Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
এটিকে-মোহনবাগান

মোহনবাগান-এটিকের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে ঢুকছেন সৌরভ, চেয়ারম‌্যান হচ্ছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা

বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের প্রথম সভা ১০ জুলাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ২০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ২০:৩৫

options
link
মোহনবাগান-এটিকের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে ঢুকছেন সৌরভ, চেয়ারম‌্যান হচ্ছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: এটিকে-মোহনবাগান বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে সরাসরি আসতে চলেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সঙ্গে বোর্ডের চেয়ারম‌্যান হয়ে আসছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। এতদিন শোনা যাচ্ছিল সৌরভ এই বোর্ডে নাও আসতে পারেন। এটিকের পরিচালকমণ্ডলীতে তিনি ছিলেন ব্র্যান্ড অ‌্যাম্বাসাডর হয়ে। কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, সৌরভকে বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে রাখা হচ্ছে। আগামী ১০ জুলাই প্রথম বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সভা বসছে। যদিও সেই সভা হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। সেই সভাতেও তিনি উপস্থিত থাকবেন। নানান পরামর্শ দেবেন কলকাতা মহারাজ।   

আসলে সৌরভ বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে ঢুকে যাওয়ায় ব্যাপারটা অন্য মাত্রা নিচ্ছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কারণ সৌরভ হলেন বাংলার অন্যতম মুখ। তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সেই সূত্রে তিনি এটিকে-মোহনবাগান প্রাইভেট লিমিটেডের (ATK-Mohun Bagan Pvt. Ltd.) বোর্ডে চলে আসায় এর গভীরতা অনেকটা বেড়ে গেল বলে মনে করছে ক্রীড়া মহল। উল্লেখ্য, এটিকে-মোহনবাগানের পাঁচ জন ডিরেক্টরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।  তাঁরা হলেন উৎসব পারেখ, সৃঞ্জয় বোস (Srinjoy Bose), দেবাশিস দত্ত, গৌতম রায় এবং সঞ্জীব মেহেরা। মোহনবাগানের তরফে দু’জন এবং এটিকের তরফে তিনজন ডিরেক্টর নিযুক্ত হয়েছেন। এবার আরও দু’জন ডিরেক্টরের নাম জানা গেল। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ময়দানের ফুটবলে ইতিহাস গড়ে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের ফুটবল সচিব হলেন দীপেন্দু বিশ্বাস]

শুধু সৌরভ নন, নতুন বোর্ডের শীর্ষপদে আসতে চলেছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কাও। এতদিন তিনি  কোম্পানির কর্ণধার ছিলেন ঠিকই। কিন্তু বোর্ড অব ডিরক্টর্সে ছিলেন না। তিনি বাইরে থেকে সবকিছু পরিচালনা করতেন। বোর্ড অব ডিরক্টর্সের শীর্ষে আসবেন বলে তিনি নাকি সম্মতি দিয়েছেন। আসলে মোহনবাগানের সঙ্গে তাঁর একপ্রকার নাড়ির টান রয়েছে। তাঁর বাবা ছিলেন মোহনবাগানের সদস্য। ছোট বয়সে দু’একবার বাবার হাত ধরে মোহনবাগান মাঠে এসে তিনি নিজে খেলা দেখেছেন। তাই তাঁর কাছে মোহনবাগান হল একটা আবেগ। সেই আবেগকে দূরে সরিয়ে থাকতে পারেননি। তাই তিনিও থাকছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.