Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Donald Trump

নোবেল জিতেই ট্রাম্পকে ফোন করেন মাচাদো! কী কথা হয়েছিল? জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মারিয়াকে বলা হয় ‘ভেনেজুয়েলার লৌহমানবী’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২৫, ১৯:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২৫, ১৯:২৩

options
link
নোবেল জিতেই ট্রাম্পকে ফোন করেন মাচাদো! কী কথা হয়েছিল? জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পরই ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলনেতা মারিয়া করিনা মাচাদো তাঁকে ফোন করেছিলেন। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর আরও দাবি, ফোনে মাচাদো জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্মানে তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। শুধু তাই নয়, এই পুরস্কারের আসল দাবিদার যে ট্রাম্প, সেকথাও নাকি ফোনে জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলনেতা।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “যিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আমার সম্মানেই তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। আমিই এই পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার ছিলাম। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে আমি নোবেল চাইনি। আমি মাচাদোকে অনেক সাহায্য করেছি। ভেনিজুয়েলায় খারাপ সময় আমি তাদের পাশে থেকেছি। তাদের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। আমি খুশি যে আমি লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচিয়েছি।”  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মারিয়াকে বলা হয় ‘ভেনেজুয়েলার লৌহমানবী’। এই মুহূর্তে তিনি আত্মগোপন করে রয়েছেন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করার জন্য ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের মধ্যে তাঁর নামও নির্বাচিত হয়েছিল। গত বছর ভেনেজুয়েলার নির্বাচনের পর থেকেই অন্তরালে রয়েছেন তিনি। বলা হয় সেই সময় নিকোলাস মাদুরো ভোটে প্রবল কারচুপি করে ক্ষমতায় আসেন। আর সেই সময় থেকেই আত্মগোপন করেন দেশের প্রধান বিরোধী নেত্রী। নোবেল কমিটি বলছে, মাচাদো দেশবাসীর গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সচেতন করেছেন। তাঁদের সেই অধিকারের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। ভেনেজুয়েলার বিরোধী দল এক কালে দ্বিধাবিভক্ত ছিল। তাদের একত্রিত করার কৃতিত্ব মারিয়ার।

কিন্তু ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লড়াই সহজ ছিল না। সেই লড়াইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তিনি বরাবর পাশে পেয়েছেন বলে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন মাচাদো। সদ্য নোবেলজয়ী ওই নেত্রী বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই সম্মান ভেনেজুয়ালের মানুষের লড়াইয়ের স্বীকৃতি। আমরা জয়ের একেবারে কাছে দাঁড়িয়ে আছি। আর এই লড়াইয়ে এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে। ল্যাটিন আমেরিকার সব মানুষ, অন্যান্য সব গণতান্ত্রিক দেশ আমাদের এই স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের লড়াইয়ের অংশ।”

মাচাদো স্পষ্ট বলেন, “এই সম্মান তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণ এবং সর্বতভাবে সাহায্য করার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উৎসর্গ করছেন।” অর্থাৎ ট্রাম্প নিজে নোবেল না পেলেও পুরস্কার প্রাপক তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন। অনেকে বলছেন, এটা অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.