ভারত: ১৩৬/৯, ডিএলএস পদ্ধতিতে লক্ষ্য- ১৩১
(রাহুল ৩৮, অক্ষর ৩১, হ্যাজেলউড ২০/২)
অস্ট্রেলিয়া: ১৩১/৩ (মার্শ ৪৬*, জশ ফিলিপে ৩৭, অক্ষর ১৯/১)
অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত কামব্যাক হল রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নতুন অধিনায়ক শুভমান গিলের অধীনে দুই মহাতারকা কীরকম খেলেন সেদিকে নজর ছিল। দুজনেই ব্যর্থ হলেন। ভরাডুবি ভারতীয় ব্যাটিংয়ের। পারথে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ভারতের দেওয়া লক্ষ্য অনায়াসে তুলে দিলেন মিচেল মার্শরা। তিন ওয়ানডে ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি ৭ উইকেটে জিতল অস্ট্রেলিয়া। চলতি বছরে এই প্রথম ওয়ানডে হারল ভারতীয় দল।
টসে হেরে এদিন পারথে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছিল ভারত। মেঘলা আকাশে পারথের গতিময় পিচে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন মিচেল স্টার্ক-জশ হ্যাজেলউডরা। চতুর্থ ওভারেই হ্যাজেলউডের বলে খোঁচা দিয়ে আউট হন রোহিত (৮)। যিনি এদিন ৫০০ তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন। দু’ওভার পরেই স্টার্কের শিকার কোহলি। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন কিং। এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে রান পাননি শুভমান গিল। ওয়ানডে ফরম্যাটে নেতৃত্ব পেয়ে সেই ব্যর্থতার ধারা বজায় রাখলেন শুভমান গিলও। মাত্র ১০ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হয়ে যান তিনি।
পারথে মাঝে মাঝেই বৃষ্টি নেমে খেলা বন্ধ থেকেছে। তার জেরে আবার ওভার কমেছে। ৫০ ওভারের ম্যাচ কমে দাঁড়াল ২৬ ওভারে। আর যতবার বৃষ্টির পর খেলা শুরু হয়েছে, ততবার ভারতের উইকেট পড়েছে। রান পাননি শ্রেয়স আইয়ারও। এর পর অক্ষর এবং রাহুলের দাপটে খানিকটা রান যোগ হয় ভারতের স্কোরবোর্ডে। যথাক্রমে ৩১ এবং ৩৮ রান করেন তাঁরা। কিন্তু রানের গতি বাড়াতে গিয়ে আউট হন দুজনেই। শেষবেলায় ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন এদিন প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলতে নামা নীতীশ রেড্ডি। শেষ পর্যন্ত ভারতের রান দাঁড়ায় ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৬।
কিন্তু ডিএলএসের জন্য সেটা আবার ১৩০ রানে দাঁড়ায়। অর্থাৎ ২৬ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ছিল ১৩১। জবাবে শুরুতেই ট্র্যাভিস হেডকে ফিরিয়ে কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন অর্শদীপ। এরপর ম্যাথু শর্টকে আউট করেন অক্ষর। কিন্তু অস্ট্রেলিয়াকে বিপদে ফেলার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। ওয়াশিংটন সুন্দর যখন জশ ফিলিপেকে আউট করেন, তখন স্কোরবোর্ডে প্রায় ১০০ রান উঠে গিয়েছিল। অধিনায়ক মিচেল মার্শ অপরাজিত থাকেন ৪৬ রানে। ফলে রান তাড়া করতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয়নি। স্কোরবোর্ডে রান না থাকলে বোলারদের কাজ কঠিন হয়। আর যদি হর্ষিত রানারা ক্রমাগত শর্ট বল করে যান, তাহলে বিপদ আরও বাড়ে। গতবছর অজিভূমে টেস্ট সিরিজে চরম ব্যর্থ হয়েছিল গম্ভীর ব্রিগেড। বছর ঘুরতে ওয়ানডেতেও কি সেই পরিস্থিতি হবে?
সর্বশেষ খবর
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!
-
বাড়বে স্ক্রিনের সংখ্যা! ভারতীয় সিনে ইন্ডাস্ট্রির উন্নতিতে একগুচ্ছ ঘোষণা কেন্দ্রের