২৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ভারত: ৬০১/৫ ডিক্লেয়ার্ড (মায়াঙ্ক-১০৮, কোহলি-২৫৪*, জাদেজা- ৯১)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৭৫ (মহারাজ ৭২, ডু প্লেসি ৬৪, অশ্বিন ৪-৬৯, উমেশ ৩-২৭), ১৮৯ (এলগার ৪৮, বাভুমা ৩৮, উমেশ ৩-২২, জাদেজা ৩-৫২)
ভারত ইনিংস-সহ ১৩৭ রানে জয়ী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম টেস্টে তবু লড়াই দিয়েছিলেন প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় টেস্টে সেটুকুও পারলেন না। একপেশে ম্যাচে ইনিংস-সহ ১৩৭ রানের বড় ব্যবধানে জিতল ভারত। ৩ ম্যাচের সিরিজে ২-০-র অপরাজেয় ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। সেই সঙ্গে ঘরের মাঠে টানা ১১টি সিরিজ জয়ের রেকর্ডও ভারতের দখলে চলে এল। একই সঙ্গে ভারতীয়দের মধ্যে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট সিরিজ জয়ের মালিক হলেন কোহলি। তিনি জিতলেন ১৩টি টেস্ট সিরিজ। এর আগে ধোনি ১২টি ও সৌরভ ৯টি টেস্ট সিরিজ জিতেছেন।

[আরও পড়ুন: কেন তাঁকে বিশ্বের সেরা উইকেটরক্ষক বলা হয়? ফের বোঝালেন ঋদ্ধিমান]

জয়ের জন্য এদিন প্রয়োজন ছিল দশটি উইকেট। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে জয়ের সম্ভাবনা প্রায় ছিলই না। দুরূহ ছিল ম্যাচ বাঁচানোও। পাহাড়প্রমাণ চাপ মাথায় নিয়ে মাঠে নেমে হতাশ করলেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। উমেশ, ইশান্ত, শামি, অশ্বিন এবং জাদেজাদের দাপটে ভারতকে খুব একটা বেগই দিতে পারলেন না তাঁরা।
দিনের শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকেন প্রোটিয়ারা। মারক্রাম, ডি ব্রুইন থেকে শুরু করে ফাফ ডু প্লেসি। কেউই দ্বিতীয় টেস্টে দাগ কাটতে পারলেন না। সকলেই, ভারতীয় বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করলেন। দলের অধিনায়ক তথা সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ফাফ ডু’প্লেসি করলেন মাত্র পাঁচ রান। ডি ব্রুইন করলেন ৮। উমেশ যাদবের বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে তাঁকে ফেরালেন ঋদ্ধিমান সাহা। ডু প্লেসির ক্যাচটাও দুর্দান্ত ভঙ্গিমায় নেন টিম ইন্ডিয়ার উইকেটরক্ষক। এলগার কিছুটা লড়াই দিলেও, শেষ পর্যন্ত তিনিও হার মানলেন। তাঁর সংগ্রহ ৪৮। মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ৪ উউকেটে ৭৪ রান। মধ্যাহ্নভোজনের পর পরপর তিনটি উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি কক ৫, বাভুমা ৩৮, এবং মুথুস্বামী ৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন।

[আরও পড়ুন: মহারাজ-ফিল্যান্ডারের জুটিতেও রক্ষা হল না, ভারতের থেকে অনেক পিছিয়ে প্রোটিয়ারা]

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার মহারাজ-ফিল্যান্ডার জুটি। জুটি বেঁধে ৫৬ রান তোলেন তাঁরা। ব্যক্তিগত ৩৭ রানের মাথায় ফিল্যান্ডারকে ফেরান উমেশ। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই পতন হয় রাবাডার উইকেটের। সবশেষে, ২২ রান করে আউট হন কেশব মহারাজ। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৮৯ রানে। ভারত জেতে ইনিংস-সহ ১৩৭ রানে। জয়ের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ভারতের পয়েন্ট দাঁড়াল ২০০। বিরাটদের ধারেকাছে আর কোনও দল নেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং