২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

আফগানিস্তান: ১ (নাজারি)
ভারত: ১ (ডঞ্জেল)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইম শুরু হয়ে গিয়েছে। কর্নার কিক নিতে বল নিয়ে দৌড়লেন ব্রেন্ডন। তাঁর মাপা কিক থেকে হেডে বল আফগানিস্তানের জালে জড়িয়ে দিলেন ডঞ্জেল। আফগানিস্তানের প্রায় জেতা ম্যাচ মুহূর্তে হাত থেকে বেরিয়ে গেল। আর হারতে বসা খেলা ড্র করে আরও একবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যাওয়ার স্বপ্ন জিইয়ে রাখলেন সুনীল ছেত্রীরা। তবে চার ম্যাচেই জয় অধরা থাকায় মূলপর্বে যাওয়ার আশা বেশ ক্ষীণ ভারতের।

সন্দেশ জিঙ্ঘান আগেই চোটের কারণে বাদ পড়েছিলেন। আর শেষ মুহূর্তে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে দেশে ফিরে আসতে হয়েছে আনাসকে। মাঠে নামার আগে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসে জোর ধাক্কা লাগে ভারতীয় ফুটবলারদের। কিন্তু ভেঙে পড়লে তো চলবে না। মরণ-বাঁচন লড়াইয়ে নিজেদের উজার করে দিতে হবে। এই মন্ত্রেই ছেলেদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন কোচ ইগর স্টিমাচ। এদিন আনাস, থাপা ও মনবীর সিংয়ের জায়গায় দলে ঢুকেছিলেন প্রীতম কোটাল, ব্রেন্ডন ও প্রণয় হালদার। কাঙ্খিত তিন পয়েন্ট আসেনি ঠিকই, কিন্তু শেষ মুহূর্তে যেভাবে হারের মুখ থেকে দলকে বের করে আনলেন ডঞ্জেল, তাতেই বেঁচে রইল মূলপর্বে যাওয়ার স্বপ্ন। 

[আরও পড়ুন: আইপিএলে দলবদলের শেষদিনে চমক, রাজস্থান থেকে দিল্লি ক্যাপিটালসে রাহানে]

দুশানবকে হাতের তালুর মতোই চেনে আফগানিস্তান। তার উপর বাংলাদেশকে হারিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ফুটবলাররা। শুরু থেকে তাঁদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে সে ছবি ধরাও পড়ল। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমেই নাজারির দুর্দান্ত গোল এগিয়ে দেয় আনাউস দাস্তাগিভর দলকে। গোটা ম্যাচে তাঁদেরই আধিপত্য চোখে পড়ল। এমনকী প্রথমার্ধে একটি নিশ্চিত গোল বারে লেগে ফিরে আসে। এদিকে জঘন্য মিসপাসের খেসারত দিতে হল ভারতকে। বাংলাদেশের পর তুলনামূলক দুর্বল আফগানদের বিরুদ্ধেও অধরা জয়। ১৯ নভেম্বর ভারতের পরের ম্যাচ ওমানের বিরুদ্ধে। ডু অর ডাই ম্যাচে সুনীলরা কী করেন, সেদিকেই তাকিয়ে দেশবাসী।

[আরও পড়ুন: ইন্দোর টেস্টে দেড়শো রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস, নজির অশ্বিনের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং