BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

গোলাপি বলে বাজিমাত করতে এভাবেই অনুশীলন করছে বাংলাদেশ

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: November 19, 2019 4:42 pm|    Updated: November 19, 2019 4:42 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ দলের স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেত্তোরির গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তিনি জানেন, এই বলে বল করতে গেলে স্পিনাররা কতটা অসুবিধায় পড়ে। তাই ইন্দোরে স্পিনারদের হাতে তিনি তুলে দেন জলের বালতিতে রাখা ভেজা বল। সেই বল নিয়ে নেটে ঘণ্টা তিনেক প্র‌্যাকটিস করলেন মিরাজরা। ইডেনে নেমেও এবাবে প্র‌্যাকটিস চলবে। শোনা গেল, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁরা ইডেনে প্র‌্যাকটিসে নামবেন। তা হলে টেস্ট শুরুর আগে তাঁরা তিনটি সেশন পাবেন। এবং তার মধ্যে নিজেদের তৈরি করে নিতে পারবেন।

তিনদিনে ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার পর রবিবার দলের অপশনাল প্র‌্যাকটিস ছিল। কিন্তু সোমবার পুরো দল মাঠে নেমে পড়ে। আর সেখানেই চমক। ভারতীয় দলের মতো বাংলাদেশও মনে করছে, এই বলে গোধূলি লগ্নে খেলা কঠিন। কারণ, তখন আলো পুরোপুরি পাওয়া যাবে না। সূর্যাস্তের সময় আলো কমে যায়। ফ্লাডলাইট জ্বলে। এই সময় নিজেদের মানিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এটা অ্যাডজাস্ট করেত পারলে গোলাপি বলে খেলা সমস্যা হবে না। তাই এই সময় ইন্দোরের মাঠে প্র‌্যাকটিস করল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ প্র‌্যাকটিসের শেষে বলেন, লাল বলের সঙ্গে গোলাপির ফারাক তো আছেই। নেটে ব্যাট করে দেখলাম, পেসাররা বেশি সুইং পাচ্ছে। বাউন্সও পাচ্ছে। এর সঙ্গে ব্যাটসম্যানদের মানিয়ে নেওয়া কঠিন। আমি নিজে ব্যাট করে দেখলাম। পেসাররা সুবিধা পাচ্ছে। বলের গতিও বাড়ছে। আমরা সবে শুরু করলাম। এরপর হয়তো মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে না।” ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নেটে বলও করেছেন মিরাজ। স্পিনার মিরাজের মতে, বল ভিজে যাওয়ার পর গ্রিপ করতে সমস্যা হচ্ছে। সে সাদা বলের ক্রিকেটেও হয়। এখানে স্পিন হচ্ছে না। বল স্কিট করছে। পেসারদের মতো বাউন্সও পাওয়া যাচ্ছে।

[আরও পড়ুন: উঠছে অব্যবস্থার অভিযোগ, সাধারণের জন‌্য আর টিকিট নেই গোলাপি টেস্টের ইডেনে]

ভিজে বলে সমস্যা হবে জেনে ভেত্তোরি জলের বালতিতে আগে থেকে বল রেখে দিয়েছিলেন। স্পিনাররা নেটে আসতে তাদের হাতে সেই বল তুলে দেওয়া হয়। তারপরই এমন পরীক্ষা। দলের পেসার আবু জাহেদও জানিয়ে দিলেন, “গোলাপি বল সুইংয়ের পাশে স্কিটও হচ্ছে। বল বেশি ডিক করে। গোলাপি বলে এটা বেশি হচ্ছে। সুইং বেশি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখাও কঠিন কাজ। সেটা দেখতে হবে। বাইশ গজে লাইন ধরে রাখাও আমাদের কাছে অবশ্যই চ্যালেঞ্জের। লাইন ঠিক রাখতে না পারলে বল করে লাভ কি! তাই লাল বলের থেকে গোলাপি বলে নিজেদের সামনে নিয়ে আসা বড় পরীক্ষা। তার উপর আমরা ইডেনে খেলব। এটাও স্বপ্নের মতো। সেই মাঠে নামার অপেক্ষায় আমরা সবাই।”

[আরও পড়ুন: মাঠের মধ্যেই সতীর্থকে মারধর, নির্বাসনের মুখে বাংলাদেশের ক্রিকেটার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement