২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার দ্বিতীয় টেস্টে যখন ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন মহম্মদ শামি, ঠিক তখনই আলিপুরের অতিরিক্ত মুখ্য দায়রা আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। জন্মদিনের ঠিক আগের দিন যে খবর নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা ভারতীয় পেসারের জন্য। বধূ নির্যাতন মামলায় আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে (বিসিসিআই) পাশে পাচ্ছেন শামি।

সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে বাংলার পেসারের পারফরম্যান্সে খুশি বিসিসিআই। মঙ্গলবার টুইট করে শামিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানিয়েছে তারা। সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে বোর্ড। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক বোর্ড আধিকারিক জানিয়ে দেন, চার্জশিট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত শামিকে নিয়ে কোনওরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমরা জানি যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এর মধ্যে ঢোকার কোনও মানে নেই। চার্জশিট দেখার পর সিদ্ধান্ত নেব, কীভাবে এগোতে হবে না হবে। বিসিসিআইয়ের নিয়ম মেনেই পদক্ষেপ করা হবে। তবে এখনই এর ব্যাপারে কিছু বলা ঠিক হবে না।”

[আরও পড়ুন: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষে ভারত, নজির কোহলির]

গত বছর শামির বিরুদ্ধে ক্রিকেটে গড়াপেটায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছিলেন স্ত্রী হাসিন জাহান। তদন্ত চলাকালীন শামির চুক্তি আটকে দিয়েছিল বিসিসিআইয়ের প্রশাসনিক কমিটি (সিওএ)। এপ্রসঙ্গে বোর্ড আধিকারিকের বক্তব্য, “সেই বিষয়টা অন্যরকম ছিল। তখন ওঁর বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছিল। তখন সিওএ যা ঠিক মনে করেছে, তাই করেছে। দুর্নীতি দমন শাখা প্রধান নীরাজ কুমার বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর ক্লিনচিট পান শামি। তারপরই তাঁর সঙ্গে চুক্তি হয়। এক্ষেত্রে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ উঠেছে শামির বিরুদ্ধে। তাই এখনই ওঁর চুক্তি বাতিল করার মতো কিছু হয়নি। আমি নিশ্চিত, দেশে ফিরে শামি আদালতের নির্দেশ মেনেই কাজ করবে।”

গতবছর স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক, বৈবাহিক ধর্ষণ, গার্হস্থ্য হিংসার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন হাসিন। এমনকী শামির দাদার বিরুদ্ধেও ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। তবে বরাবরই নিজের উপরে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শামি। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় শামি ও তাঁর দাদার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়৷ কিন্তু তারপর থেকে একবারও আলিপুরের অতিরিক্ত মুখ্য দায়রা আদালতে হাজিরা দেননি শামি৷ সেই কারণেই জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা৷ মঙ্গলবারই শেষ হয়েছে ক্যারিবিয়ান টেস্ট। এবার দেখার, দেশে ফিরে শামি কী করেন।

[আরও পড়ুন: টেস্ট ক্রিকেটে নয়া রেকর্ড ঋষভ পন্থের, টপকে গেলেন ধোনিকে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং