারেন না লোধা আইন অনুযায়ী, কিংবা প্রশাসনে ন’বছর কাটিয়ে ফেললে যেমন ক্রিকেট কর্তাদের চির-মহাপ্রস্থানে চলে যেতে হয়, প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সেই আইন প্রযোজ্য। লোধা আইনে বাতিল যাঁরা, তাদের সিএবি অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যার জেরে স্থগিত করে দিতে হয় নির্বাচন। গত বুধবার ইমার্জেন্ট মিটিং ডাকা হয় সিএবির পক্ষ থেকে। সেখানেও এ নিয়ে শাসক-বিরোধীদের মধ্যে বিস্তর বাকবিতণ্ডা হয়। শাসক-গোষ্ঠীর অনেকেই ক্লাব প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে লোধা আইন কার্যকর করায় অপারগ। অথচ মজার হল, সিএবি নিজেরাই আজ থেকে সাত বছর আগে প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে লোধা আইন মানা হবে কি না, তা নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স, অর্থাৎ সিওএ-র কাছে। যা ছিল সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্রশাসক কমিটি। যে কমিটির পক্ষ থেকে সিএবিকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছিল যে, সিএবি-র অনুমোদিত সংস্থাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও লোধা আইন শিরোধার্য। দেখতে হবে, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কোনওভাবেই যেন লোধা আইনে ‘ডিসকোয়ালিফায়েড’ না হন।

সিএবিকে পাঠানো সিওএ-র সেই সাত বছরের পুরনো ই-মেল এসে পৌঁছেছে ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর কাছে। যেখানে লেখা রয়েছে, বোর্ডের ক্ষেত্রে দেখা হবে, তার অধীনস্থ সংস্থাদের প্রতিনিধিরা যেন বোর্ড পদাধিকারী হওয়ার ক্ষেত্রে ‘ডিসকোয়ালিফায়েড’ না হন। ঠিক একই আইন প্রযোজ্য হবে, সিএবির ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ, সিএবিকে সুনিশ্চিত করতে হবে তাদের অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিরা যেন সিএবি পদাধিকারী পদে নির্বাচনযোগ্য হন। তাঁরা যেন ‘ডিসকোয়ালিফায়েড’ না হন। প্রতি অনুমোদিত সংস্থা থেকে একজন করে প্রতিনিধি আসতে পারবেন সভায়। তিনিই ভোট দেবেন। এবং তিনি চাইলে, নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন। স্থানীয় ক্রিকেটমহল থেকে বলা হচ্ছে, অনুমোদিত সংস্থাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের কী শর্ত, তা আজ নয়। আজ থেকে সাত বছর আগে জেনে গিয়েছিল সিএবি। তা হলে হঠাৎ এখন প্রতিনিধি-নাটক হচ্ছে কেন? শাসকের কোন স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.