Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Asian Games

বিমান বিভ্রাট থেকে ‘গৃহহীন’ দশা! সব সামলে রুপো রুদ্রাঙ্কশদের

টিম ইভেন্টে রুপো পাওয়া ভারতীয় দলে হিমাংশু-রুদ্রাঙ্কশ ছাড়াও ছিলেন পার্থ মানে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
বিমান বিভ্রাট থেকে ‘গৃহহীন’ দশা! সব সামলে রুপো রুদ্রাঙ্কশদের zoom
এশিয়ান গেমস শুটিংয়ে পদকজয় ভারতের। ফাইল ছবি।
Advertisement

এশিয়ান গেমস শুটিংয়ে পদক-ঝড় অব্যহত ভারতের। একদিন আগে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে জোড়া রুপো এসেছিল মহিলা দলের হাত ধরে। সোমবার পুরুষ দল দু’টো রুপোর সঙ্গে পেল একটা ব্রোঞ্জও। টিম ইভেন্টে দ্বিতীয় হওয়ার পর ব্যক্তিগত লড়াইয়ে রুপো পেলেন হিমাংশু ধীলোঁ। ভগ্নাংশের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ব্রোঞ্জে থামলেন রুদ্রাঙ্কশ পাটিল।

টিম ইভেন্টে রুপো পাওয়া ভারতীয় দলে হিমাংশু-রুদ্রাঙ্কশ ছাড়াও ছিলেন পার্থ মানে। এদিন আইচি প্রিফেক্টুরান জেনারেল শুটিং গ্যালারিতে যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিন ভারতীয় শুটারের মিলিত স্কোর দাঁড়ায় ১৮৯০.১। প্রথম স্থানে ছিল চিন (১৮৯৯)। এই ইভেন্টে গত সংস্করণে সোনাজয়ী রুদ্রাঙ্কশদের পিছনে ফেলার পাশাপাশি ভারতের বিশ্বরেকর্ডও ভাঙে তারা। যা নিয়ে ম্যাচ শেষে অনলাইন সাক্ষাৎকারে রুদ্রাঙ্কশ বলছিলেন, “চিন যে আমাদের বিশ্বরেকর্ড ভেঙেছে, তা জানা ছিল না। এখন জানতে পারলাম। সোনা জিততে না পেরে খারাপ লাগছে। তবে বিশ্বরেকর্ড ভাঙা নিয়ে ভাবছি না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ব্যক্তিগত ইভেন্টে শুরুটা ভালোই করেছিলেন রুদ্রাঙ্কশ ও হিমাংশু। প্রথম পর্যায়ের পর শীর্ষে ছিলেন রুদ্রাঙ্কশ। কিন্তু ক্রমেই পিছিয়ে পড়েন তিনি। দ্বিতীয় স্টেজের পর ০.১ পয়েন্টে জাতীয় দলের সতীর্থর থেকে এগিয়ে ফাইনালে চলে যান হিমাংশু। তবে এই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পেয়েও হতাশ নন রুদ্রাঙ্কশ। তাঁর কথায়, “গত এশিয়াডে একটুর জন্য চতুর্থ হয়ে পদক হাতছাড়া হয়েছিল। এবার তো তাও একটা পদক পেলাম। সোনা না পাওয়ার হতাশার মধ্যে সেটাই ইতিবাচক বিষয় আমার কাছে। কারণ সবকিছু ঠিকঠাক হলে সোনাও জিততে পারতাম।”

এবার এশিয়ান গেমসে যাওয়ার সময় একটার পর একটা সমস্যা সামলেছেন রুদ্রাঙ্কশরা। প্রতিযোগিতার জন্য ভোপালে ক্যাম্প করছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে দিল্লি-হংকং ঘুরে জাপান যাওয়ার কথা ছিল দলের। কিন্তু ভোপাল থেকে রাজধানী যাওয়ার সময় বিমান-বিভ্রাটে পড়েন রুদ্রাঙ্কশরা। জয়পুরে জরুরি অবতারণের পর সড়কপথে দিল্লি পৌঁছায় দল। এরপর হংকংয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। আর নাগোয়ায় গেমস সেন্টারে পৌঁছে আরও অব্যবস্থার সাক্ষী হতে হয় দলকে। কারণ প্রাথমিকভাবে কোনও ঘর দেওয়া হয়নি ভারতীয় শুটারদের। প্রায় সারা রাত সেন্টারের লবিতে অপেক্ষার পর একটা হোটেলে ঠাঁই পান তাঁরা। কিন্তু দেখা যায়, সেখানে অন্য দলের থাকার কথা। সে সব বিপত্তি উপেক্ষা করেই পদক জিতেছেন রুদ্রাঙ্কশরা। তিনি বলছিলেন, “পরিস্থিতি আমাদের অনুকূলে ছিল না। তারপরও চেষ্টা করেছি নিজের সেরাটা দেওয়ার। গত একটা বছর আমার সেভাবে ভালো কাটেনি। খুব একটা ফাইনালে খেলতেও পারিনি। তবে সবমিলিয়ে কেরিয়ারে অনেক ফাইনালেই খেলেছি। সেই অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লেগেছে।”

অন্যদিকে, ব্যক্তিগত ইভেন্টে রুপো পাওয়া হিমাংশু একটা সময় ছিলেন কুস্তিগীর। হিমাংশুর কাকা হরদীপ অংশ নিয়েছিলেন রিও অলিম্পিকে। কাকাকে দেখেই কুস্তি শুরু করেন তিনি। পরে শারীরিক শক্তির খেলা ছেড়ে বেছে নিয়েছেন লক্ষ্যভেদের লড়াই। সেখানে সিনিয়র কেরিয়ারের প্রথম পদকটাই তিনি পেলেন নিজের জন্মদিনে! যা নিয়ে তিনি শোনালেন, “কুস্তি ছেড়ে শুটিংয়ে আসাটা সহজ ছিল না। বারবার ভাবতাম, কোথায় চলে এলাম? নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতাম। কিন্তু আজ পোডিয়ামে দাঁড়ানোর সময় মনে হল, সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি।” ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে আরও একটা পদক আসতে পারে ভারতের ঝুঁলিতে। কারণ মিক্সড টিম ইভেন্টে লড়বেন পার্থ এবং এলাভেনিল ভালারিভান।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.