BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

IPL-এর মূল স্পনসর হওয়ার দৌড়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে টক্কর আরেক ভারতীয় সংস্থার

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: August 15, 2020 6:54 pm|    Updated: August 15, 2020 6:54 pm

An Images

‌সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ ‌মাঝে আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই দুবাইয়ে শুরু হয়ে যাবে চলতি বছরের আইপিএল। হ্যাঁ, অবশেষে। করোনা আবহে বারংবার স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর। এদিকে, চিনা ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থা VIVO‌ সরে দাঁড়ানোর পর IPL–এর মূল স্পনসর খোঁজাই লক্ষ্য বিসিসিআইয়ের (BCCI)। আর সেদিক থেকে শিকে ছিঁড়তে পারে কোনও ভারতীয় সংস্থারই। না রিলায়েন্স জিও বা আদানি গোষ্ঠী বা পতঞ্জলি নয়, সূত্রের খবর, দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে টাটা গ্রুপ। তবে পিছিয়ে অনলাইন অ্যাপ আনঅ্যাকাডেমিও।

[আরও পড়ুন: অবসর ভেঙে ফিরে আসুক যুবরাজ, এমনটাই চাইছে পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন]

শুক্রবারই ছিল বিড পেপার জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আর সেদিনই টাটা গ্রুপ এবং আনঅ্যাকাডেমি দুই সংস্থাই বিড পেপার জমা দেয়। এদিকে, বাকি সংস্থাগুলোও ইতিমধ্যে বিড পেপার জমা দিয়েছে। তবে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পাল্লা ভারী টাটা গ্রুপেরই। কারণ বোর্ড কোনও চিনা সংস্থার সঙ্গে কোনওভাবে যুক্ত নয়, এমন কোনও সংস্থাকেই আইপিএল–এর মূল স্পনসর হিসেবে চাইছে। আর তাই অনেকেরই পছন্দ টাটা গ্রুপ। আর এই একই কারণে বাদ যেতে পারে বাইজু বা ড্রিম ইলেভেনের মতো সংস্থা। তবে সমস্ত জল্পনার অবসান হবে আগামী ১৮ আগস্ট। ওদিনই স্পনসরের নাম ঘোষণা করতে পারে বিসিসিআই। এদিকে, ইতিমধ্যেই ক্রেড এবং আন অ্যাকাডেমি IPL-এর কো-স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এজন্য তারা বছরে ষাট কোটি টাকা দেবে বোর্ডকে। 

[আরও পড়ুন: ‘মিয়াঁদাদের মাথা খারাপ হয়েছে’, ইমরানের পাশে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারকে তুলোধোনা মদনলালের]

অন্যদিকে, VIVO সরে দাঁড়ানোর কথা জানাতেই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই টুর্নামেন্টের মূল স্পনসর হওয়ার দৌড়ে ভেসে ওঠে একাধিক নাম। সেই তালিকায় জিও (Jio) যেমন ছিল, তেমনই ছিল ভারতীয় টিমের স্পনসর বাইজুসও। আমাজন (Amazon) এবং কোকাকোলার (Coca Cola)‌ নামও শোনা গিয়েছিল। স্পনসরের দৌড়ে ছিল আদানি গ্রুপও। এছাড়া উঠে আসে বাবা রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলির নামও। তবে একদম পিছন থেকে এসে দৌড়ে সবাইকে টেক্কা দেওয়ার পথে কিন্তু টাটা গ্রুপ। যদিও মূল স্পনসর হলেও কেবল পাঁচ মাসই চুক্তি করা হবে সংস্থাটির সঙ্গে। কারণ সরে দাঁড়ালেও VIVO‌–র সঙ্গে এখনও চুক্তি বর্তমান। এই পরিস্থিতিতে তা কেবল স্থগিত রাখা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement