BREAKING NEWS

০৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

‘ইস্টবেঙ্গলের থেকে এবার বেশি কিছু আশা করবেন না’, সমর্থকদের বললেন বাইচুং

Published by: Sulaya Singha |    Posted: September 28, 2020 2:52 pm|    Updated: September 28, 2020 2:52 pm

ISL 7: Bhaichung Bhutia says not to expect too much from East Bengal | Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের কাছ থেকে বেশি কিছু প্রত্যাশা করতে সমর্থকদের বারণ করে দিলেন বাইচুং ভুটিয়া (Bhaichung Bhutia)। রবিবার এফএসডিএল (FSDL) সরকারিভাবে জানিয়ে দেয়, ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল (ISL) খেলতে কোনও বাধা নেই। শক্তিশালী দল গড়েছে মোহনবাগান, একথা মানছেন বাইচুং। তাই বলে ডার্বিতে অনায়াসে জিতবে সবুজ-মেরুন, তা কিন্তু বলছেন না ভারতীয় ফুটবলের আইকন।

এক মাসও হয়নি শ্রী সিমেন্ট দায়িত্ব নিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। প্রতিটি দল প্রস্তুতিতে নেমে পড়ার মুখে। মোহনবাগান দলের অধিকাংশ ফুটবলার ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে গোয়ায়। ব্যতিক্রম ইস্টবেঙ্গল। তারা না পেরেছে দলগঠন করতে, না পেরেছে কোচ ঠিক করতে। স্বভাবতই লাল-হলুদ শিবির অনেকটা পিছিয়ে। সেই কথা সমর্থকদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বাইচুং বলেছেন, “এবার ইস্টবেঙ্গলের প্রতিটি সমর্থক চেয়েছিল তাদের প্রিয় দল আইএসএল খেলুক। সেই লক্ষ্যে তারা পৌঁছে গিয়েছে। এখন তাদের কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ হল, দলগঠন করা। তাই বলে পারফরম্যান্সের বিচার করতে বসে পড়বেন না।”

[আরও পড়ুন: ‌‘‌ওই একটি বল মিস করার জন্য ধন্যবাদ,’‌ রাহুলের ইনিংস দেখে মন্তব্য ‘‌মুগ্ধ’‌ যুবরাজের]

ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) পক্ষে সই করা ফুটবলারদের মধ্যে কেবলমাত্র বলবন্ত সিং (Balwant Singh) জাতীয় দলের তালিকায় পড়েন। বাকিরা হয় অতীতের ছায়া নয়তো তরুণ তুর্কি। তাছাড়া আইএসএল খেলা দলগুলো অধিকাংশ তারকাকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সই করিয়ে রেখেছে। তাই বাইচুংয়ের কথায়, “অধিকাংশ ভারতীয় ফুটবলের তারকারা দীর্ঘদিনের চুক্তিতে নানান দলের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত। এখন ভালমানের ফুটবলার পাওয়া দুষ্কর। সন্দেশ পাঁচ বছরের চুক্তিতে সই করেছে মোহনবাগানে। এভাবে কোনও ভাল ফুটবলার আপনি এখন আর পাবেন না। তাই ইস্টবেঙ্গলের উচিত দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিতে ফুটবলারদের সই করিয়ে দলগঠনে নেমে পড়া। ধীরে ধীরে এভাবে দলগঠন করতে হবে। এখন বিদেশিরাই ইস্টবেঙ্গলের ভরসা।”

কিন্তু ডার্বি নিয়ে আশাবাদী বাইচুং। বলেন, “ডার্বি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গল খুব একটা খারাপ খেলবে না। এই ম্যাচে আবেগ আর স্নায়ুর লড়াই হয়।” পরমুহূর্তে ১৯৯৭-এর ডার্বিতে হ্যাটট্রিক প্রসঙ্গ তুলে ধরে বাইচুং ব্যাখ্যা করেন, “কাগজে-কলমে সেই ম্যাচে অবশ্যই এগিয়ে ছিল মোহনবাগান। কিন্তু ম্যাচটা আমরা জিতেছিলাম। আসলে ওই ম্যাচে স্নায়ুর লড়াইয়ে বাজিমাত করতে পারা হল আসল কথা। তাই সেই ম্যাচে কী হবে এখন থেকে বলা মুশকিল।” তবে দুই প্রধানের অন্তর্ভুক্তিতে আইএসএল-এর গুরুত্ব অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে বলে স্বীকার করে নিলেন বাইচুং।

[আরও পড়ুন: ভারতীয় ক্রিকেটের দুই পোস্টার বয়ের লড়াইয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে রোহিত]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে