Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Handshake row

টসের আগে করমর্দন হয়েছিল! বিশ্বকাপের ‘হ্যান্ডশেক’ বিতর্ক নিয়ে বিস্ফোরক পাক অধিনায়ক

গত বছর এশিয়া কাপ চলাকালীন ক্রিকেটের থেকেও বেশি চর্চা হয়েছিল হ্যান্ডশেক বিতর্ক নিয়ে। পহেলগাঁও হামলার পর থেকে পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৫:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৫:২৩

options
link
টসের আগে করমর্দন হয়েছিল! বিশ্বকাপের ‘হ্যান্ডশেক’ বিতর্ক নিয়ে বিস্ফোরক পাক অধিনায়ক zoom
ফাইল ছবি।

গত বছর এশিয়া কাপ চলাকালীন ক্রিকেটের থেকেও বেশি চর্চা হয়েছিল হ্যান্ডশেক বিতর্ক নিয়ে। পহেলগাঁও হামলার পর থেকে পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সেই নিয়ে এশিয়া কাপে একের পর এক নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আবারও সেই বিতর্ক উসকে দিল পাকিস্তান। এবার পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা দাবি করলেন, টসের আগে আর পাঁচটা সাধারণ ম্যাচের মতোই সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল। হয়েছিল করমর্দনও।

গত বছরের সবচেয়ে বড় ক্রিকেটীয় বিতর্ক ছিল এই করমর্দনকে ঘিরে। পহেলগাঁও হামলার পর এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল ভারত। কিন্তু প্রথামাফিক বিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাননি ক্রিকেটাররা। সূর্যকুমার যাদবদের এহেন আচরণে ক্ষিপ্ত হয়ে ম্যাচ বয়কটের ডাক দেয় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত দুই দল করমর্দন না করলেও খেলতে নামে। এই ঘটনার পর থেকে মহিলাদের বিশ্বকাপ, অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ-কোনও টুর্নামেন্টেই পাক দলের সঙ্গে হাত মেলায়নি ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রথম করমর্দন বয়কটের আগে ঠিক কী হয়েছিল? এক পডকাস্টে পুঙ্খানুপুঙ্খ সেই ঘটনার বর্ণনা দিলেন পাক অধিনায়ক। তিনি দাবি করলেন, “শুরুর দিকে ওই ম্যাচটা সাধারণ ম্যাচের মতোই ছিল। আগে সাংবাদিক সম্মলেন হয়েছিল। করমর্দন হয়েছিল। ট্রফির জন্য শুট হয়েছিল। সেখানেও করমর্দন হয়েছিল। এমনকী টস করতে যাওয়ার সময়ও আমি জানতাম না এরকম কিছু হবে।”

তাহলে কখন জানলেন ভারত করমর্দন করবে না? আঘার কথায়, “আমি টস করতে গেলাম। তখন আমাকে ম্যাচ রেফারি পাশে ডেকে বললেন, দেখো এখানে কোনও করমর্দন হবে না। সেটা খেয়াল রেখ। আমিও বললাম, বেশ। করমর্দন করতেই হবে এমন কোনও জোরজবরদস্তি নেই।” আঘার কথায়, “ম্যাচের পর আমরা ওদের দিকে করমর্দন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেটা ওরা করেনি। আমার মনে হয় না এটা ভালো ব্যাপার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.