স্টাফ রিপোর্টার: টোয়েন্টি টু ইয়ার্ডসে তাঁকে দেখে অনেককেই চমকে গিয়েছিলেন। বাবার মতো তিনিও লেগ স্পিনার। একটা সময় মধ্যপ্রদেশের হয়ে রনজি খেলেছেন। কিন্তু তিনি কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটে কী করছেন?
ইনি নরেন্দ্র হিরওয়ানির ছেলে মিহির হিরওয়ানি। জেসি মুখার্জি টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে কলকাতা ক্লাব ক্রিকেট যাঁর অভিষেক হল কালীঘাটের হয়ে। এর আগে বিভিন্ন রাজ্যের ক্লাব ক্রিকেটে খেলেছেন মিহির। চেন্নাই, মুম্বইয়ের ক্লাব ক্রিকেটে খেলেছেন। গতবার ত্রিপুরার ক্লাবে হয়ে খেলেছিলেন। ত্রিপুরার রাজ্য দলের হয়ে খেলাও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ ত্রিপুরা স্বপ্নিল সিংকে টিমে নেয়।
অবশ্য কালীঘাটের হয়ে নয়, মিহিরের খেলার কথা ছিল শিবপুর ক্লাবে। শিবপুরের তরফ থেকেই যোগাযোগ করা হয়েছিল মিহিরের সঙ্গে। ময়দানে কালীঘাটে মাঠে প্র্যাকটিস হয় শিবপুরের। সেখানেই মনোজ তিওয়ারিকে দেখতে পান মিহির। সোজা চলে যান মনোজের কাছে। হিরওয়ানি-পুত্রকে দেখে অবাক হয়ে যান বাংলার প্রাক্তন অধিনায়কও। তখনই মনোজ জানতে পারেন হিরওয়ানি এসেছেন ক্লাব ক্রিকেট খেলতে। মিহির আবার মনোজের থেকে এখানকার ক্লাব ক্রিকেট সম্পর্কে জানতে চান। সেখানে শোনেন কালীঘাট কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ক্লাব। টিম খেলে প্রিমিয়ারে। সেটা শোনার পরই কালীঘাটের হয়ে খেলার ইচ্ছে প্রকাশ করেন হিরওয়ানি-পুত্র। কারণ তিনি চাইছিলেন কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলতে। মনোজও রাজি হয়ে যান। মনোজ বলছিলেন, “কোয়ালিটি বোলার। সবচেয়ে বড় কথা হল অভিজ্ঞ। ওর অভিজ্ঞতা টিমের কাজে লাগবে।”
ক্লাব ক্রিকেটের শুরুটাও ভালো হল মিহিরের। তপম মেমোরিয়ালের বিরুদ্ধে তিনটে উইকেট নিলেন। কালীঘাটও জিতল। হিরওয়ানি সিএবির ভিশন প্রোজেক্টে ছিলেন। কলকাতা ক্লাব ক্রিকেটে খেলতে আসার আগে নিশ্চয় বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে? মিহির বলছিলেন, “বাবা এখন অস্ট্রেলিয়ায়। খুব বেশি কথা হয়নি। কলকাতার ক্লাবে খেলব, সেটা জানাই। এখানকার ক্লাব ক্রিকেটের স্ট্যান্ডার্ড খুব ভালো। এর আগেও আমি অনেক রাজ্যের ক্লাব ক্রিকেটে খেলেছি। কিন্তু এখানকার কোয়ালিটি খুব ভালো। প্রচুর কোয়ালিটি ক্রিকেটার রয়েছে। আমার দারুণ লাগছে।”
বোলিং নিয়ে বাবার সঙ্গে প্রায়শই কথা হয়। কোনও ভুল হচ্ছে কিনা, সেটা জেনে নেন। হিরওয়ানি-পুত্রের কথায়, “বাবার সঙ্গে সবসময়ই খেলা নিয়ে কথা বলি। চেষ্টা করি নিজের বোলিংকে আরও উন্নত করার। গতবার ত্রিপুরার ক্লাব ক্রিকেটে খেলেছিলাম। ত্রিপুরার হয়ে খেলারও কথা ছিল। শেষপর্যন্ত সেটা হয়নি। এর আগে কলকাতা ক্লাব ক্রিকেট সম্পর্কে শুনেছি। অনেক ভালো ভালো ক্রিকেটার এখানে খেলে গিয়েছেন। এখানে এসে দেখলাম পরিবেশ দারুণ। আশা করি কালীঘাটের হয়ে সেরাটা উজাড় করে দিতে পারব।”
সর্বশেষ খবর
-
‘অবিবাহিত’ প্রেমিকের বাড়িতে স্ত্রী-মেয়ে-জামাই! চক্ষু চড়কগাছ প্রেমিকার, প্রতিবাদ করায় ‘খুনের চেষ্টা’
-
ক্রিকেট কেরিয়ারের দুঃসময় ভুলে বিয়ের পিড়িতে রিঙ্কু, চূড়ান্ত দিনক্ষণ
-
আপাতত ফাঁকাই থাকবে বিধানসভার দ্বিতীয় শীর্ষ পদ! অথৈ জলে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন
-
আইএফএ শিল্ডের সম্ভাব্য সূচি ঘোষিত, কবে কথায় নামছে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল?
-
ইচ্ছামতো দাম নয়! পাইকারী বাজারে চিনির মূল্য বেধে দিল রাজ্য, মিলবে সুফল বাংলাতেও