Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বারপুজো

লকডাউনের জেরে ঐতিহ্যে ছেদ, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানে বন্ধ বারপুজো

পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিষয়টি মেনে নিচ্ছে দুই প্রধান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২০, ১২:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২০, ১২:২২

options
link
লকডাউনের জেরে ঐতিহ্যে ছেদ, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানে বন্ধ বারপুজো zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ময়দানের চিরাচরিত বারপুজো এবার সম্ভবত বন্ধ হচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা করেছেন। তাঁর ঘোষণা করার পরেই ময়দান জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে জোর আলোচনা। তাহলে কি এবার ময়দানের বহু প্রাচীন রীতি বারপুজো হবে না? না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দুই প্রধানের কর্তারা ব্যাপারটাকে খোলা মনে মেনে নিচ্ছেন।

ময়দানে বারপুজো পয়লা বৈশাখে হওয়াই রীতি। ময়দানের ইতিহাসে এই পুজো বরাবর ক্লাবগুলোর কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব পায়। তাই এবারও ১৫ এপ্রিল বা পয়লা বৈশাখ এই পুজো হওয়ার কথা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করে দিয়েছেন, ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত গোটা দেশে লকডাউন থাকবে। এই সময়ের মধ্যে কোনও মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরোতে পারবেন না। পরিস্থিতি যদি বদলায় তাহলে ১৫ এপ্রিল লকডাউন উঠে যেতে পারে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বারপুজো করা যে সম্ভব হবে না, তা ধরেই নেওয়া যায়। আসলে করোনা ভাইরাসের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য ভেঙে চৌচির। তবে দুই প্রধানের কর্তারা ব্যাপারটাকে খোলা মনে মেনে নিচ্ছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা রুখতে ব্যবহার করুন ইডেন গার্ডেন্সের পরিকাঠামো, মমতাকে প্রস্তাব সৌরভের]

“মানুষের মঙ্গলের জন্য বারপুজো করা হয়। প্রধানমন্ত্রী লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছেন মানুষের মঙ্গলের জন্য। তাই ভাল কিছু হলে তাকে মানতে দোষ কোথায়? সার্বিক পরিস্থিতি মেনে নিতেই হবে। যদি শেষমেশ বারপুজো না হয় তাহলে আর কী করা যাবে।” বলেন মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস। ইস্টবেঙ্গল কার্যনির্বাহি কমিটির অন্যতম নেতা দেবব্রত সরকারের গলাতেও একই সুর। তিনি বলে দেন, “মানছি, করোনা নামক ভাইরাস ডিফেন্ডারের কাছে হয়তো আটকে যাবে বারপুজো। একটা কথা মানতেই হবে, সবকিছুর উর্ধ্বে মানুষের জীবন। সুস্থ থাকলেই তো খেলাধুলো, বাণিজ্য, সবকিছু চলবে।” সুতরাং মারণ ভাইরাসের জন্য ঐতিহ্যের সঙ্গে সমঝোতা করতেই হবে।

গোটা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বুধবার আবার তামিলনাড়ুতে মৃত্যু হয়েছে এক প্রৌঢ়ের। ফলে দেশবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে এবং আতঙ্ক না ছড়িয়ে বাড়িতে থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীরা।

[আরও পড়ুন: কোহলি থেকে শাস্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর লকডাউনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ক্রিকেট মহল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.