Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
FIFA World Cup

মেসির টানে…! বিশ্বকাপে ২৮ বছরের রেকর্ড ভাঙল মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা ম্যাচের দর্শকসংখ্যা

রেকর্ড সংখ্যক দর্শকের সামনে মারাদোনাকে ছুঁয়ে ফেলেছেন লিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০২২, ১০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০২২, ১০:৪৫

options
link
মেসির টানে…! বিশ্বকাপে ২৮ বছরের রেকর্ড ভাঙল মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা ম্যাচের দর্শকসংখ্যা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লিওনেল মেসির (Leo Messi) শেষ বিশ্বকাপ। তার উপরে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার লড়াই ছিল টুর্নামেন্টে টিকে থাকার। এই ম্যাচে জিততে না পারলে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে অধুনা ফুটবলের GOAT-কে আর দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে কিনা, সেটা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়ে যেত। স্বাভাবিকভাবেই মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা (Argentina) ম্যাচ ঘিরে সমর্থকদের উৎসাহ ছিল অন্য মাত্রার। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মেসিকে দেখতে লুসাইল স্টেডিয়ামে তাই ভিড় করেছিলেন হাজার হাজার দর্শক। উৎসাহী সমর্থকদের সংখ্যায় তাই রেকর্ড করে ফেলল কাতার (Qatar World Cup)।

শনিবার লুসাইল স্টেডিয়ামে (Lusail Stadium) মেসিদের খেলা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন ৮৮ হাজার ৯৬৬ জন সমর্থক। এমনিতে লুসাইল স্টেডিয়ামে দর্শক আসন ৮০ হাজার। কিন্তু আর্জেন্টিনা ম্যাচের টিকিটের চাহিদার কথা ভেবে অস্থায়ী আসনের ব্যবস্থা করেছিল আয়োজকরা। তাতেও টিকিটের চাহিদা পূরণ করা যায়নি। শনিবার স্টেডিয়ামের বাইরেও ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সমর্থক। চলতি বিশ্বকাপে (FIFA World Cup) এর আগেও ওই স্টেডিয়ামে দু’টি ম্যাচ হয়েছে। কিন্তু এর আগে দর্শকসংখ্যা এর ধারেকাছে পৌছায়নি। বস্তুত, গত ২৮ বছরে বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে এত দর্শক হয়নি।

[আরও পড়ুন: বিধানসভায় মমতা-শুভেন্দু সাক্ষাৎ নিয়ে জোর জল্পনার মাঝেই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য দিলীপ ঘোষের]

এর আগে ১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল বনাম ইটালির খেলা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন ৯১ হাজারের বেশি মানুষ। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দর্শকের রেকর্ডও রয়েছে ব্রাজিলের একটি ম্যাচেই। ১৯৫০ সালে মারাকানায় বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল বনাম উরুগুয়ে ম্যাচ দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন এর দ্বিগুণ দর্শক। সেদিন স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন ১ লক্ষ ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: DA ইস্যুতে সরকারি কর্মচারীদের পাশেই আছে সরকার, দাবি দুই মন্ত্রীর]

বলা বাহুল্য, লুসাইল স্টেডিয়ামের সেই ৮৯ হাজার দর্শককে হতাশ করেননি মেসি। তাঁর বাঁ-পায়ের নিখুঁত শট যেভাবে ওচোয়াকে ধরাশায়ী করে মেক্সিকোর জালে বল জড়িয়ে দিল, সেই দৃশ্যই সম্ভবত দেখতে চেয়েছিলেন ওই হাজার হাজার অনুরাগী।  লিও যেন সবাইকে মন্ত্রমুগ্ধ করে দিলেন। সেই সঙ্গে ছুঁয়ে ফেললেন ‘ফুটবল ঈশ্বর’ মারাদোনাকে। বিশ্বকাপে মেসি এবং মারাদোনার (Maradona) গোলসংখ্যা এখন সমান। দুজনেই করেছেন আটটি করে গোল।  মেসির পাশাপাশি ফার্নান্ডেজের গোলও ছিল বিশ্বমানের। তবে, মেক্সিকোকে হারানোর খুশিতে ভেসে যেতে নারাজ নীল-সাদা ব্রিগেডের কোচ স্কলোনি। আপাতত তাঁর নজর পোল্যান্ড ম্যাচে। ম্যাচের পর তিনি বলেই দিচ্ছেন, আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে সব কিছু নতুন করে শুরু করতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.