Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Rajasthan

অনলাইন ক্লাসের জন্য রোজ পাহাড়ে চড়‌তে হয়, ১২ বছরের হরিশকে কুর্নিশ শেহওয়াগের

কিশোরের লড়াইয়ের পাশে থাকতে চান প্রাক্তন ভারতীয় তারকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২০, ১৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২০, ১৩:৪২

options
link
অনলাইন ক্লাসের জন্য রোজ পাহাড়ে চড়‌তে হয়, ১২ বছরের হরিশকে কুর্নিশ শেহওয়াগের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ গোটা গ্রামে ফোনের নেটওয়ার্ক নেই। তা একমাত্র পাওয়া যায় উঁচু পাহাড়টায় উঠলে। আর তাই লকডাউনের মাঝেই অনলাইন ক্লাস করতে প্রত্যেকদিন সকাল আটটায় পাহাড়ে ওঠা এবং বেলা দু’‌টোয় নিচে নেমে আসা। এটাই রাজস্থানের (Rajasthan) বারমারের পাঁচপাদরা গ্রামের বাসিন্দা বছর বারোর হরিশের রোজনামচা!‌ ফোনে নেটওয়ার্ক পেতে উঁচু পাহাড়ে উঠেই ক্লাস করে সে। সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় পড়াশোনার জন্য হরিশের এই অদম্য লড়াইয়ের কাহিনী ভাইরাল হয়েছে। টুইটারে তা শেয়ার করেছেন খোদ প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেহওয়াগ (Virender Sehwag)।

[আরও পড়ুন: মানবিকতার দৃষ্টান্ত, পাখির বাসা বাঁচাতে টানা ৩৫ দিন অন্ধকারে তামিলনাড়ুর গোটা গ্রাম] 

করোনার কারণে স্কুল বন্ধ। ফলে অনলাইন ক্লাসই এখন ভরসা পড়ুয়াদের। তবে ফোনে নেটওয়ার্ক থাকা প্রয়োজন। আর এখানেই সমস্যায় পড়ে হরিশ। শেষপর্যন্ত পাহাড়ে উঠে ক্লাস করার বিষয়েই মনস্থির করে ফেলে সে। কারণ তাঁর মতে, ক্লাস করতে না পারলেই পিছিয়ে পড়বে সে। আর তাই প্রত্যেকদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়ে সে। টেবিল–চেয়ার, বই–খাতা হাতে নিয়েই আট’‌টার মধ্যে পাহাড়ে ওঠে। দুপুর দু’‌টো পর্যন্ত ক্লাস করে ফের নেমে আসে। গত ৩৪ দিন ধরে এভাবেই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে আইএএস (IAS) হওয়ার স্বপ্ন দেখা জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ের ছাত্র হরিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিজ্ঞাপন নয়, সংবাদপত্রের সঙ্গে বিনামূল্যে মাস্ক দিয়ে সচেতনতা প্রচার কাশ্মীরের পত্রিকার]

আর এই হরিশের ছবিই টুইটারে শেয়ার করেন শেহওয়াগ। এমনকী পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। বীরু লেখেন, ‘হরিশ নামে রাজস্থানের বারমারের এক ছাত্র অনলাইন ক্লাসের জন্য নেটওয়ার্ক পেতে একটি পাহাড়ে ওঠে। সকাল আটটা থেকে দুপুর দু’‌টো পর্যন্ত ক্লাস করে বাড়ি ফেরে। হরিশের এই লড়াই যথেষ্ট প্রশংসনীয়, প্রয়োজনে তাকে সাহায্য করতে চাই।’‌ এরপরই ভাইরাল হতে থাকে শেহওয়াগের এই পোস্ট। নেটিজেনরাও আইএএস হওয়ার স্বপ্ন দেখা হরিশের এই অদম্য লড়াইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.