৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খুব বেশিদিন হয়নি তিলোত্তমাকে চিনেছেন-জেনেছেন। কিন্তু এরই মধ্যে বাঙালির ফুটবল প্রেম মন কেড়েছে মোহনবাগানের স্প্যানিশ তারকা ফ্রান গঞ্জালেসের। যার প্রতিফলন ঘটল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলেও। স্প্যানিশ হয়েও নিজের ফেসবুক প্রোফাইল এবং টুইটার হ্যান্ডেলে বাংলায় নাম লিখলেন বাগান মিডিও।

[আরও পড়ুন: ভারতের হুমকিতেই পাকিস্তানে খেলতে চাইছেন না মালিঙ্গারা! আজব যুক্তি ইমরানের মন্ত্রীর]

কলকাতায় পা রাখার পর থেকেই দু’টো নাম খুব শুনছেন। হোসে ব়্যামিরেজ ব্যারেটো আর সোনি নর্ডি। বাগান সমর্থকদের সঙ্গে কথা হলেই উঠে আসে এই নাম দুটি। কলকাতার ময়দানে তাঁদের খেলা চাক্ষুস না করলেও নাম দুটির সঙ্গে অত্যন্ত পরিচিত হয়ে উঠেছেন মোহনবাগানের স্প্যানিশ তারকা গঞ্জালেস। কলকাতা ও সমর্থকদের প্রতি দুই প্রাক্তন মোহনবাগানির ভালবাসার কথা জেনে আপ্লুত তিনি। তবে ব্যারেটো আর নর্ডি কেন এই ক্লাব আর তার সমর্থকদের ভালবেসে ফেলেছিলেন, তা বুঝতে এতটুকু অসুবিধা হচ্ছে না গঞ্জালেসের। কারণ তিনি দেখেছেন, দলকে উদ্বুদ্ধ করতে, উৎসাহ দিতে কীভাবে রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন মাঠে। কীভাবে প্রিয় তারকাকে দেখতে সাতসকালে অনুশীলনে ভিড় জমান সমর্থকরা। ডার্বিতে নিজের দলের জন্য কীভাবে তাঁরা গলা ফাটান। ফুটবলের প্রতি বাঙালির এই প্রেম, সবুজ-মেরুনের প্রতি এই আবেগ-উচ্ছ্বাস তাঁকে মোহিত করেছে। আর তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নাম বাংলায় লিখেই বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, সমর্থকদের প্রতি তিনি কতটা কৃতজ্ঞ।

[আরও পড়ুন: গ্রেপ্তারির উপর স্থগিতাদেশ, বধূ নির্যাতন মামলায় সাময়িক স্বস্তি শামির]

টুইটার এবং ফেসবুকে নিজের ইংরাজি নামের পাশে বাংলাতেও ‘ফ্রান গঞ্জালেজ’ লিখে রেখেছেন এই তারকা। যদিও কোনওটিই ভেরিফায়েড পেজ নয়। তবে সমর্থকদের দাবি, এই পেজ গঞ্জালেসেরই। প্রত্যেকেই বাগানের বিদেশির এমন কাজে অভিভূত। অনেকে লিখেছেন, শেষ কবে কোনও বিদেশি বাংলায় নিজের নাম লিখেছেন, মনে পড়ে না। গঞ্জালেসের প্রতি ভক্তদের সম্মান আর ভালবাসা যেন দ্বিগুণ হয়ে উঠেছে। আর এই ভালবাসাকে আঁকড়ে ধরেই আরও ভাল পারফর্ম করতে চান গঞ্জালেস।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং