Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

‘এক গ্লাস বিয়ার পান করুন’, জার্মানিকে হারিয়ে আবেগে ভাসছেন ইকুয়েডর কোচ

দুর্দান্ত জয়ের ফলে ইতিহাস গড়ে সেরা তৃতীয় দল হিসাবে পরের পর্বে জায়গা নিশ্চিত করল ইকুয়েডরও। ২০০৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে লাতিন আমেরিকার দেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ০৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ০৯:৩৬

options
link
‘এক গ্লাস বিয়ার পান করুন’, জার্মানিকে হারিয়ে আবেগে ভাসছেন ইকুয়েডর কোচ zoom
জার্মানি বধের নেপথ্যে ইকুয়েডরের আর্জেন্তিনীয় কোচ। ছবি সংগৃহীত।

এগিয়ে গিয়েও লজ্জার হার জার্মানির। নকআউটের আগে ইকুয়েডরের কাছে হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে হুলিয়ান নাগেলসম্যানের দল। যদিও চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের নকআউট নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। এবার দুর্দান্ত জয়ের ফলে ইতিহাস গড়ে সেরা তৃতীয় দল হিসাবে পরের পর্বে জায়গা নিশ্চিত করল ইকুয়েডরও। ২০০৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে লাতিন আমেরিকার দেশ। জার্মানি বধের নেপথ্যে তাদের কোচ। ঐতিহাসিক জয়ের পর আবেগে ভাসছেন তিনি।

অথচ ম্যাচের শুরুটা দেখে একবারের জন্য মনে হয়নি জার্মানির জন্য শেষপর্যন্ত এমন ট্র্যাজিক অপেক্ষা করছে। কিক অফের ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের মাথায় ফ্লোরিয়ান ভির্ৎজের দুরন্ত পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লেরয় সানে। বিশ্বকাপে জার্মানির হয়ে দ্বিতীয় গোলদাতা হিসাবে নজির গড়েছেন ৩০ বছরের এই ফুটবলার। পাশাপাশি এটাই তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ গোল। যদিও নজির গড়ে গোল করে লাভ হয়নি। গোল খাওয়ার পর এতটুকু জমি ছাড়েনি ইকুয়েডর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
গোল করে উল্লাস ইকুয়েডরের প্লাতার। ছবি সংগৃহীত।

দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ‘লা ট্রিকালার’রা। ৯ মিনিটে নিলসন অ্যাঙ্গুলো দূরপাল্লার শটে সমতায় ফেরে ইকুয়েডর। এরজন্য অনেকটাই জার্মান ডিফেন্সকে দায়ী করা যায়। গোটা প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর কোনও গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেনাল্টি পায় জার্মানি। যদিও ‘ভার’-এ ভাগ্যের সহায়তা পায়নি। ফলে পেনাল্টি বাতিল হয়। এই সিদ্ধান্তই যেন আরও চাগিয়ে দেয় ইকুয়েডরকে। জার্মানির মাঝমাঠকে ভোঁতা করে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে ইকুয়েডর।

৭৭ মিনিটে কর্নার পায় হলুদ জার্সিধারীরা। সেটপিসের সুযোগ কাজে লাগায় তারা। প্রথমে বল চলে আসে গঞ্জালো প্লাতার কাছে। প্রথম সুযোগ হাতছাড়া করলেও দ্বিতীয়বার ভুল করেননি। তাঁর দক্ষতায় স্কোর লাইন ইকুয়েডরের পক্ষে ২-১। এরপর মরিয়া হয়ে উঠলেও সমতায় ফিরতে পারেনি জার্মানি। তবে ইকুয়েডর আরও বেশি গোলের ব্যবধানে জিততে পারত। ম্যানুয়েল ন্যুয়েরের বিশ্বস্ত দস্তানা তা হতে দেয়নি। ম্যাচের পর আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি ইকুয়েডর কোচ সেবাস্তিয়ান বেকাসেস। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে উঠে পড়েন। সেখানে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। গোটা স্টেডিয়ামে তখন ইকুয়েডর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। উৎসবের মেজাজে ছিলেন তাঁরা।

ছবি সংগৃহীত।

বলে রাখা যাক, ইকুয়েডরের কোচ কিন্তু আর্জেন্তাইন কোচ। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “এখন সেলিব্রেশনের সময়। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করুন। চাইলে এক গ্লাস বিয়ার পান করুন। এটা বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের সবচেয়ে বড় জয়। আমাদের লক্ষ্য ছিল, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা উপহার দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি।” যদিও টুর্নামেন্টের শুরুটা ভালো হয়নি তাদের। আইভরি কোস্টের কাছে হার দিয়ে অভিযান শুরু করেছিল ইকুয়েডর। পরের ম্যাচে কুরাসাওয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। এবার জার্মানিকে হারিয়ে জবাব দিল সেবাস্তিয়ানের দল। “আমরা শান্ত ছিলাম। একই কৌশল এবং ফুটবল দর্শন ধরে রেখেছিলাম। আমি মনে করি না আগের ফলাফলগুলো আমাদের প্রাপ্য ছিল।” বলে দেন আর্জেন্তাইন কোচ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.