Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
আইপিএল

মোহালির বাইশ গজে ফণীর অপেক্ষা, আজ নজরে রাসেল বনাম গেইল

দুটো দলই শেষ চারে পা রাখার জন্য পড়িমরি ছুটছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০১৯, ১৫:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০১৯, ১৫:২২

options
link
মোহালির বাইশ গজে ফণীর অপেক্ষা, আজ নজরে রাসেল বনাম গেইল zoom

সৌরাশিস লাহিড়ী: সকালে টিভি খুলে দেখলাম ফণীর দাপট কাকে বলে। পুরীর তো প্রায় লন্ডভন্ড অবস্থা। শুনছি যে সন্ধে নাগাদ নাকি ফণী আমাদের এখানে আছড়ে পড়বে। এখানে যে কী অবস্থা হবে কে জানে? তবে, ফণীর মোকাবিলায় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সব নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মোহালিতে আজ যে ফণী আছড়ে পড়বে, তা ঠেকানোর কী হবে?

আমরা আজ মাসল পাওয়ার কাকে বলে দেখতে পারি! যেহেতু মোহালিতে মুখোমুখি হচ্ছে আন্দ্রে রাসেল আর ক্রিস গেইল। দুই ক্যারিবিয়ান তারকার জন্যই এই ম্যাচ ঘিরে বাড়তি আকর্ষণ রয়েছে। রাসেল যেমন বাইশ গজে দাঁড়িয়ে মাসল পাওয়ার দেখায়, ঠিক তেমনই গেইলও। ফলে ধুন্ধুমার কাণ্ড আজ দেখা যেতে পারে পাঞ্জাব ক্রিকেটের হেড কোয়ার্টারে। দু’জনের মধ্যে অবশ্যই রাসেলকে একটু এগিয়ে রাখব। ও যে ফর্মে আছে তাতে এগিয়ে না রেখে উপায় নেই। আমি বলছি না ব্যাটসম্যান গেইলের থেকে রাসেল এগিয়ে। তবে সাম্প্রতিক ফর্মের বিচারে রাসেলকে এগিয়ে রাখতেই হবে। এবারের আইপিএলে রাসেল যে ব্যাটিং করেছে তাতে, ওকে না এগিয়ে রেখে উপায় নেই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ক্লান্তির জের, পিছিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের গুরুত্বপূর্ণ সফর]

তবুও মোহালির এই ম্যাচ গেইলের জন্যও বাড়তি উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। ক্রিস গেইল এমন একজন ব্যাটসম্যান, যাকে আপনি কিছুতেই আলোচনার বাইরে রাখতে পারবেন না। যে কোনও সময় ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে। আর সেটা ও করেছে। তবে, আর একটা জিনিসও বলার আছে। এটা কিছুতেই রাসেল আর গেইলের ম্যাচ নয়। ওরা বড় জোর ম্যাচের নায়ক হতে পারে। কিন্তু পাশে বাকি চরিত্রও থাকতে হবে। তা সে কলকাতা নাইট রাইডার্স বলুন বা কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। দুটো দলেই তারকার কোনও অভাব নেই। আর এই দুটো দলই এখন শেষ চারে পা রাখার জন্য পড়িমরি ছুটছে।

যদি ফর্মের কথা বলেন, এই ম্যাচে আমি কেকেআরকে এগিয়ে রাখব। ইডেনে শেষ ম্যাচ ওরা যেভাবে মুম্বইকে হারিয়েছে, তাতে মনোবল বেড়ে যেতে বাধ্য। সেই মোমেন্টামই শুক্রবারের ম্যাচে ধরে রাখতে হবে। যদি নাইটরা সেটা পারে, তাহলে ম্যাচ জিততে পারে। এই মোমেন্টাম ওদের ধরে রাখতে হবে। যে কথাটা বলছিলাম, ফর্মের বিচারে নাইটরা এগিয়ে। কিন্তু ওদের একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। সেটা হল যে প্লে অফে যাওয়ার ব্যাপারটা মাথা থেকে বের করে দিতে হবে। দীনেশ কার্তিক শুধু ছেলেদের বলুক, আমরা এখন কিংস ইলেভেন ম্যাচ ধরে এগোব। তারপর মুম্বই ম্যাচ নিয়ে ভাবব। একসঙ্গে দুটো ম্যাচ জিততে হবে, এই ভাবনা মাথায় নিয়ে চললে নিজেদের উপর চাপ এসে যাবে। এই চাপ এড়াতে হবে।

[আরও পড়ুন: ব্যাট নয়, ব়্যাকেট হাতে সমর্থকদের মাতালেন ধোনি! দেখুন ভিডিও]

একটা দল টানা ছ’টি ম্যাচ হারলে এমনিতে প্লে অফে যাওয়ার কথা ভাবতেই পারে না। সেখানে নাইটরা যে তবু এখনও প্লে অফের দৌড়ে রয়েছে, এটা বিরাট ব্যাপার। কিন্তু দুটো ম্যাচ জিতলেই ওদের চারে যাওয়া হবে না। তারপরও অনেক ‘যদি আর কিন্তু’ থাকবে। আসলে চেন্নাই, দিল্লি ও মুম্বই প্লে অফে উঠে গিয়েছে। বাকি জায়গাটার জন্য লড়াইয়ে রয়েছে কেকেআর, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব, রাজস্থান রয়্যালস আর সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তবে, পরিস্থিতির বিচারে এখনও পর্যন্ত সানরাইজার্সই ভাল জায়গায় রয়েছে। কিন্তু আগেই বলেছি যে, দৌড়ে বাকিরাও রয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, কার ভাগ্যে শেষমেশ শিকে ছিঁড়বে, তা শুধু সময়ই বলতে পারে। জানি না এই ম্যাচে নাইটদের টিম কম্বিনেশন কী হবে? তবে আগে যা বলেছি, আবার তাই বলছি। কুলদীপ যাদবকে খেলানো উচিত। নাইটদের ১৪ পয়েন্টে পৌঁছতে হলে কুলদীপই সেটা পারবে। ১৪ পয়েন্টে না পৌঁছনো পর্যন্ত কেকেআরের প্লে অফ নিয়ে ভাবা উচিত নয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.