Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬

ফরাসি বিপ্লবে বেসামাল বেলজিয়াম, বিশ্বকাপের ফাইনালে অ্যাসটেরিক্সের দেশ

ফরাসি বিপ্লবেই স্বপ্নভঙ্গ হল টিনটিনের দেশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৩:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৩:৩০

options
link
ফরাসি বিপ্লবে বেসামাল বেলজিয়াম, বিশ্বকাপের ফাইনালে অ্যাসটেরিক্সের দেশ zoom

ফ্রান্স- ১ (উমতিতি)

বেলজিয়াম- ০

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাস গড়তে পারল না বেলজিয়াম। বিশ্বকাপে থামল তাদের বিজয়রথ। ফরাসি বিপ্লবেই স্বপ্নভঙ্গ হল টিনটিনের দেশের। তাদের হারিয়ে সেমিফাইনালে শেষ হাসি হাসল দিদিয়ের দেশঁর ফ্রান্স। বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয়বারের জন্য বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছল লেস ব্লুজ। গত দুই দশকে তিনবার ফাইনাল। এক অনন্য রেকর্ড। আরও এক রেকর্ডের সামনে ফ্রান্সের কোচ দেশঁ। একইসঙ্গে অধিনায়ক ও কোচ হিসাবে বিশ্বকাপ জিততে তাঁর সামনে বাধা আর মাত্র একটা ম্যাচ। ফাইনালে জিতলেই ফ্রান্জ বেকেনবাউয়ারদের দলে নাম লেখাবেন তিনি। অধিনায়ক ও কোচ হিসাবে তিনিই হবেন বিশ্বকাপ জয়ী তৃতীয় ব্যক্তি।

[জল্পনার অবসান, রিয়াল ছেড়ে জুভেন্তাসেই যাচ্ছেন রোনাল্ডা]

বেলজিয়ামের দুরন্ত গতির ফুটবলকে মাত দিতে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে এদিন খেলল ফ্রান্স। কয়েক শতাব্দী আগে বেলজিয়ামের উপকণ্ঠেই ওয়াটারলু-র যুদ্ধেই ফরাসি একনায়ক নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বিজয়রথ থেমে গিয়েছিল। প্রবল পরাক্রমী নেপোলিয়ন পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে সেন্ট পিটার্সবার্গের স্টেডিয়ামে প্রবল পরাক্রমী বেলজিয়ানদের আক্রমণের ঝড় স্রেফ বুদ্ধি দিয়ে রুখে দিল ফ্রান্সের শক্ত ডিফেন্স। প্রথমার্ধে খেলা শুরু হতেই ফরাসি বক্সে হ্যাজার্ড, লুকাকুদের লাগাতার আক্রমণ দেখে মনে হচ্ছিল দেশঁর দলের ধরাশায়ী হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু ফরাসি গোলকিপার হুগো লরিসের অসামান্য কিছু সেভ খেলায় বাঁচিয়ে রাখে ফ্রান্সকে। তারপরই ধীরে ধীরে খেলায় ফিরতে থাকে ফ্রান্স। প্রথমার্ধেই গোল করে দিতে পারত ফ্রান্স। যদি না ফরোয়ার্ড ওলিভিয়ের জিরু একাধিক সুয়োগ নষ্ট না করতেন। গোটা বিশ্বকাপে ৬টি ম্যাচ খেলে একটাও গোল আসেনি তাঁর থেকে। তবুও তাঁকে খেলিয়ে আস্থা দেখিয়েছেন কোচ। কিন্তু জিরু এদিন ঝোলালেন। অন্যদিকে, অনেকটাই সপ্রতিভ ছিলেন গ্রিজম্যান ও এমবাপে। বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেন তাঁরা। একটা সময় ফরাসি মিডফিল্ডার কান্তে গোলো এবং পল পোগবা বেলজিয়ানদের বেশ নাকানিচোবানি খাওয়ালেন। দুই দলের মাঝমাঠে তফাৎ গড়ে দেন এই দুজনই।

[বিশ্বকাপে সমর্থনের যুদ্ধেও ক্লাবের কাছে হারছে দেশ]

ফ্রান্সের পরিশ্রম কাজে এল দ্বিতীয়ার্ধে। কর্নার থেকে উমতিতির হেডার। ফরাসি ডিফেন্ডারের বিশ্বমানের গোলে এগিয়ে যায় গ্রিজম্যানরা। গোল খেয়ে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো বাকি অর্ধে একাধিক চেষ্টা করলেও গোলমুখ খুলতে ব্যর্থ হয় বেলজিয়ানরা। ৮৬’ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থানের লড়াইয়ে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল বেলজিয়াম। এদিন তাঁর বদলা নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল হ্যাজার্ডদের কাছে। কিন্তু তাঁরা ব্যর্থ হলেন। আশাহত করলেন বেলজিয়ান ফুটবলের সুবর্ণ প্রজন্মের ফুটবলাররা। বাজিমাত করল ফ্রান্স। জিদানদের উত্তরসূরিরা দেশকে ফের একবার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করে দিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.