Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
AFC Cup

যুবভারতীতে লিস্টন ঝড়ে উড়ে গেল বসুন্ধরা, এএফসি কাপে নক-আউটের দৌড়ে মোহনবাগান

বৃষ্টিভেজা যুবভারতীতে ধরাশায়ী বসুন্ধরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২২, ২১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২২, ২১:২৩

options
link
যুবভারতীতে লিস্টন ঝড়ে উড়ে গেল বসুন্ধরা, এএফসি কাপে নক-আউটের দৌড়ে মোহনবাগান zoom

মোহনবাগান: ৪ (লিস্টন ৩, উইলিয়ামস)
বসুন্ধরা কিংস: ০

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় মরশুমের সবচেয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী যেভাবে শহরজুড়ে তাণ্ডব দেখাল, ঠিক সেভাবেই যুবভারতীর বুকে সবুজ-মেরুন জার্সিতে দাপিয়ে বেড়ালেন বছর তেইশের গোয়ানিজ যুবক। যাঁর বাধভাঙা গতি তছনছ করে দিল ওপার বাংলা থেকে আসা বসুন্ধরা কিংসের (Bashundhara Kings) রক্ষণভাগকে। কথা হচ্ছে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) ফরওয়ার্ড লিস্টন কোলাসোর। যাঁর পায়ের জাদুতে এদিন যুবভারতীতে ধরাশায়ী হয়ে গেল বসুন্ধরা কিংস। মোহনবাগান জিতল ৪-০ গোলে। 

Advertisement

এদিন ম্যাচের শুরুটা শান্তভাবেই হয়েছিল। কিন্তু সেটা যে ঝড়ের পূর্বের স্থিতাবস্থা ছিল, তা হয়তো মাঠে বসে অনেকেই অনুধাবন করতে পারেনি। আকাশ শুরু থেকেই মেঘলা ছিল। খেলার শুরুর পর নেমে আসে কালবৈশাখী। খেলা শুরুর ১১ মিনিট পর ঝড়ো হাওয়ার জন্য সেই ম্যাচ স্থগিত করে দিতে হয়। প্রায় ৫০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর শুরু হয়।

[আরও পড়ুন: বড় হারে শুল্ক কমাল কেন্দ্র, একধাক্কায় অনেকটা কমছে পেট্রল-ডিজেলের দাম, স্বস্তি রান্নার গ্যাসেও]

কিন্তু এরপরই মাঠে ঝড় তোলেন লিস্টন (Liston Colaco)। পরপর গোল করে বসুন্ধরার কোমর ভেঙে দেন তিনি। তাঁর পা থেকে প্রথম গোলটি আসে ম্যাচের ২৪ মিনিটে। তারপর ৩৩ মিনিটে ফের গোল। প্রথমার্ধে মোহনবাগান এগিয়ে ছিল ২-০ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কিছুক্ষণ বাদে ফের অনবদ্য গোল করেন লিস্টন। গোয়ানিজ তারকার হ্যাটট্রিকই সবুজ-মেরুনের জয় নিশ্চিত করে দেয়। এরপর অবশ্য ৭৭ মিনিটে এসে বসুন্ধরার কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন ডেভিড উইলিয়ামস।

[আরও পড়ুন: শহরে ৯০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী! মেট্রো লাইনে গাছ ভেঙে ব্যাহত পরিষেবা, বন্ধ উড়ান]

এএফসি কাপের (AFC Cup) গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে অপ্রত্যাশিতভাবে গোকুলামের কাছে হেরে যাওয়ায় চাপে পড়ে গিয়েছিল মোহনবাগান।নক-আউটে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে জিততেই হত সবুজ-মেরুনকে। এই বড় জয়ে একদিকে যেমন মোহনবাগানের সুবিধা হল, অন্যদিকে তেমনি গোলপার্থক্যেও অনেকটা পিছিয়ে গেল বাংলাদেশের ক্লাবটি।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.