Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
জাহির খান সুরেশ রায়না

‘২০১১ বিশ্বকাপে বোলিংয়ের শচীন তেণ্ডুলকর ছিলেন’, প্রাক্তন পেসারের প্রশংসায় রায়না

কার কথা বলছেন বিশ্বজয়ী তারকা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২০, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২০, ১৭:৪৪

options
link
‘২০১১ বিশ্বকাপে বোলিংয়ের শচীন তেণ্ডুলকর ছিলেন’, প্রাক্তন পেসারের প্রশংসায় রায়না zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৯ বছর পেরিয়েছে। তারপর কেটে গিয়েছে দুটি বিশ্বকাপ। আজও ২০১১ বিশ্বকাপের স্মৃতিতে মশগুল টিম ইন্ডিয়ার একসময়ের তারকা ক্রিকেটার সুরেশ রায়না (Suresh Raina)। বিশ্বজয়ের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে সেই বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা পেসার জাহির খানের প্রসংশায় পঞ্চমুখ হলেন রায়না। বললেন, ২০১১ বিশ্বকাপে জাহির ছিলেন বোলিংয়ের শচীন তেণ্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) মতো।

Zak

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের পাশে দাঁড়ান, যুবি-ভাজ্জির কাছে আরজি দানিশ কানেরিয়ার]

২০১১ বিশ্বকাপে ভারতের তো বটেই, গোটা টুর্নামেন্টেরই অন্যতম সেরা পেসার ছিলেন জাহির। অধিনায়ক ধোনির যখন উইকেটের প্রয়োজন হয়েছে, তিনি জাহিরের হাতে বল তুলে দিয়েছেন। আর মাহিকে কখনও হতাশ করেননি জ্যাক। নতুন বলে সুইং হোক বা পুরনো বলে রিভার্স সুইং, সবেতেই সেবারের টুর্নামেন্টে চমকে দিয়েছেন জাহির (Zaheer Khan)। যুগ্মভাবে টুর্নামেন্টের সেরা উইকেট শিকারিও হয়েছেন। পাকিস্তানের আফ্রিদি আর জাহির দুজনেই পান ২১টি করে উইকেট। ৯ ম্যাচে জাহিরের গড় ছিল ১৮.৭৬। অথচ, এ হেন পারফরম্যান্সের পরও সেভাবে প্রশংসা পাননি জাহির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: কার সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্যাট করতে পছন্দ করেন বিরাট কোহলি? ফাঁস করলেন নিজেই]

সেকথাই ৯ বছর পর মনে করালেন রায়না। তিনি এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলছেন,”ওই বিশ্বকাপে আমরা যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, সেটাই সঠিক সিদ্ধান্তে পরিণত হয়েছে। জাহির ভাই আমাদের বোলিং বিভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। সবাই তো আমাদের ব্যাটিং লাইন-আপ নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু আমি বলব জাহির আমাদের বোলিং বিভাগের শচীন তেণ্ডুলকর ছিলেন। যখনই প্রয়োজন হয়েছে উইকেট তুলে দিয়েছেন।” জাহিরের পাশাপাশি অবশ্য যুবরাজেরও প্রশংসা করেন রায়না। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান যুবরাজেরই। উল্লেখ্য, ২০১১ বিশ্বকাপ দলের অঙ্গ ছিলেন রায়না। টুর্নামেন্টের প্রথম দিকে সুযোগ না পেলেও কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সেমিফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩৬ আর সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৮ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ দুই ইনিংস ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকরা আজও মনে রেখেছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.