Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
কেভিন পিটারসেন

আইপিএলের হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়াবে দেশের অর্থনীতি! টুর্নামেন্টের পক্ষে সওয়াল প্রাক্তনদের

যেভাবেই হোক আইপিএল হওয়া উচিত, মত কেভিন পিটারসেনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২০, ১১:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২০, ১১:০৯

options
link
আইপিএলের হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়াবে দেশের অর্থনীতি! টুর্নামেন্টের পক্ষে সওয়াল প্রাক্তনদের zoom

স্টাফ রিপোর্টার: এপ্রিল-মে মাসে সম্ভব না হলে জুলাই-অগস্ট। কিন্তু যখনই হোক, যত ছোট করেই হোক, আইপিএল করা উচিত। শুধু তাই নয়। করোনা প্রভাব শেষে ভারতীয় অর্থনীতির প্রত্যাবর্তন মঞ্চ হিসেবে আইপিএলকেই ব্যবহার করা দরকার।অন্য কারও নয়। এ হেন মন্তব্য ভারত ও ইংল্যান্ডের দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জরেকর এবং কেভিন পিটারসেনের (Kevin Pietersen)।

Sanjay-Manjrekar

Advertisement

গত ২৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল আইপিএলের। কিন্তু করোনা প্রকোপের জেরে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে মেগা টুর্নামেন্ট। মাঝে একের পর এক বিশ্ব ইভেন্ট স্থগিত হয়ে গিয়েছ। যত দিন যাচ্ছে, তত আইপিএল হওয়ার সম্ভাবনা কমছে ক্রমশ। যতদূর যা খবর, তাতে দেশজুড়ে চলা লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত কোনও কিছু ঠিক করার অবস্থায় নেই ভারতীয় বোর্ড। শোনা গেল, লকডাউন উঠলেও আইপিএল করা যাবে কি না বা করলেও সেটা কতটা পূর্ণাঙ্গ ভাবে করা সম্ভব- সেটাও দ্রষ্টব্য। কারণ লকডাউন আগামী ১৫ এপ্রিল উঠে গেলেও এয়ারপোর্ট কত দিন বন্ধ রাখা হবে, কোনও ঠিক নেই। তা ছাড়া শুধুমাত্র ভারত নয়। বিদেশেও বহু এয়ারপোর্ট বন্ধ। সেটা হলে বিদেশি ক্রিকেটাররা আসবেন কীভাবে?

[আরও পড়ুন: কার সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্যাট করতে পছন্দ করেন বিরাট কোহলি? ফাঁস করলেন নিজেই]

কিন্তু পিটারসেনদের তবু মনে হচ্ছে, যে করে হোক আইপিএলটা করা উচিত। সেটা যদি জুলাই-অগস্ট মাসে হয়, অসুবিধে নেই। স্টার স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে কেপি বলেছেন, “হোক না জুলাই-অগস্ট। তবু হোক আইপিএল। ছোট করে হলেও হোক। আইপিএল দিয়েই ক্রিকেট মরশুম শুরু করা উচিত। বিশ্বের প্রতিটা ক্রিকেটার আইপিএল খেলতে মুখিয়ে আছে। এতে তো অর্থনৈতিক লাভও আছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে কিছু টাকাপয়সা আসবে। দেশের অর্থনীতিতে কিছু টাকা ঢুকবে।”

[আরও পড়ুন: ‘২০১১ বিশ্বকাপে বোলিংয়ের শচীন তেণ্ডুলকর ছিলেন’, প্রাক্তন পেসারের প্রশংসায় রায়না]

কীভাবে করা যেতে পারে আইপিএল? পিটারসন একটা নকশাও ছকে দিয়েছেন।
১) তিন থেকে চার সপ্তাহে শেষ করে দেওয়া হোক টুর্নামেন্ট।
২) তিনটে কেন্দ্রে টুর্নামেন্টটা হোক। যে কেন্দ্রগুলো তুলনামূলক ভাবে নিরাপদ।
৩) স্টেডিয়াম দর্শকশূন্য করে হোক আইপিএল।

“সমর্থকদের এই ঝুঁকির মুখে ফেলারই কোনও প্রয়োজন নেই,” বলে দিয়েছেন পিটারসেন। সঞ্জয় মঞ্জরেকরও একই মতাদর্শী। “সরকারের থেকে অনুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইপিএল করা উচিত,” বলে দিয়েছেন মঞ্জরেকর। সঙ্গে যোগ করেছেন, “আর আইপিএল মানে তো শুধু বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনি নয়। আইপিএলের উপর প্রচুর লোকের রুজি রোজগার নির্ভর করে। তাই আইপিএল শুরু করলে দেশের অর্থনীতির বাজারটাও শুরু হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.