Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Mohammedan SC

আইএসএলে হারের হ্যাটট্রিক, পাঞ্জাবের কাছে পর্যুদস্ত হয়ে আরও বেরঙিন মহামেডান

অসংখ্য সহজ সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত দিতে হল চেরনিশভের দলকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২৪, ২১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২৪, ২১:৫১

options
link
আইএসএলে হারের হ্যাটট্রিক, পাঞ্জাবের কাছে পর্যুদস্ত হয়ে আরও বেরঙিন মহামেডান zoom
ছবি: মহামেডান সোশাল মিডিয়া।

মহামেডান: ০
পাঞ্জাব এফসি: ২ (লুকা, ফিলিপ)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হারের অন্ধকার থেকে কোনওভাবেই মুক্তির দেখা পাচ্ছে না মহামেডান। বেঙ্গালুরু, জামশেদপুরের পর এবার হারতে হল পাঞ্জাবের বিরুদ্ধেও। ২-০ গোলে হেরে সাদা-কালো ব্রিগেডের অবস্থা আরও বেরঙিন। ১০ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে ১২ নম্বরেই পড়ে রইল চেরনিশভের দল। পাঞ্জাবের হয়ে গোল করেন লুকা মাইচেন ও ফিলিপ। দুটি গোলই হয় দ্বিতীয়ার্ধে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দিল্লির স্টেডিয়ামে এদিন কিন্তু জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত মহামেডান। একাধিক গোলের সুযোগ এসেছিল সাদা-কালো ব্রিগেডের সামনে। কিন্তু ফ্রাঙ্কা, ফানাইরা যে হারে গোল মিস করলেন, তাতেই ম্যাচের ভাগ্য একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে যায়। ৬ মিনিটের মাথায় সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ ফ্রাঙ্কা। ১৭ মিনিটে ফ্রাঙ্কার পাস যখন ফানাইয়ের পায়ে আসে, তখন তাঁর সামনে ফাঁকা গোল। কিন্তু সেখান থেকে বাইরে মারলেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধেও একই অবস্থা। ৪৭ মিনিটে ফের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল মহামেডানের সামনে। এবারও গোল করতে পারতেন ফানাই। কিন্তু কোথায় কী? দ্বিতীয় বার থেকে বল বাইরে পাঠিয়ে দিলেন তিনি। পরের মিনিটেই গোল করতে ব্যর্থ মাঞ্জোকি।

পাঞ্জাবের মতো শক্তিশালী দলের কাছে এরকম সুযোগ হারান যে অপরাধ, তা ফের বুঝিয়ে দিলেন লুকা মাইচেনরা। ৫৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন পাঞ্জাব অধিনায়ক। মহামেডানের গোলকিপার ভাষ্কর রায়ের সেভ করা বল তাঁর পায়ে পৌঁছতেই জালে জড়াতে কোনও ভুল করেননি লুকা। ৬৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোল ফিলিপের। প্রায় মাঝমাঠ থেকে আসা থ্রু বল যখন তিনি ধরছেন তখন সাদা-কালোর ডিফেন্ডাররা কার্যত দাঁড়িয়ে রইলেন। সেই ফাঁকে ব্যবধান বাড়ল ২-০ গোলের। এখান থেকে ফিরে আসার আর কোনও সুযোগই ছিল না মহামেডানের সামনে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মাঞ্জোকির একটি দুর্বল হেড ছাড়া আর উত্তর ছিল না তাদের সামনে। শেষ পর্যন্ত জামশেদপুরের পর দিল্লি থেকেও খালি হাতের সঙ্গে একরাশ দুশ্চিন্তা নিয়ে ফিরতে হবে চেরনিশভকে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.