Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
ইস্টবেঙ্গল

চরম অপেশাদারিত্বে নাজেহাল কোলাডোরা, মধ্যরাতে লুধিয়ানা পৌঁছে আজ নামছে ইস্টবেঙ্গল

রাতে না ঘুমিয়ে মিনার্ভার বিরুদ্ধে আদৌ ম্যাচ খেলতে পারবেন তো কোলাডোরা, প্রশ্ন উঠছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৯, ১২:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৯, ১২:০৩

options
link
চরম অপেশাদারিত্বে নাজেহাল কোলাডোরা, মধ্যরাতে লুধিয়ানা পৌঁছে আজ নামছে ইস্টবেঙ্গল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন বদলেছে। টাকার থলি নিয়ে ইনভেস্টর এসেছে। কিন্তু পরিস্থিতি আর বদলাল না। চরম অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিল ইস্টবেঙ্গল। রাত একটার সময় লুধিয়ানা পৌঁছে ফুটবলাররা খেলতে নামবে দুপুর দু’টোয়। না ঘুমিয়ে মিনার্ভার বিরুদ্ধে কোলাডোরা আদৌ ম্যাচ খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সমর্থকদের প্রশ্ন, তাহলে ইনভেস্টর এসে কোন পেশাদারিত্বের পথে পা বাড়াল ইস্টবেঙ্গল?

এর আগেও ইস্টবেঙ্গল পাঞ্জাবে খেলতে গিয়েছে। কিন্তু ফুটবলারদের কোনওদিন এরকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে বলে মনে করতে পারছেন না সমর্থকরা। এরকম পরিস্থিতিতে সব সময় ম্যাচের দু’দিন আগে পাঞ্জাব পৌঁছেছে ইস্টবেঙ্গল। দিল্লি থেকে সরাসরি বিমানে চণ্ডীগড়। কিন্তু এবার কোয়েস ইস্টবেঙ্গল দিল্লি থেকে লুধিয়ানা যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা রেখেছিল ট্রেনের। তা মিস করায় শেষে বাসে করে মাঝরাতে টিম হোটেলে পৌঁছলেন ফুটবলাররা।

Advertisement

কোয়েস জমানার আগে অ্যাওয়ে ম্যাচ থাকলে দু’দিন আগে ভেন্যুতে পৌঁছে যেত ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। কিন্তু আলেজান্দ্রোর আমলে, অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে ফুটবলাররা পৌঁছয় সব সময় একদিন আগে। সেভাবেই শুক্রবার সকালের বিমানে কোলাডোরা যখন দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছলেন ততক্ষণে ২ টো বেজে গিয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে কোচিং স্টাফ নিয়ে তার অনেক আগের বিমানেই অবশ্য চণ্ডীগড় পৌঁছে গিয়েছেন আলেজান্দ্রো। ফুটবলাররা দিল্লির বিমানবন্দের পৌঁছে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন লাঞ্চে। ঠিক ছিল, সাড়ে চারটেয় ট্রেন ধরে চণ্ডীগড় যাবে ইস্টবেঙ্গল। কোথায় কী! ফুটবলাররা যখন নয়াদিল্লির রেল স্টেশনে পৌঁছলেন, ততক্ষণে ট্রেন ছেড়ে চলে গিয়েছে। পুরো দলের তখন মাথায় হাত। ফুটবলাররা তখন ভেবে পাচ্ছেন না, লুধিয়ানা পৌঁছবেন কী করে? আলেজান্দ্রো ততক্ষণে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেলেছেন। বলেছেন, “ফুটবলাররা যদি খেলার আগে বিশ্রাম না পায় তাহলে পারফরম্যান্স করবে কী করে? সবকিছুর আয়োজন ঠিকভাবে করা উচিত ছিল।”

[আরও পড়ুন: কিং কোহলির কীর্তিতে হায়দরাবাদে ক্যারিবিয়ান বধ, অনন্য রেকর্ডের মালিক চাহাল]

ততক্ষণে নয়াদিল্লি স্টেশনে দাঁড়িয়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে লাইভ করা শুরু করে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার মার্তি। স্টেশন চত্বর দেখিয়ে বলছেন, “দেখুন পরিস্থিতি। আমরা জানি না কখন লুধিয়ানা পৌঁছব। আমরা যন্ত্র নই, মানুষ। মাঝরাতে পৌঁছে কোনও বিশ্রাম না নিয়ে ভাল ফুটবল খেলা কোনওমতেই সম্ভব নয়। তবুও জেতার চেষ্টা করব।” শেষে অনেক কষ্ট করে একটা বাসের ব্যবস্থা হয়। তাতে চেপে রওনা দেন লুধিয়ানার উদ্দেশে। কেন এরকম হল? বলা হচ্ছে, বিমানের টিকিট না পাওয়াতেই এই ভোগান্তি। কোচ আলেজান্দ্রো সকালে যে বিমানে লুধিয়ানা পৌঁছেছেন, সেই বিমানে টিকিট না পাওয়ার জন্যই সমস্যা। ফলে কোয়েসের কিছুই করার নেই।

কিন্তু সমর্থকরা তা শুনবেন কেন? সবাই বলছেন, অনেক আগে আই লিগের ক্রীড়াসূচি প্রকাশ করেছে ফেডারেশন। তাহলে কথায় কথায় কর্পোরেট বলা কোয়েস, ম্যাচের আগে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে ব্যর্থ কেন? এমনিতে শক্তির দিক থেকে দুর্বল মিনার্ভা। প্রথম ম্যাচে চার্চিলের কাছে হেরেছে তিন গোলে। এই অবস্থায় ইস্টবেঙ্গল যখন ধরেই নিয়েছে, মিনার্ভা ম্যাচ থেকে নিশ্চিত তিন পয়েন্ট পাওয়া যাবে, তখনই এই বিপত্তি।

[আরও পড়ুন: আইপিএলে নয়া চমক, এবার এই দলের মালিকানা স্বত্ত্ব কিনছেন গম্ভীর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.